জাদুঘর, জামালপুর
গান্ধী আশ্রম ও স্বাধীনতা সংগ্রাম জাদুঘরGandhi Ashram and Freedom Struggle Museum
- সময় লাগে
- প্রায় এক ঘণ্টা।
মেলান্দহের কাপাসহাটিয়ায় ঝিনাই নদীর তীরে ১৯৩৪ সালের আশ্রম, যেখানে গ্রামের মানুষ চরকায় সুতা কাটত আর স্বাধীনতা সংগ্রামীরা মিলিত হতেন; ১৯৪৮-এ ভাঙা, এখন স্বাধীনতার বছরগুলোর ছোট জাদুঘর।
এক নজরে
- প্রতিষ্ঠা
- ১৯৩৪, নাসির উদ্দিন সরকার
- কোথায়
- কাপাসহাটিয়া, ঝাউগড়া ইউনিয়ন, মেলান্দহ, ঝিনাই নদীর তীরে
- ধ্বংস
- ১৯৪৮; শুধু অফিস ঘর টিকেছিল
সম্পর্কে
১৯৩৪ সালে জামালপুর মহকুমা কংগ্রেসের সম্পাদক, গান্ধীভক্ত নাসির উদ্দিন সরকার মেলান্দহ থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ঝাউগড়া ইউনিয়নের কাপাসহাটিয়া গ্রামে ঝিনাই নদীর তীরে আশ্রমটি গড়েন। গ্রামের মানুষ এখানে চরকায় সুতা কাটতে, হাতের কাজ শিখতে, পড়তে আর শরীরচর্চা করতে আসত, আর আশ্রমটা হয়ে ওঠে বাংলার এই অংশে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মিলনকেন্দ্র: শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, কমরেড মণি সিংহ, সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্তসহ অনেকে এখানে এসেছেন, রাজনৈতিক বৈঠক করেছেন।
১৯৪৮ সালে, দেশভাগের পর, মুসলিম লীগ সমর্থকরা দফায় দফায় হামলা চালিয়ে প্রায় সব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়; টিকে থাকে শুধু অফিস ঘরটা, আর নাসির উদ্দিন মারাত্মক আহত হন। জায়গাটা দশকের পর দশক অবহেলায় পড়ে ছিল। পরে এটি গান্ধী আশ্রম ও স্বাধীনতা সংগ্রাম জাদুঘর হিসেবে নতুন জীবন পেয়েছে: পুরোনো অফিস ঘর, আন্দোলনের ছবি আর দলিল, আর প্রতিষ্ঠাতার স্মৃতিস্তম্ভ।
স্থাপত্য নয়, ইতিহাসের জন্য আসার জায়গা: নদীর ধারের গ্রাম, কয়েকটা ঘর, আর এখানে যা চেষ্টা হয়েছিল তার গল্প।
যাওয়ার পথ: ট্রেন বা বাসে মেলান্দহ, তারপর সিএনজি বা মোটরসাইকেলে প্রায় ১৫ কিলোমিটার কাপাসহাটিয়া।
যা করতে পারেন
- টিকে থাকা অফিস ঘর আর জাদুঘরের ছবি ও দলিল দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- খোলা থাকা তত্ত্বাবধায়কের ওপর নির্ভর করে; মেলান্দহে জিজ্ঞেস করুন বা উপজেলা অফিসের মাধ্যমে আগে ফোন করুন।





