দুর্গ ও জমিদারবাড়ি, ময়মনসিংহ
শশী লজShashi Lodge
- সময় লাগে
- প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
ময়মনসিংহ শহরের মাঝখানে মুক্তাগাছার মহারাজাদের প্রাসাদ, ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পের পর নতুন করে গড়া; লোকে বলে শহরের রাজবাড়ি।
এক নজরে
- নির্মাণ
- ১৯০৫–১৯১১, ১৮৯৭-এর ভূমিকম্পের পর
- নির্মাতা
- মুক্তাগাছার মহারাজা শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী
- জমি
- প্রায় ৩.৬ হেক্টর (৯ একর)
- বর্তমান
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, জাদুঘর গড়ার জন্য (২০১৫ থেকে)
সম্পর্কে
মুক্তাগাছার জমিদারেরা ছিলেন জেলার সবচেয়ে ধনী পরিবার। উনিশ শতকের শেষ দিকে মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী ব্রহ্মপুত্রের কাছে নয় একর জমিতে একটি দোতলা প্রাসাদ গড়েন, নাম রাখেন দত্তক পুত্র শশীকান্তের নামে। ১৮৯৭ সালের ১২ জুনের মহাভূমিকম্পে সেটি ভেঙে পড়ে। ১৯০৫ সালে নবম মহারাজা শশীকান্ত একই জায়গায় নতুন নকশায় শশী লজ আবার গড়েন, আর ১৯১১ সালে এর সাজসজ্জা শেষ হয়।
১৯৫০-এর পর জমিদারি প্রথা উঠে গেলে প্রাসাদটি সরকারের হাতে যায়, আর ১৯৫২ সাল থেকে এখানে চলে মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ। এরপর ভবনটি অযত্নে পড়ে থাকে; ২০১৫ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর জাদুঘর গড়ার জন্য এটি অধিগ্রহণ করে। এখানে দুশো বছরের বেশি পুরোনো একটি ভেনাস মূর্তি ছিল; ২০২৪ সালের আগস্টে সেটি ভেঙে ফেলা হয়, মাথা নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকলে শহরের মাঝখানে প্রাসাদ আর তার বাগান; নদী আর একই পরিবারের অন্য বাড়ি আলেকজান্ডার ক্যাসল থেকে কয়েক মিনিটের পথ।
যাওয়ার পথ: শহরের কেন্দ্রে ব্রহ্মপুত্রের কাছে; যেকোনো রিকশাচালক শশী লজ চেনেন।
যা করতে পারেন
- প্রধান ফটক পেরিয়ে বাগানে ঢুকে প্রাসাদের সম্মুখভাগ দেখুন।
- হেঁটে চলে যান কয়েক মিনিট দূরের [আলেকজান্ডার ক্যাসলে](place:Q1429976-alexandra-castle), একই পরিবারের বাগানবাড়ি।
জেনে রাখা ভালো
- কোন ঘরগুলো খোলা, ফটকে জেনে নিন; ভবনটিকে জাদুঘরে রূপ দেওয়ার কাজ চলছে।





