স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, ময়মনসিংহ
বিজয় '৭১Bijoy '71
- সময় লাগে
- প্রায় ১৫ মিনিট।
শ্যামল চৌধুরীর ভাস্কর্য: স্বাধীনতার জন্য লড়ছেন এক কৃষক, এক নারী আর এক ছাত্র; ক্যাম্পাসটি ১৯৭১ সালে ছিল পাকিস্তানি সেনাদের সদর দপ্তর।
এক নজরে
- ভাস্কর
- শ্যামল চৌধুরী
- নির্মাণ শেষ
- জুন ২০০০
- অবস্থান
- বাকৃবির জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনের সামনে
সম্পর্কে
১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ৯৩তম ব্রিগেডের সদর দপ্তর ছিল এই ক্যাম্পাসের রেস্ট হাউসে; বৃহত্তর ময়মনসিংহজুড়ে গণহত্যার নির্দেশ যেত এখান থেকেই। সেই স্মৃতি ধরে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় ভাস্কর শ্যামল চৌধুরীকে দায়িত্ব দেয়; প্রায় ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০০০ সালের জুনে বিজয় '৭১-এর কাজ শেষ হয়।
ছয় ফুট উঁচু বেদির ওপর তিনটি মূর্তি। মাঝখানে এক কৃষক উঁচিয়ে ধরেছেন জাতীয় পতাকা; তাঁর ডানে রাইফেল হাতে এক নারী; বাঁয়ে এক ছাত্র, এক হাতে রাইফেল, গ্রেনেড ছুড়তে উদ্যত। নিচে পোড়ামাটির ফলকে ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২-র শিক্ষা আন্দোলন আর ১৯৬৬-র ছয় দফা আন্দোলন। সপ্তম শ্রেণির জাতীয় চারু ও কারুকলা পাঠ্যবইয়ে এই ভাস্কর্যের উল্লেখ আছে।
যাওয়ার পথ: কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনের সামনে।
যা করতে পারেন
- বেদির চারপাশে ঘুরে পোড়ামাটির ফলকগুলো দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- প্রধান সড়কের পূর্ব প্রান্তে; [ক্যাম্পাস](place:Q1429976-bau-campus) ঘোরার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।




