মন্দির, মাগুরা

তালখড়ির গোপাল জিউ (রাধাকৃষ্ণ) মন্দিরGopal Jiu (Radha Krishna) Temple, Talkhari

সময় লাগে
প্রায় আধা ঘণ্টা।
সেরা মাস
নভে–ফেব্রু

তালখড়ির সংরক্ষিত মন্দির, সাধক লোকনাথের জন্মস্থান হিসেবে স্মরণীয়; ১৯৭১-এ ক্ষতিগ্রস্ত, পরে সংস্কার করা, উৎসবে আজও পূজা হয়।

এক নজরে

ঐতিহ্য
সাধক লোকনাথের জন্মস্থান
অবস্থা
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত পুরাকীর্তি

সম্পর্কে

তালখড়ি লোকনাথ নামে এক সাধককে নিজের বলে মনে করে। কিংবদন্তি অনুযায়ী তাঁর জন্ম এখানে; তিনি শ্রীচৈতন্যের শিষ্য হন, আর গুরুর নির্দেশে এ অঞ্চলে ফিরে ভক্তদের জন্য জন্মগ্রামে এই মন্দির গড়েন, ভেতরে স্থাপন করেন রাধা-কৃষ্ণের মূর্তি। স্থানীয়ভাবে এটি গোপাল জিউ বা রাধাকৃষ্ণ মন্দির নামে পরিচিত; কথিত আছে, শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু ও লোকনাথ ব্রহ্মচারী যাত্রাপথে এখানে বিশ্রাম নিয়েছিলেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী মন্দিরটির ব্যাপক ক্ষতি করে; তালখড়িতেই রাজাকারদের হাতে সাতজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর মন্দিরটি সংস্কার করে; এটি এখন সংরক্ষিত পুরাকীর্তি, আর উৎসবে আজও এখানে পূজা হয়।

যাওয়ার পথ: মাগুরা থেকে বাসে আড়পাড়া বাসস্ট্যান্ড (১৩ কিলোমিটার), তারপর ভ্যান বা নছিমনে তালখড়ি বাজার।

যা করতে পারেন

  • মন্দিরে গিয়ে রাধাকৃষ্ণের মূর্তি দেখুন।
  • পূজার রূপ দেখতে উৎসবের সময় আসুন।

জেনে রাখা ভালো

  • জুতা খুলুন, শালীন পোশাক পরুন।
  • বাজারের সময়ের বাইরে ভ্যান কম; ফেরার ব্যবস্থা আগে করে নিন।

কীভাবে যাবেন

মাগুরা গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

বৌদ্ধ বিহার ও প্যাগোডা

ভাতের ভিটা বৌদ্ধবিহার

৩ কিমি, মাগুরা

ফটকী নদীর পাড়ে টিলা গ্রামের ঢিবি, কিংবদন্তিতে যার নাম ভাতের ভিটা; খননে বেরিয়েছে মৌর্য থেকে গুপ্ত যুগের মধ্যকার এক বৌদ্ধবিহার।

মসজিদ ও মাজার

গোপালগ্রাম শাহি মসজিদ

৫ কিমি, মাগুরা

শালিখার গোপালগ্রামে মুঘল রীতির মসজিদ, টালি ইট আর মাটি-সুরকিতে গড়া, গায়ে ফুলের নকশা; এখনকার নাম বাইতুন নূর জামে মসজিদ, আজও নিয়মিত নামাজ হয়।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান

শতখালীর চণ্ডীদাস ও রজকিনীর ঘাট

৫ কিমি, মাগুরা

স্থানীয় ঐতিহ্যে কবি চণ্ডীদাস আর রজকিনীর বসতভিটা: যে দহে তিনি মাছ ধরতেন, আর তার ওপারে ধোপাখালী, যেখানে মেলে পুরোনো মৃৎপাত্রের টুকরো।

দুর্গ ও জমিদারবাড়িBhoboghure · CC BY 4.0

ছান্দড়া জমিদার বাড়ি

১০ কিমি, মাগুরা

শালিখায় ছান্দড়া জমিদার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, যেখান থেকে এ এলাকার খাজনা আদায় আর শাসন চলত; সীমাখালী বাজার থেকে ভ্যানে যেতে হয়।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ

পীর মোকাররম আলী শাহের দরগাহ ও হাজরাপুর নীলকুঠি

১৩ কিমি, মাগুরা

মাগুরা থেকে ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ইছাখাদায় নবগঙ্গার তীরে সুফি দরগাহ, পাশেই হাজরাপুরের নীলকুঠি, যাকে ঘিরে ১৮৫৬–৬০ সালের নীল বিদ্রোহ হয়েছিল।

শহর ও ল্যান্ডমার্কFarabi Al Russell · CC BY-SA 4.0

মাগুরা শহর ও নবগঙ্গা

১৪ কিমি, মাগুরা

নবগঙ্গার তীরে জেলা শহর: নদীর পাড়, নদীঘেঁষা আশ্রম ও মঠ, কাছেই আঠারো শতকের শিবমন্দির, আর নভেম্বরে কাত্যায়নী পূজার আলোকিত মণ্ডপ।

অবস্থান

তালখড়ির গোপাল জিউ (রাধাকৃষ্ণ) মন্দির, মাগুরা

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।