Nahian · CC BY-SA 4.0৩টির ১

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, জামালপুর

হযরত শাহ জামালের মাজারMazar of Hazrat Shah Jamal

সময় লাগে
আধা ঘণ্টা।

যাঁর নামে জেলার নাম, সেই সাধকের মাজার, জামালপুর শহরের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে ব্রহ্মপুত্রের তীরে; মসজিদ, কবর আর প্রতি বছর নয় দিনের ওরস।

এক নজরে

কে
হযরত শাহ জামাল, প্রচলিত মতে আকবরের আমলে ইয়েমেন থেকে আসা ধর্মপ্রচারক
ওরস
বছরে নয় দিন, হালে মে মাসে
কোথায়
ব্রহ্মপুত্রের চাপাতলী ঘাটের কাছে, জামালপুর শহরের উত্তর-পশ্চিমে

সম্পর্কে

জেলা নিজের যে গল্প বলে, তা শুরু এখানে। বলা হয়, সম্রাট আকবরের আমলে শাহ জামাল নামে এক ধর্মপ্রচারক ইসলাম প্রচারে দুইশ অনুসারী নিয়ে ইয়েমেন থেকে আসেন, ব্রহ্মপুত্রের তীরে থিতু হন আর অল্পদিনেই এলাকার ধর্মীয় নেতা হয়ে ওঠেন; তাঁর খানকা ঘিরে বেড়ে ওঠা সিংহজানী জনপদ তাঁর নাম নেয়। সব খুঁটিনাটি ইতিহাস হোক বা না হোক, মাজারটা শত শত বছর ধরে শহরের ধর্মীয় জীবনের কেন্দ্র।

শহরের উত্তর-পশ্চিমে নদী যেখানে বাঁক নিয়েছে, সেই চাপাতলী ঘাটের কাছে মাজার: সবুজ-কমলা তোরণ, মসজিদ, গম্বুজওয়ালা কবর আর একটা উঠান, যেখানে মানুষ বসে, দোয়া করে, মানতের সুতা বাঁধে। বার্ষিক ওরস নয় দিনের, শেষ হয় শহরে শোভাযাত্রা আর কবরে নতুন গিলাফ চড়িয়ে; হালে এটা মে মাসে পড়ছে। সাধারণ দিনে জায়গাটা নিরিবিলি, পেছনে নদী।

যাওয়ার পথ: জামালপুর রেলস্টেশন বা বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশা বা অটোতে চাপাতলী; দশ-পনেরো মিনিট।

যা করতে পারেন

  • উঠানে বসুন, চাপাতলী ঘাটে নদীর ধারে নামুন।
  • ওরসের সময় শোভাযাত্রা আর মেলা দেখতে আসুন।

জেনে রাখা ভালো

  • মাথা ঢাকুন, কবরের কাছে জুতা খুলুন, নামাজের সময় ছবি তুলবেন না।

কীভাবে যাবেন

জামালপুর গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

মন্দিরParvezahmed · CC BY-SA 4.0

দয়াময়ী মন্দির

২ কিমি, জামালপুর

জামালপুর শহরের মাঝে ১৬৯০-এর দশকের মন্দির, মুঘল আমলের এক জায়গিরদারের প্রতিষ্ঠা, চারপাশে শিব, কালী, মনসা আর নাটমন্দির; দুর্গাপূজায় ভক্তে ঠাসা, চৈত্রের স্নান উৎসবের পর চার দিনের মেলা।

জাদুঘর

গান্ধী আশ্রম ও স্বাধীনতা সংগ্রাম জাদুঘর

১১ কিমি, জামালপুর

মেলান্দহের কাপাসহাটিয়ায় ঝিনাই নদীর তীরে ১৯৩৪ সালের আশ্রম, যেখানে গ্রামের মানুষ চরকায় সুতা কাটত আর স্বাধীনতা সংগ্রামীরা মিলিত হতেন; ১৯৪৮-এ ভাঙা, এখন স্বাধীনতার বছরগুলোর ছোট জাদুঘর।

মসজিদ ও মাজারSkmalamgir · CC BY-SA 4.0

মাইসাহেবা জামে মসজিদ

১২ কিমি, শেরপুর

শেরপুরের সবচেয়ে বড় মসজিদ, প্রচলিত মতে প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো আর বহুবার নতুন করে গড়া; শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দেখা যায় এর দুই উঁচু মিনার, আর আছে এক হাতির গল্প।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ

দুরমুঠের শাহ কামালের মাজার

১৭ কিমি, জামালপুর

মেলান্দহের দুরমুঠে হযরত শাহ কামালের মাজার, প্রতি বৈশাখে মাসব্যাপী ওরস আর বৈশাখী মেলার জন্য পরিচিত, জেলার সবচেয়ে বড় গ্রামীণ মেলাগুলোর একটা।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধBhoboghure · CC BY 4.0

শের আলী গাজীর মাজার

২০ কিমি, শেরপুর

শেরপুর পরগনার শেষ গাজী জমিদার, যাঁর নামে জেলার নাম, তাঁর কবর শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে গাজীর খামারে; প্রতি ১ ফাল্গুন ওরস আর গ্রামীণ মেলা।

মসজিদ ও মাজারBhoboghure · CC BY 4.0

গড়জরিপা বারো দুয়ারী মসজিদ

২০ কিমি, শেরপুর

শ্রীবরদীর গড়জরিপায় বারো দরজার মসজিদ, গড় জরিপা দুর্গের পুরোনো জায়গায়: প্রচলিত মতে শত শত বছর আগে জরিপ শাহের গড়া, ভূমিকম্পে মাটির নিচে, ১৯৬৩ সালে খুঁড়ে তুলে নতুন করে গড়া, এখন বড় দিঘির পাশে পাঁচতলা মসজিদ।

অবস্থান

হযরত শাহ জামালের মাজার, জামালপুর

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।