জাদুঘর, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ জাদুঘরMymensingh Museum
- সময় লাগে
- প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা।
জেলার জমিদারবাড়িগুলোর সম্পদে ভরা তিনটি ঘর, মদনবাবুর পুরোনো বাগানবাড়িতে।
এক নজরে
- প্রতিষ্ঠা
- ১৯৬৯
- ঠিকানা
- ১৭ অমৃত বাবু রোড
- পরিচালনা
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর (১৯৮৯ থেকে)
সম্পর্কে
জেলার জমিদারবাড়িগুলোতে যা টিকে ছিল তা রক্ষা করতে ১৯৬৯ সালে জেলা প্রশাসক এই জাদুঘর শুরু করেন। ১৭ অমৃত বাবু রোডে জমিদার মদনবাবুর বাগানবাড়ির তিনটি ঘরে ২১৪টি নিদর্শন নিয়ে এর যাত্রা; ১৯৮৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর দায়িত্ব নেয়।
মুক্তাগাছা থেকে এসেছে পাথরের ফুলদানি, কম্পাস, পুরোনো ঘড়ি, তাঁত, সরস্বতী ও বিষ্ণুর মূর্তি আর মহারাজাদের শিকারের স্মৃতি: বাঘের মাথা, দুটি হরিণের মাথা, একটি বুনো ষাঁড়। গৌরীপুরের জমিদারবাড়ি দিয়েছে হাতির মাথা, সোফাসেট, ইতালীয় মূর্তি আর শিকারের বিশাল ছাতা; আঠারবাড়ী দিয়েছে গন্ডারের চামড়া আর মার্বেলের টেবিল। আরও আছে মুদ্রা, পুঁথি, গ্রামবাংলার ছবি, ১৬৪৫ সালের বিশ্বমানচিত্র আর কেদারনাথ মজুমদারের আঁকা ১৭৭৯ সালের বৃহত্তর ময়মনসিংহের মানচিত্র।
ছোট, পুরোনো ধাঁচের জাদুঘর; প্রদর্শনের জায়গা কম বলে অনেক কিছুই দেখানো হয় না। তবু জমিদারবাড়িগুলোর জিনিস এক জায়গায় আর কোথাও নেই।
যাওয়ার পথ: ১৭ অমৃত বাবু রোড, শহরের কেন্দ্রে।
যা করতে পারেন
- মুক্তাগাছার জমিদারের তলোয়ার আর শিকারের স্মৃতিচিহ্ন খুঁজে দেখুন।
- ১৭৭৯ সালের বৃহত্তর ময়মনসিংহের মানচিত্রটি দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- শশী লজ ও আলেকজান্ডার ক্যাসলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন; তিনটিই শহরের কেন্দ্রে।





