মসজিদ ও মাজার, শেরপুর
মাইসাহেবা জামে মসজিদMaisaheba Jame Mosque
- সময় লাগে
- আধা ঘণ্টা।
শেরপুরের সবচেয়ে বড় মসজিদ, প্রচলিত মতে প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো আর বহুবার নতুন করে গড়া; শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দেখা যায় এর দুই উঁচু মিনার, আর আছে এক হাতির গল্প।
এক নজরে
- বয়স
- প্রচলিত মতে প্রায় ২৫০ বছর
- নির্মাতা
- প্রচলিত মতে শেরপুরের তিন আনি জমিদার
- এখন
- তিন তলা, দুই মিনার; জেলার সবচেয়ে বড় মসজিদ
সম্পর্কে
শেরপুর শহরের মাঝখানে, সরকারি কলেজের দক্ষিণ-পূর্বে মাইসাহেবা মসজিদ; বাসস্ট্যান্ড থেকে শহরে ঢোকার পথে প্রথম চোখে পড়ে এটাই। প্রচলিত মতে প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো। শহরের লোকে যে গল্প বলে তা এই: শেরপুরের তিন আনি জমিদার মুক্তাগাছার জমিদারকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন, অতিথি উপহার হিসেবে এই জমিটা চাইলেন, আর জমিদার হাতি দিয়ে জমির ওপরের পুরোনো খাজনাঘর ভাঙার হুকুম দিলেন। হাতি দরজায় এসে থেমে গেল, বসে পড়ল। ভেতরে এক নারী ইবাদতে মগ্ন। জমিদার ক্ষমা চাইলেন, আর তাঁর মৃত্যুর পর সেই জায়গায় মসজিদ গড়ে তাঁর নামে নাম দিলেন: মাই সাহেবা।
আজ যা দাঁড়িয়ে আছে তা বারবার নতুন করে গড়ার ফল: তিন তলা, খিলান, দুটো সরু মিনার, আর কমিটির হিসাবে কয়েক হাজার মুসল্লির জায়গা; সম্প্রসারণ আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। জুমার নামাজে আশপাশের গ্রাম থেকে মানুষ আসে, আর মুসলিম-অমুসলিম সবার দানের জন্য মসজিদটি পরিচিত। এটা পুরাকীর্তি নয়, চালু মসজিদ; নামাজের সময়ের মাঝে যান, পোশাকে খেয়াল রাখুন।
যাওয়ার পথ: শেরপুর শহরে বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশায়; সরকারি কলেজের কাছে শেরপুর–ময়মনসিংহ সড়কের পাশে।
যা করতে পারেন
- কলেজের দিক থেকে মিনার দুটো দেখুন, তারপর নামাজের সময়ের মাঝে ভেতরটা।
জেনে রাখা ভালো
- জুতা খুলুন, হাত-পা ঢাকা পোশাক পরুন; নারীরা কোথায় ঢুকতে পারবেন, গেটে জিজ্ঞেস করুন।





