স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, মাগুরা
পীর মোকাররম আলী শাহের দরগাহ ও হাজরাপুর নীলকুঠিPir Mokarram Ali's Dargah and Hazrapur Indigo Factory
- সময় লাগে
- প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
মাগুরা থেকে ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ইছাখাদায় নবগঙ্গার তীরে সুফি দরগাহ, পাশেই হাজরাপুরের নীলকুঠি, যাকে ঘিরে ১৮৫৬–৬০ সালের নীল বিদ্রোহ হয়েছিল।
এক নজরে
- মাগুরা থেকে
- প্রায় ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে, মাগুরা–ঝিনাইদহ মহাসড়ক
- নীল বিদ্রোহ
- ১৮৫৬–৬০, হাজরাপুর নীলকুঠি ঘিরে
সম্পর্কে
হযরত পীর মোকাররম আলী শাহের দরগাহ নবগঙ্গার তীরে ইছাখাদায়, শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে মাগুরা–ঝিনাইদহ মহাসড়কের ডান পাশে। জেলার পরিচিত দরগাহগুলোর একটি; মানুষ এখানে আসেন প্রার্থনা আর শ্রদ্ধা জানাতে।
একই পথের পাশে আছে কঠিন এক ইতিহাসও। ১৮৫৬ থেকে ১৮৬০ সালে এ জেলার নীল বিদ্রোহ হয়েছিল হাজরাপুরের নীলকুঠিকে ঘিরে; বরই, আমতলা আর নাহাটি ছিল সেসব গ্রামের মধ্যে, যেখানে কৃষকদের বাধ্য করে ব্যাপক নীলচাষ করানো হতো। হাজরাপুর ইউনিয়নের দর্শনীয় স্থানের তালিকায় রাজারামপুর আর হাজরাপুর, দুই জায়গার নীলকুঠির নাম আছে; বিবরণ সামান্য, তাই কোথায় ছিল, স্থানীয়দের কাছে জিজ্ঞেস করুন। শহরের দিকে কয়েক কিলোমিটার ফিরে হাজীপুরে ডা. লুৎফর রহমান স্মৃতি পাঠাগার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রও জেলার দর্শনীয় স্থানের তালিকায় আছে।
যাওয়ার পথ: ভায়না মোড় থেকে মাগুরা–ঝিনাইদহ সড়কের যেকোনো বাস, টেম্পু বা ভ্যানে প্রায় ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ইছাখাদায় নামুন।
যা করতে পারেন
- নবগঙ্গার তীরে দরগাহে যান।
- নীলকুঠি কোথায় ছিল, ইছাখাদায় জিজ্ঞেস করুন।
- ফেরার পথে হাজীপুরের স্মৃতি পাঠাগারে থামুন।
জেনে রাখা ভালো
- দরগাহে শালীন পোশাক পরুন, বলা হলে মাথা ঢাকুন।


