শহর ও ল্যান্ডমার্ক, মাগুরা
মাগুরা শহর ও নবগঙ্গাMagura Town and the Nabaganga
- সময় লাগে
- আধা দিন।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
নবগঙ্গার তীরে জেলা শহর: নদীর পাড়, নদীঘেঁষা আশ্রম ও মঠ, কাছেই আঠারো শতকের শিবমন্দির, আর নভেম্বরে কাত্যায়নী পূজার আলোকিত মণ্ডপ।
এক নজরে
- মহকুমা
- ১৮৪৫, যশোরের প্রথম
- জেলা
- ১৯৮৪ থেকে
- জনসংখ্যা
- প্রায় ১,১৪,০০০ (২০২২)
- নদী
- নবগঙ্গা
সম্পর্কে
মাগুরা গড়ে উঠেছে নবগঙ্গার তীরে। ১৮৪৫ সালে এটি যশোরের প্রথম মহকুমা হয়, মূলত বিশাল সেই জেলার উত্তরাংশকে মগ জলদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা করতে; ১৯৮৪ সালে হয় আলাদা জেলা। এক গল্পে নামটি এসেছে মগ-ঘুরা থেকে, যেখানে মগদের ফিরিয়ে দেওয়া হতো; আরেক মতে মুন্ডারি ও সাঁওতালি ভাষায় জলপ্রণালীর একটি শব্দ থেকে। শহরে এখন প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার মানুষের বাস, আর এর ছেলেদের উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৮৫৪ সালের।
আগে নদীর পাড় ধরে হাঁটুন। কেন্দ্র থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার পূর্বে, দক্ষিণ পাড়ের সাতদোহায় নেংটা বাবার আশ্রম; ৩ কিলোমিটার উত্তরে আঠারখাদায় নবগঙ্গার তীরেই সিদ্ধেশ্বরী মঠ। শহরে জামে মসজিদ আর কালীবাড়ি; নিজনান্দুয়ালীতে কৃষ্ণচন্দ্র দাশ নামে এক শিবভক্তের ১৭৩৩ সালে গড়া শিবমন্দির আজও মুঘল আমলের স্থাপত্যরীতি বহন করে। নভেম্বরে আসুন কাত্যায়নী পূজা দেখতে: ১৯৫০ সালে এখানে এর শুরু, আজ পাঁচ দিন ধরে আলোকিত তোরণ আর মণ্ডপে ভরে থাকে শহর, সবচেয়ে বড়টি ছানাবাবুর বটতলায়। ছয় দিকের সড়ক যেখানে মিলেছে, সেই ভায়না মোড় থেকেই জেলার অন্যত্র যাওয়ার বাস।
যাওয়ার পথ: ঢাকার বাস থামে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, ঢাকা রোড বা ভায়না মোড়ে; শহরে ঘোরার জন্য রিকশা ও ইজিবাইক।
যা করতে পারেন
- নবগঙ্গার পাড় ধরে সাতদোহার নেংটা বাবার আশ্রমে যান।
- টেম্পু বা ভ্যানে আঠারখাদার সিদ্ধেশ্বরী মঠে যান।
- নিজনান্দুয়ালীর ১৭৩৩ সালের শিবমন্দির দেখুন।
- নভেম্বরে সন্ধ্যায় কাত্যায়নী পূজার মণ্ডপগুলো ঘুরে দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- মন্দির, মঠ ও মসজিদে জুতা খুলুন, শালীন পোশাক পরুন।
- কাত্যায়নী পূজার রাতে শহরের কেন্দ্রে খুব ভিড়: মূল্যবান জিনিস সাবধানে রাখুন।

