স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, জামালপুর
হযরত শাহ জামালের মাজারMazar of Hazrat Shah Jamal
- সময় লাগে
- আধা ঘণ্টা।
যাঁর নামে জেলার নাম, সেই সাধকের মাজার, জামালপুর শহরের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে ব্রহ্মপুত্রের তীরে; মসজিদ, কবর আর প্রতি বছর নয় দিনের ওরস।
এক নজরে
- কে
- হযরত শাহ জামাল, প্রচলিত মতে আকবরের আমলে ইয়েমেন থেকে আসা ধর্মপ্রচারক
- ওরস
- বছরে নয় দিন, হালে মে মাসে
- কোথায়
- ব্রহ্মপুত্রের চাপাতলী ঘাটের কাছে, জামালপুর শহরের উত্তর-পশ্চিমে
সম্পর্কে
জেলা নিজের যে গল্প বলে, তা শুরু এখানে। বলা হয়, সম্রাট আকবরের আমলে শাহ জামাল নামে এক ধর্মপ্রচারক ইসলাম প্রচারে দুইশ অনুসারী নিয়ে ইয়েমেন থেকে আসেন, ব্রহ্মপুত্রের তীরে থিতু হন আর অল্পদিনেই এলাকার ধর্মীয় নেতা হয়ে ওঠেন; তাঁর খানকা ঘিরে বেড়ে ওঠা সিংহজানী জনপদ তাঁর নাম নেয়। সব খুঁটিনাটি ইতিহাস হোক বা না হোক, মাজারটা শত শত বছর ধরে শহরের ধর্মীয় জীবনের কেন্দ্র।
শহরের উত্তর-পশ্চিমে নদী যেখানে বাঁক নিয়েছে, সেই চাপাতলী ঘাটের কাছে মাজার: সবুজ-কমলা তোরণ, মসজিদ, গম্বুজওয়ালা কবর আর একটা উঠান, যেখানে মানুষ বসে, দোয়া করে, মানতের সুতা বাঁধে। বার্ষিক ওরস নয় দিনের, শেষ হয় শহরে শোভাযাত্রা আর কবরে নতুন গিলাফ চড়িয়ে; হালে এটা মে মাসে পড়ছে। সাধারণ দিনে জায়গাটা নিরিবিলি, পেছনে নদী।
যাওয়ার পথ: জামালপুর রেলস্টেশন বা বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশা বা অটোতে চাপাতলী; দশ-পনেরো মিনিট।
যা করতে পারেন
- উঠানে বসুন, চাপাতলী ঘাটে নদীর ধারে নামুন।
- ওরসের সময় শোভাযাত্রা আর মেলা দেখতে আসুন।
জেনে রাখা ভালো
- মাথা ঢাকুন, কবরের কাছে জুতা খুলুন, নামাজের সময় ছবি তুলবেন না।




