বৌদ্ধ বিহার ও প্যাগোডা, মাগুরা
ভাতের ভিটা বৌদ্ধবিহারBhatar Bhita Buddhist Monastery
- সময় লাগে
- প্রায় এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
ফটকী নদীর পাড়ে টিলা গ্রামের ঢিবি, কিংবদন্তিতে যার নাম ভাতের ভিটা; খননে বেরিয়েছে মৌর্য থেকে গুপ্ত যুগের মধ্যকার এক বৌদ্ধবিহার।
এক নজরে
- কাল
- মৌর্য থেকে গুপ্ত যুগের মধ্যে
- অবস্থান
- টিলা, মঘী ইউনিয়ন, মাগুরা সদর
- সংরক্ষণ
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর
সম্পর্কে
টিলা গ্রামের সবাই যে গল্পটি বলেন, তা এক দরবেশের: এক রাতে এই পথ দিয়ে যেতে যেতে তিনি এখানে মসজিদ গড়া শুরু করেন। নির্মাণকর্মীদের ভাত রান্না শেষ হয়ে গেলেও ভোরে পাখি ডাকতে শুরু করার আগে মসজিদ শেষ হয়নি, তাই তিনি সেভাবেই রেখে চলে যান। সকালে গ্রামবাসী দেখেন অসমাপ্ত মসজিদ, ঢিবির ওপর রান্না করা ভাত, আর ঢিবি থেকে গড়িয়ে পড়া ভাতের ফ্যানে তৈরি এক পুকুর। তাই ঢিবির নাম ভাতের ভিটা, আর পুকুরের নাম ফ্যানঘালী পুকুর।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এখানে খনন করে আরও পুরোনো কিছু পায়: মৌর্য থেকে গুপ্ত যুগের মধ্যকার এক বৌদ্ধবিহার, যেখানে পাহাড়পুরের মহাবিহারের মতো নকশায় বহু কক্ষের ছোট একটি ইমারত। অধিদপ্তরই এখন স্থানটি সংরক্ষণ করছে। ঢিবির ওপর এখন একটি মসজিদ, সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ হয়, পাশে সেই পুকুর। ফটকীর উত্তর পাড়ের নিরিবিলি পরিবেশ আর এক ছোট জায়গায় গল্পের এত স্তর, এর জন্যই আসুন।
যাওয়ার পথ: মাগুরা শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে: যশোর–মাগুরা সড়কে বাস, তারপর ভ্যানে ফটকী পাড়ের টিলা গ্রাম।
যা করতে পারেন
- ঢিবি আর ফ্যানঘালী পুকুর ঘুরে দেখুন।
- ভাতের কিংবদন্তি স্থানীয়দের মুখে শুনুন।
জেনে রাখা ভালো
- ঢিবির ওপর মসজিদ: শালীন পোশাক পরুন, নামাজের সময় এড়িয়ে চলুন।
- স্থানটি সংরক্ষিত: কিছু খুঁড়বেন না, কিছু নেবেন না।


