স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধRohan Uddin Fahad · CC BY-SA 3.0বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার
চট্টগ্রাম
নাসিরাবাদে টিলার ওপর পারস্যের সুফি বায়েজিদ বোস্তামীর নামে মাজার, মুঘল আমলের মসজিদ আর তীর্থযাত্রীদের খাওয়ানো বিরল বোস্তামী কাছিমে ভরা পুকুরসহ; প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভিড়।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধAzim Al Jabber · CC BY 2.5চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং
চট্টগ্রাম
পুরোনো শহরের ওপরে পরীর পাহাড়ে ১৮৯৮ সালের লাল ইন্দো-সারাসেনিক আদালত ভবন: গম্বুজ, খিলানের সারি আর লম্বা সম্মুখভাগ, এখনো জেলা আদালত, নিচে ছড়ানো নদী আর বন্দর।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধAzim Al Jabber(azimiiuc@yahoo.com) · CC BY-SA 3.0চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি
চট্টগ্রাম
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি, বাদশা মিয়া রোডে গাছের নিচে প্রায় সাতশ কবরের লন: বার্মা রণাঙ্গনে মারা যাওয়া ব্রিটেন, ভারত, আফ্রিকা, বার্মা, জাপান আর নেদারল্যান্ডসের সৈনিক ও বৈমানিক।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধFahad Faisal · CC BY-SA 3.0সমুদ্র বিলাস, হুমায়ূন আহমেদের বাড়ি
কক্সবাজার
দ্বীপের পশ্চিম সৈকতে কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের তৈরি সমুদ্রতীরের বাড়ি; এখন তাঁর পরিবারের চালানো ব্যক্তিগত অতিথিশালা, বেশিরভাগ দর্শনার্থী দেখেন বাইরে সৈকত থেকে।
হযরত রাস্তি শাহ মাজার, শাহরাস্তি
চাঁদপুর
ত্রয়োদশ শতকের সাধক রাস্তি শাহের দরগা, যাঁর নামে শাহরাস্তি উপজেলা: মাজার, মসজিদ আর বছরে একবার ওরস, গোটা অঞ্চল থেকে মানুষ আসে।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধMrb Rafi · CC BY-SA 4.0বিজয় '৭১
ময়মনসিংহ
শ্যামল চৌধুরীর ভাস্কর্য: স্বাধীনতার জন্য লড়ছেন এক কৃষক, এক নারী আর এক ছাত্র; ক্যাম্পাসটি ১৯৭১ সালে ছিল পাকিস্তানি সেনাদের সদর দপ্তর।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধNahian · CC BY-SA 4.0সরকারি নজরুল একাডেমি (দরিরামপুর স্কুল)
ময়মনসিংহ
১৯১৩ সালের যে স্কুলে নজরুল পড়েছেন; তাঁর ব্যবহার করা দুটি কক্ষ আজও সংরক্ষিত।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধMasum-al-hasan · CC BY-SA 3.0মুজিবনগর স্মৃতিকমপ্লেক্স
মেহেরপুর
মুজিবনগরের স্মৃতিস্থান, যেখানে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এক আমবাগানে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার শপথ নেয়: ২৩ স্তরের স্মৃতিসৌধ, যুদ্ধের ভাস্কর্য আর বড় মানচিত্র।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধAfifa Afrin · CC BY-SA 4.0বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন
কুমিল্লা
কুমিল্লা টাউন হল, ১৮৮৫ সালে ত্রিপুরার মহারাজা বীরচন্দ্র মাণিক্যের দেওয়া জমিতে গড়া: ঔপনিবেশিক ধাঁচের গণপাঠাগার আর মিলনায়তন, এখনও শহরের সাংস্কৃতিক জীবনের কেন্দ্র।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধFerdous · CC BY-SA 4.0কুমিল্লা ওয়ার সিমেট্রি
কুমিল্লা
ক্যান্টনমেন্ট রোডে কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধিক্ষেত্র: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বার্মা ফ্রন্টের ৭৩৬ জন সৈনিক আর বৈমানিকের কবর, পুরোনো গাছের নিচে শান্ত সবুজ মাঠ।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধShek Hasan · CC BY-SA 4.0শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ
গোপালগঞ্জ
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি, তাঁর নিজ গ্রাম টুঙ্গিপাড়ায়।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধMostaque Ahammed · CC BY-SA 2.0কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
ঢাকা
১৯৫২-র ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশের স্মৃতিস্তম্ভ, যেখানে ২১ ফেব্রুয়ারি সারা দেশ ফুল দেয়।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধSajid Muhaimin Choudhury (Transfered by
Boles Shikmim/Original uploaded by Smcbuet) · CC BY-SA 3.0কার্জন হল
ঢাকা
১৯০৪ সালের লাল ইটের ভবন, ইউরোপীয় আর মোগল রীতির মিশেল, এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ আর শহরের প্রিয় স্থাপনাগুলোর একটি।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধNasir Khan Saikat · CC BY-SA 2.0জাতীয় স্মৃতিসৌধ
ঢাকা
সাভারে ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে উঁচু কংক্রিটের স্মৃতিসৌধ, চারপাশে বিস্তৃত সবুজ, জলাশয় আর গণকবর।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধNeelShahadeb · CC BY-SA 4.0জাতীয় সংসদ ভবন
ঢাকা
শেরেবাংলা নগরে লুই কানের নকশায় কংক্রিট আর ইটের সংসদ ভবন, যেন জলাশয় থেকে উঠে আসা: বিশ শতকের অন্যতম বিখ্যাত স্থাপত্য।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধTanvir Rahat · CC BY-SA 4.0যশোর কালেক্টরেট ভবন
যশোর
ভৈরবের তীরে দড়াটানায় সুদর্শন দোতলা কালেক্টরেট ভবন, ১৭৮৬ সালে জেলার প্রথম প্রশাসক টিলম্যান হেঙ্কেলের প্রস্তাবে নির্মিত, তখন থেকেই জেলা প্রশাসনের দপ্তর; নদীর ধারের প্রাঙ্গণ এখন সন্ধ্যার আড্ডার জায়গা।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধRiads08 · CC BY-SA 4.0পদ্মা সেতু
মুন্সীগঞ্জ
লৌহজংয়ের মাওয়া থেকে শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের দিকে পদ্মার ওপর সড়ক ও রেল সেতু, ২০২২ সালের ২৫ জুন চালু।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধBhoboghure · CC BY 4.0মাঝাইলে ফররুখ আহমদের বাড়ি
মাগুরা
'মুসলিম রেনেসাঁর কবি' ফররুখ আহমদের পৈতৃক বাড়ি ও পারিবারিক কবরস্থান, শ্রীপুরে তাঁর জন্মগ্রাম মাঝাইলে।
পীর মোকাররম আলী শাহের দরগাহ ও হাজরাপুর নীলকুঠি
মাগুরা
মাগুরা থেকে ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ইছাখাদায় নবগঙ্গার তীরে সুফি দরগাহ, পাশেই হাজরাপুরের নীলকুঠি, যাকে ঘিরে ১৮৫৬–৬০ সালের নীল বিদ্রোহ হয়েছিল।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধBhoboghure · CC BY 4.0মুজদিয়ায় কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি
মাগুরা
শ্রীপুরের মুজদিয়ায় কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি, যেখানে তিনি ১৯৫২ সালে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন, আর তাঁর নামের পাঠাগার।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধFiruz Ahmmed · CC BY-SA 4.0কামালপুর রণাঙ্গন ও স্মৃতিসৌধ
জামালপুর
বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর সীমান্ত ঘাঁটি, যেখানে ১১ নম্বর সেক্টর ১৯৭১-এর জুলাই থেকে ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে লড়েছিল, যুদ্ধের দীর্ঘতম লড়াইগুলোর একটা; স্মৃতিসৌধ, শহীদদের কবর আর পাশে এখন স্থলবন্দর।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধNahian · CC BY-SA 4.0হযরত শাহ জামালের মাজার
জামালপুর
যাঁর নামে জেলার নাম, সেই সাধকের মাজার, জামালপুর শহরের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে ব্রহ্মপুত্রের তীরে; মসজিদ, কবর আর প্রতি বছর নয় দিনের ওরস।
দুরমুঠের শাহ কামালের মাজার
জামালপুর
মেলান্দহের দুরমুঠে হযরত শাহ কামালের মাজার, প্রতি বৈশাখে মাসব্যাপী ওরস আর বৈশাখী মেলার জন্য পরিচিত, জেলার সবচেয়ে বড় গ্রামীণ মেলাগুলোর একটা।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধBhoboghure · CC BY 4.0শের আলী গাজীর মাজার
শেরপুর
শেরপুর পরগনার শেষ গাজী জমিদার, যাঁর নামে জেলার নাম, তাঁর কবর শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে গাজীর খামারে; প্রতি ১ ফাল্গুন ওরস আর গ্রামীণ মেলা।