স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, জামালপুর

দুরমুঠের শাহ কামালের মাজারMazar of Shah Kamal at Durmut

সময় লাগে
আধা ঘণ্টা; মেলায় একটা বিকেল।
সেরা মাস
এপ্রি–মে

মেলান্দহের দুরমুঠে হযরত শাহ কামালের মাজার, প্রতি বৈশাখে মাসব্যাপী ওরস আর বৈশাখী মেলার জন্য পরিচিত, জেলার সবচেয়ে বড় গ্রামীণ মেলাগুলোর একটা।

ভ্রমণের পরিকল্পনা

সেরা সময়
ওরস আর মেলার জন্য বৈশাখ, মাঝ এপ্রিল থেকে মাঝ মে।

এক নজরে

কোথায়
দুরমুঠ ইউনিয়ন, মেলান্দহ
ওরস ও মেলা
বৈশাখ জুড়ে এক মাস, মাঝ এপ্রিল থেকে মাঝ মে

সম্পর্কে

দুরমুঠ মেলান্দহের একটা ইউনিয়ন, জামালপুর শহরের পশ্চিমে যমুনার চরের দিকে যাওয়ার পথে, আর এখানকার হযরত শাহ কামালের মাজার, আশপাশের গ্রামের মুখে দুরমুঠ কামাল শাহ, সেই ধরনের গ্রামীণ মাজার যা বছরে একবার জেগে ওঠে। মাঝ এপ্রিল থেকে বৈশাখ মাস জুড়ে ওরস চলে আর চারপাশের মাঠে মেলা বসে: মিষ্টি, চুড়ি, মাটির জিনিস আর গৃহস্থালির দোকান, ছোটদের রাইড, রাতে গানের আসর, আর জামালপুর ও শেরপুর জুড়ে থেকে বাসে বাসে মানুষ। জেলা প্রশাসন কয়েক সপ্তাহ আগে থেকে এর নিরাপত্তার পরিকল্পনা করে; মেলার আকার তাতেই বোঝা যায়।

বছরের বাকি সময় এটা মসজিদ আর কবরসহ একটা শান্ত দরগা, খাদেমরা দেখাশোনা করেন, বৃহস্পতিবারে আর মানত নিয়ে মানুষ আসে।

যাওয়ার পথ: ট্রেন বা বাসে মেলান্দহ, তারপর সিএনজিতে দুরমুঠ বাজার; মাজার তার পাশেই।

যা করতে পারেন

  • বৈশাখে মেলা আর রাতের গানের আসরে আসুন।

জেনে রাখা ভালো

  • মেলায় ভিড় আর গলিতে জ্যাম; গাড়ির বদলে সিএনজিতে আসুন, দামি জিনিস সামলে রাখুন।

কীভাবে যাবেন

জামালপুর গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

নদী, হ্রদ ও হাওর

বাহাদুরাবাদ ঘাট

১৬ কিমি, জামালপুর

দেওয়ানগঞ্জে রেললাইনের শেষ মাথায় যমুনার ঘাট, যেখানে ১৯১২ থেকে গোটা ট্রেন ফেরিতে নদী পার হয়ে তিস্তামুখ যেত; যমুনা সেতুর পর রেল ফেরি নেই, নদী আর ঘাট আছে।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধNahian · CC BY-SA 4.0

হযরত শাহ জামালের মাজার

১৭ কিমি, জামালপুর

যাঁর নামে জেলার নাম, সেই সাধকের মাজার, জামালপুর শহরের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে ব্রহ্মপুত্রের তীরে; মসজিদ, কবর আর প্রতি বছর নয় দিনের ওরস।

মন্দিরParvezahmed · CC BY-SA 4.0

দয়াময়ী মন্দির

১৮ কিমি, জামালপুর

জামালপুর শহরের মাঝে ১৬৯০-এর দশকের মন্দির, মুঘল আমলের এক জায়গিরদারের প্রতিষ্ঠা, চারপাশে শিব, কালী, মনসা আর নাটমন্দির; দুর্গাপূজায় ভক্তে ঠাসা, চৈত্রের স্নান উৎসবের পর চার দিনের মেলা।

মসজিদ ও মাজারSkmalamgir · CC BY-SA 4.0

মাইসাহেবা জামে মসজিদ

১৯ কিমি, শেরপুর

শেরপুরের সবচেয়ে বড় মসজিদ, প্রচলিত মতে প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো আর বহুবার নতুন করে গড়া; শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দেখা যায় এর দুই উঁচু মিনার, আর আছে এক হাতির গল্প।

মসজিদ ও মাজারBhoboghure · CC BY 4.0

গড়জরিপা বারো দুয়ারী মসজিদ

২০ কিমি, শেরপুর

শ্রীবরদীর গড়জরিপায় বারো দরজার মসজিদ, গড় জরিপা দুর্গের পুরোনো জায়গায়: প্রচলিত মতে শত শত বছর আগে জরিপ শাহের গড়া, ভূমিকম্পে মাটির নিচে, ১৯৬৩ সালে খুঁড়ে তুলে নতুন করে গড়া, এখন বড় দিঘির পাশে পাঁচতলা মসজিদ।

জাদুঘর

গান্ধী আশ্রম ও স্বাধীনতা সংগ্রাম জাদুঘর

২০ কিমি, জামালপুর

মেলান্দহের কাপাসহাটিয়ায় ঝিনাই নদীর তীরে ১৯৩৪ সালের আশ্রম, যেখানে গ্রামের মানুষ চরকায় সুতা কাটত আর স্বাধীনতা সংগ্রামীরা মিলিত হতেন; ১৯৪৮-এ ভাঙা, এখন স্বাধীনতার বছরগুলোর ছোট জাদুঘর।

অবস্থান

দুরমুঠের শাহ কামালের মাজার, জামালপুর

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।