Skmalamgir · CC BY-SA 4.0৪টির ১

মসজিদ ও মাজার, শেরপুর

মাইসাহেবা জামে মসজিদMaisaheba Jame Mosque

সময় লাগে
আধা ঘণ্টা।

শেরপুরের সবচেয়ে বড় মসজিদ, প্রচলিত মতে প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো আর বহুবার নতুন করে গড়া; শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দেখা যায় এর দুই উঁচু মিনার, আর আছে এক হাতির গল্প।

এক নজরে

বয়স
প্রচলিত মতে প্রায় ২৫০ বছর
নির্মাতা
প্রচলিত মতে শেরপুরের তিন আনি জমিদার
এখন
তিন তলা, দুই মিনার; জেলার সবচেয়ে বড় মসজিদ

সম্পর্কে

শেরপুর শহরের মাঝখানে, সরকারি কলেজের দক্ষিণ-পূর্বে মাইসাহেবা মসজিদ; বাসস্ট্যান্ড থেকে শহরে ঢোকার পথে প্রথম চোখে পড়ে এটাই। প্রচলিত মতে প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো। শহরের লোকে যে গল্প বলে তা এই: শেরপুরের তিন আনি জমিদার মুক্তাগাছার জমিদারকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন, অতিথি উপহার হিসেবে এই জমিটা চাইলেন, আর জমিদার হাতি দিয়ে জমির ওপরের পুরোনো খাজনাঘর ভাঙার হুকুম দিলেন। হাতি দরজায় এসে থেমে গেল, বসে পড়ল। ভেতরে এক নারী ইবাদতে মগ্ন। জমিদার ক্ষমা চাইলেন, আর তাঁর মৃত্যুর পর সেই জায়গায় মসজিদ গড়ে তাঁর নামে নাম দিলেন: মাই সাহেবা।

আজ যা দাঁড়িয়ে আছে তা বারবার নতুন করে গড়ার ফল: তিন তলা, খিলান, দুটো সরু মিনার, আর কমিটির হিসাবে কয়েক হাজার মুসল্লির জায়গা; সম্প্রসারণ আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। জুমার নামাজে আশপাশের গ্রাম থেকে মানুষ আসে, আর মুসলিম-অমুসলিম সবার দানের জন্য মসজিদটি পরিচিত। এটা পুরাকীর্তি নয়, চালু মসজিদ; নামাজের সময়ের মাঝে যান, পোশাকে খেয়াল রাখুন।

যাওয়ার পথ: শেরপুর শহরে বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশায়; সরকারি কলেজের কাছে শেরপুর–ময়মনসিংহ সড়কের পাশে।

যা করতে পারেন

  • কলেজের দিক থেকে মিনার দুটো দেখুন, তারপর নামাজের সময়ের মাঝে ভেতরটা।

জেনে রাখা ভালো

  • জুতা খুলুন, হাত-পা ঢাকা পোশাক পরুন; নারীরা কোথায় ঢুকতে পারবেন, গেটে জিজ্ঞেস করুন।

কীভাবে যাবেন

শেরপুর গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধBhoboghure · CC BY 4.0

শের আলী গাজীর মাজার

৯ কিমি, শেরপুর

শেরপুর পরগনার শেষ গাজী জমিদার, যাঁর নামে জেলার নাম, তাঁর কবর শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে গাজীর খামারে; প্রতি ১ ফাল্গুন ওরস আর গ্রামীণ মেলা।

মসজিদ ও মাজারBhoboghure · CC BY 4.0

গড়জরিপা বারো দুয়ারী মসজিদ

৯ কিমি, শেরপুর

শ্রীবরদীর গড়জরিপায় বারো দরজার মসজিদ, গড় জরিপা দুর্গের পুরোনো জায়গায়: প্রচলিত মতে শত শত বছর আগে জরিপ শাহের গড়া, ভূমিকম্পে মাটির নিচে, ১৯৬৩ সালে খুঁড়ে তুলে নতুন করে গড়া, এখন বড় দিঘির পাশে পাঁচতলা মসজিদ।

মসজিদ ও মাজারAyman Nakib Badhan · CC BY-SA 4.0

ঘাঘড়া খান বাড়ি জামে মসজিদ

১১ কিমি, শেরপুর

ঝিনাইগাতীর ঘাঘড়া লস্কর গ্রামে এক গম্বুজের ছোট মুঘল আমলের মসজিদ, ১৯৯৯ সাল থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষণে; স্থানীয় কথায় প্রায় ৬০০ বছর আগে পরাজিত দুই সেনাপতি বনের ভেতর এটি গড়েছিলেন।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধNahian · CC BY-SA 4.0

হযরত শাহ জামালের মাজার

১২ কিমি, জামালপুর

যাঁর নামে জেলার নাম, সেই সাধকের মাজার, জামালপুর শহরের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে ব্রহ্মপুত্রের তীরে; মসজিদ, কবর আর প্রতি বছর নয় দিনের ওরস।

মন্দিরParvezahmed · CC BY-SA 4.0

দয়াময়ী মন্দির

১৩ কিমি, জামালপুর

জামালপুর শহরের মাঝে ১৬৯০-এর দশকের মন্দির, মুঘল আমলের এক জায়গিরদারের প্রতিষ্ঠা, চারপাশে শিব, কালী, মনসা আর নাটমন্দির; দুর্গাপূজায় ভক্তে ঠাসা, চৈত্রের স্নান উৎসবের পর চার দিনের মেলা।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ

দুরমুঠের শাহ কামালের মাজার

১৯ কিমি, জামালপুর

মেলান্দহের দুরমুঠে হযরত শাহ কামালের মাজার, প্রতি বৈশাখে মাসব্যাপী ওরস আর বৈশাখী মেলার জন্য পরিচিত, জেলার সবচেয়ে বড় গ্রামীণ মেলাগুলোর একটা।

অবস্থান

মাইসাহেবা জামে মসজিদ, শেরপুর

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।