স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, শেরপুর
শের আলী গাজীর মাজারMazar of Sher Ali Gazi
- সময় লাগে
- আধা ঘণ্টা; ওরসে কয়েক ঘণ্টা।
শেরপুর পরগনার শেষ গাজী জমিদার, যাঁর নামে জেলার নাম, তাঁর কবর শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে গাজীর খামারে; প্রতি ১ ফাল্গুন ওরস আর গ্রামীণ মেলা।
এক নজরে
- কে
- শের আলী গাজী, শেরপুর পরগনার শেষ গাজী জমিদার, ১৭০০-এর গোড়া
- ওরস
- ১ ফাল্গুন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি, মেলাসহ
- শেরপুর শহর থেকে
- প্রায় ১০ কিলোমিটার, গাজীর খামারে
সম্পর্কে
ভাওয়ালের গাজীদের মাধ্যমে ঈসা খাঁর বংশধর বলে পরিচিত গাজী পরিবার সতেরো শতকের গোড়ায় দশকাহনিয়া পরগনার দখল নেয়। শের আলী গাজী তাঁদের শেষজন: আঠারো শতকের শুরুতে প্রায় একুশ বছর, নবাবি আমলে অনেকটা নিজের মতো করেই শাসন করেন। তাঁর নামে পরগনার নাম হয় শেরপুর, সেই নাম শহরে, পরে জেলায়। তাঁকে কবর দেওয়া হয় গাজীর খামারের গিদ্দাপাড়া ফকির বাড়িতে; সেই কবরই গাজীর দরগা নামে পরিচিত মাজার।
সাদামাটা গ্রামীণ মাজার, খাদেমদের পরিবার দেখাশোনা করে; সঙ্গে মসজিদ আর বড় গাছের নিচে উঠান। আসার দিন ১ ফাল্গুন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি: বার্ষিক ওরসে অঞ্চলজুড়ে সব ধর্মের ভক্ত আর মানতকারীতে প্রাঙ্গণ ভরে যায়, আর চারপাশের মাঠে মিষ্টি, খেলনা আর গৃহস্থালির মেলা বসে।
যাওয়ার পথ: শেরপুর শহর থেকে সিএনজি বা অটোতে গাজীর খামার, প্রায় ১০ কিলোমিটার।
যা করতে পারেন
- ১ ফাল্গুনে ওরস আর মেলায় আসুন।
জেনে রাখা ভালো
- কবরের কাছে মাথা ঢাকুন, জুতা খুলুন; কোথায় দাঁড়াবেন খাদেমরা দেখিয়ে দেবেন।






