Afifa Afrin · CC BY-SA 4.0৪টির ১

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, কুমিল্লা

বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তনBirchandra Library and Town Hall

সময় লাগে
আধা ঘণ্টা।
সেরা মাস
অক্টো–মার্চ
খরচ
বিনা মূল্যে।

কুমিল্লা টাউন হল, ১৮৮৫ সালে ত্রিপুরার মহারাজা বীরচন্দ্র মাণিক্যের দেওয়া জমিতে গড়া: ঔপনিবেশিক ধাঁচের গণপাঠাগার আর মিলনায়তন, এখনও শহরের সাংস্কৃতিক জীবনের কেন্দ্র।

এক নজরে

নির্মাণ
১৮৮৫

সম্পর্কে

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এফ. এইচ. স্ক্রাইন মহারাজার কাছে পাঠাগারের জমি চান, আর তার ওপর ওঠা হল তাঁর নাম বহন করে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল আর গান্ধী সবাই এখানে বক্তৃতা দিয়েছেন; পাঠাগারে পুরোনো বাংলা পত্রিকা আর বই, আর হলে শহরের সভা, মেলা আর গানের আসর। খিলানযুক্ত বারান্দা আর উঁচু ছাদের ভবনটা কান্দিরপাড়ের একেবারে মাঝখানে।

যাওয়ার পথ: কান্দিরপাড়, শহরের কেন্দ্রে।

যা করতে পারেন

  • পাঠকক্ষটা দেখে আসুন।

জেনে রাখা ভালো

  • সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানে ভরা; ভবন দেখতে সকাল।

কীভাবে যাবেন

কুমিল্লা গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

নদী, হ্রদ ও হাওরIbrahim Husain Meraj · CC BY-SA 3.0

ধর্মসাগর

০ কিমি, কুমিল্লা

শহরের মাঝখানের বিশাল দিঘি, ১৪৫৮ সালে ত্রিপুরার রাজা ধর্মমাণিক্যের খোঁড়া: হাঁটার জন্য এক কিলোমিটার পাড়, পাড়ে নজরুল স্মৃতিকেন্দ্র আর শহরের সন্ধ্যার হাওয়া।

মসজিদ ও মাজারAfifa Afrin · CC BY-SA 4.0

শাহ সুজা মসজিদ

১ কিমি, কুমিল্লা

পুরোনো শহরের মোগলটুলীতে মুঘল আমলের মসজিদ, সাদামাটা ইটের দেহে তিন গম্বুজ, প্রচলিত মতে ১৬৫০-এর দশকে শাহজাদা শাহ সুজার শাসনকালের; এখনও শহরের সবচেয়ে ব্যস্ত মসজিদ।

পার্ক ও পিকনিক স্পটBhfaisal427 · CC BY-SA 4.0

বার্ড ক্যাম্পাস, কোটবাড়ি

৬ কিমি, কুমিল্লা

১৯৫৯ সালে আখতার হামিদ খানের গড়া বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি: ধ্বংসাবশেষের পাশে লালমাইয়ের ঢালে সবুজ, পরিকল্পিত ক্যাম্পাস, যেখানে সমবায়ের কুমিল্লা মডেলের জন্ম, আর শহরের প্রিয় হাঁটার জায়গা।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানSakib Ahmed Nasim · CC BY-SA 3.0

শালবন বিহার

৬ কিমি, কুমিল্লা

ময়নামতির ধ্বংসাবশেষের মধ্যে সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে ভালো রাখা: মাঝের মন্দির ঘিরে ১১৫ কক্ষের চৌকো বৌদ্ধ বিহার, অষ্টম শতকের দিকে দেব রাজাদের গড়া, ১৯৫০-এর দশকে শালবন থেকে খুঁড়ে বের করা।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানবিশ্বজিৎ দাস · CC BY-SA 4.0

ইটাখোলা মুড়া

৬ কিমি, কুমিল্লা

রূপবান মুড়ার রাস্তার ওপারে: পাহাড়ের গায়ে তিন ধাপে স্তূপ আর বিহার, একসময় এখান থেকে ইট পোড়ানো হতো বলে এই নাম, খননে পাওয়া সোনাভরা ধাতুগর্ভ।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান

কোটিলা মুড়া

৬ কিমি, কুমিল্লা

শালবন থেকে ৫ কিলোমিটার উত্তরে ময়নামতি সেনানিবাসের ভেতরে এক সারিতে তিনটি স্তূপ, বুদ্ধ, ধর্ম আর সংঘের প্রতীক; টিলার সবচেয়ে ভালো রাখা স্তূপ, তবে সেনাবাহিনীর জমিতে।

অবস্থান

বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন, কুমিল্লা

সূত্র 1

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।