Parvezahmed · CC BY-SA 4.0৫টির ১

মন্দির, জামালপুর

দয়াময়ী মন্দিরDayamoyee Temple

সময় লাগে
আধা ঘণ্টা।
সেরা মাস
অক্টো–ফেব্রু

জামালপুর শহরের মাঝে ১৬৯০-এর দশকের মন্দির, মুঘল আমলের এক জায়গিরদারের প্রতিষ্ঠা, চারপাশে শিব, কালী, মনসা আর নাটমন্দির; দুর্গাপূজায় ভক্তে ঠাসা, চৈত্রের স্নান উৎসবের পর চার দিনের মেলা।

ভ্রমণের পরিকল্পনা

সেরা সময়
দুর্গাপূজা (সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর) আর মাঝ এপ্রিলের চৈত্রের মেলা; নইলে যেকোনো সকাল।

এক নজরে

প্রতিষ্ঠা
আনুমানিক ১৬৯৬, শ্রীকৃষ্ণ রায় চৌধুরী
মন্দির
দয়াময়ী, শিব, কালী, মনসা আর নাটমন্দির
মেলা
চৈত্রের স্নান উৎসবের পর চার দিন

সম্পর্কে

শ্রী শ্রী রীঁ দয়াময়ী জামালপুরের সবচেয়ে পুরোনো মন্দির, এ অঞ্চলেরও অন্যতম প্রাচীন। মুঘল আমলে, আনুমানিক ১৬৯৬ সালে, গৌরীপুরের রামগোপালপুর জমিদারদের অধীন জাফরশাহী পরগনার জায়গিরদার শ্রীকৃষ্ণ রায় চৌধুরী এটি প্রতিষ্ঠা করেন; পরে পরিবারের রানী নারায়ণী রায় চৌধুরী এটিকে দেবোত্তর সম্পত্তি ঘোষণা করেন। পৌরসভার একেবারে মাঝে, গোলাপি রঙে, শতাব্দী ধরে যোগ হওয়া করিন্থীয় স্তম্ভ আর খিলানে; মূল মন্দিরের পাশে শিবমন্দির, কালীমন্দির, মনসামন্দির আর নাটমন্দির।

পূজা রোজই হয়, তবে মন্দিরের আসল সময় দুটো। দুর্গাপূজায় ভক্ত লাখ ছাড়ায়, আশপাশের রাস্তা দোকানে ভরে যায়; আর চৈত্রে ব্রহ্মপুত্রে স্নান উৎসবের পর মন্দির ঘিরে চার দিনের মেলা বসে। ২০১৭ সালে সাংস্কৃতিক পল্লীর জন্য মন্দিরের জমির অংশ নেওয়ার জেলা প্রশাসনের পরিকল্পনা শহরের হিন্দুদের প্রতিবাদে বাতিল হয়।

যাওয়ার পথ: জামালপুর শহরের মাঝে, স্টেশন থেকে অল্প রিকশা পথ।

যা করতে পারেন

  • মূল মন্দিরের পর প্রাঙ্গণের ছোট চার মন্দির ঘুরে দেখুন।
  • জেলার সবচেয়ে বড় সমাগম দেখতে দুর্গাপূজায় আসুন।

জেনে রাখা ভালো

  • জুতা খুলুন, আস্তে কথা বলুন, ভেতরে ছবি তোলার আগে জিজ্ঞেস করুন; এটা চালু মন্দির।

কীভাবে যাবেন

জামালপুর গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধNahian · CC BY-SA 4.0

হযরত শাহ জামালের মাজার

২ কিমি, জামালপুর

যাঁর নামে জেলার নাম, সেই সাধকের মাজার, জামালপুর শহরের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে ব্রহ্মপুত্রের তীরে; মসজিদ, কবর আর প্রতি বছর নয় দিনের ওরস।

জাদুঘর

গান্ধী আশ্রম ও স্বাধীনতা সংগ্রাম জাদুঘর

১১ কিমি, জামালপুর

মেলান্দহের কাপাসহাটিয়ায় ঝিনাই নদীর তীরে ১৯৩৪ সালের আশ্রম, যেখানে গ্রামের মানুষ চরকায় সুতা কাটত আর স্বাধীনতা সংগ্রামীরা মিলিত হতেন; ১৯৪৮-এ ভাঙা, এখন স্বাধীনতার বছরগুলোর ছোট জাদুঘর।

মসজিদ ও মাজারSkmalamgir · CC BY-SA 4.0

মাইসাহেবা জামে মসজিদ

১৩ কিমি, শেরপুর

শেরপুরের সবচেয়ে বড় মসজিদ, প্রচলিত মতে প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো আর বহুবার নতুন করে গড়া; শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দেখা যায় এর দুই উঁচু মিনার, আর আছে এক হাতির গল্প।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ

দুরমুঠের শাহ কামালের মাজার

১৮ কিমি, জামালপুর

মেলান্দহের দুরমুঠে হযরত শাহ কামালের মাজার, প্রতি বৈশাখে মাসব্যাপী ওরস আর বৈশাখী মেলার জন্য পরিচিত, জেলার সবচেয়ে বড় গ্রামীণ মেলাগুলোর একটা।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধBhoboghure · CC BY 4.0

শের আলী গাজীর মাজার

২০ কিমি, শেরপুর

শেরপুর পরগনার শেষ গাজী জমিদার, যাঁর নামে জেলার নাম, তাঁর কবর শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে গাজীর খামারে; প্রতি ১ ফাল্গুন ওরস আর গ্রামীণ মেলা।

মসজিদ ও মাজারBhoboghure · CC BY 4.0

গড়জরিপা বারো দুয়ারী মসজিদ

২১ কিমি, শেরপুর

শ্রীবরদীর গড়জরিপায় বারো দরজার মসজিদ, গড় জরিপা দুর্গের পুরোনো জায়গায়: প্রচলিত মতে শত শত বছর আগে জরিপ শাহের গড়া, ভূমিকম্পে মাটির নিচে, ১৯৬৩ সালে খুঁড়ে তুলে নতুন করে গড়া, এখন বড় দিঘির পাশে পাঁচতলা মসজিদ।

অবস্থান

দয়াময়ী মন্দির, জামালপুর

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।