মসজিদ ও মাজার, মাগুরা
গোপালগ্রাম শাহি মসজিদGopalgram Shahi Mosque
- সময় লাগে
- প্রায় আধা ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
শালিখার গোপালগ্রামে মুঘল রীতির মসজিদ, টালি ইট আর মাটি-সুরকিতে গড়া, গায়ে ফুলের নকশা; এখনকার নাম বাইতুন নূর জামে মসজিদ, আজও নিয়মিত নামাজ হয়।
এক নজরে
- নির্মাণ
- স্থানীয় ইতিহাসে ষোড়শ শতকের শেষার্ধ বা সপ্তদশ শতকের শুরু
- আকার
- প্রায় ৬০ × ৪০ ফুট
- বর্তমান
- বাইতুন নূর জামে মসজিদ, সচল
সম্পর্কে
লিখিত কোনো নথিতে সাল নেই, তবে স্থানীয় ইতিহাস মসজিদটিকে ষোড়শ শতকের শেষার্ধ বা সপ্তদশ শতকের শুরুর বলে ধরে, আর এখানকার মানুষ বলেন এটি সম্রাট আকবরের আমলে নির্মিত। এর সঙ্গে যাঁদের নাম স্মরণ করা হয়, তাঁরা সমাজসেবক কলিম উদ্দিন শিকদার (বড় শিকদার) আর কাতলী গ্রামের জমিদার শাহসুফি হযরত জমির উদ্দিন আহমদ।
মূল কাঠামো প্রায় ৬০ ফুট লম্বা ও ৪০ ফুট চওড়া, টালি ইট আর মাটি-সুরকিতে গড়া, কোনো রড বা কংক্রিট নেই। নকশায় ছিল একটি গম্বুজ আর চারটি মিনার; এখন একটি মিনারের অংশমাত্র টিকে আছে। দেয়ালে শিউলি, গোলাপ, গাঁদা, পদ্ম আর লতাপাতার নকশা, মেহরাবে ও ভেতরে ক্ষয়ে গেলেও আজও চোখে পড়ে। তিনটি দরজার দুটি এখন বন্ধ। কয়েক বছর পরপর এলাকাবাসীর অর্থে আংশিক সংস্কার হয়, পুরোনো গম্বুজ অক্ষত রেখে চারপাশে নতুন অংশ যোগ হয়েছে। এটি সচল মসজিদ, কুরআন ও হিফজ শিক্ষাও চলে, আশপাশের গ্রাম থেকেও মুসল্লিরা আসেন।
যাওয়ার পথ: গোপালগ্রাম শালিখা উপজেলায়: বাসে আড়পাড়া, সেখান থেকে ইজিবাইক বা ভ্যানে গোপালগ্রাম।
যা করতে পারেন
- মেহরাব আর দেয়ালে ফুলের নকশা খুঁজুন।
- পুরোনো মিনারের টিকে থাকা অংশটি খুঁজে দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- নামাজের সময়ের বাইরে যান, শালীন পোশাক পরুন, জুতা খুলুন।


