প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, কুমিল্লা
শালবন বিহারShalban Vihara
- সময় লাগে
- জাদুঘরসহ দেড় ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- অক্টো–মার্চ
- খরচ
- বাংলাদেশিদের প্রবেশ প্রায় ৳৩০।
ময়নামতির ধ্বংসাবশেষের মধ্যে সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে ভালো রাখা: মাঝের মন্দির ঘিরে ১১৫ কক্ষের চৌকো বৌদ্ধ বিহার, অষ্টম শতকের দিকে দেব রাজাদের গড়া, ১৯৫০-এর দশকে শালবন থেকে খুঁড়ে বের করা।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- খোলা থাকে
- রবিবার ছাড়া প্রতিদিন; সোমবার শুধু বিকেলে। প্রায় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা, দুপুরে বিরতি।
এক নজরে
- নির্মাণ
- আনুমানিক অষ্টম শতক, দেব বংশ
- কক্ষ
- ১১৫
- বাহু
- প্রায় ১৬৮ মিটার
সম্পর্কে
লালমাই টিলার মাঝখানে কোটবাড়িতে শালবন বিহার, যে শালবন এটাকে ঢেকে রেখেছিল তার নামে। বিহার এক পাশে প্রায় ১৬৮ মিটার: উত্তরে একটাই প্রবেশপথ, ভেতরে চওড়া বারান্দাসহ ভিক্ষুদের কক্ষের বলয়, আর উঠানে ক্রুশাকার মন্দির, যা কয়েকবার নতুন করে গড়া হয়েছে। এখানে পাওয়া তাম্রশাসন আর সিলমোহরে নির্মাতা হিসেবে দেব বংশের ভবদেবের নাম, আর দ্বাদশ শতক পর্যন্ত এটা ব্যবহার হয়েছে।
ইটের দেয়াল কাঁধ সমান, নকশা সহজে বোঝা যায়, আর মন্দির সাজানো পোড়ামাটির ফলক পাশের জাদুঘরে। ময়নামতিতে সবার দেখার মতো একটাই জায়গা হলে এটা, আর পৌঁছানো সবচেয়ে সহজ।
যাওয়ার পথ: কান্দিরপাড় বা ক্যান্টনমেন্ট বাসস্ট্যান্ড থেকে কোটবাড়ি সিএনজিতে ২০–৩০ মিনিট; জাদুঘর আর রূপবান মুড়া অল্প হাঁটা।
যা করতে পারেন
- কক্ষের বলয় ধরে হাঁটুন, তারপর পোড়ামাটি আর ব্রোঞ্জের জন্য জাদুঘর।
জেনে রাখা ভালো
- সকাল ১১টার আগে যান; ঢিবিতে ছায়া নেই।





