Bhoboghure · CC BY 4.0৩টির ১

দুর্গ ও জমিদারবাড়ি, মাগুরা

ছান্দড়া জমিদার বাড়িChhandra Zamindar Bari

সময় লাগে
প্রায় এক ঘণ্টা।
সেরা মাস
নভে–ফেব্রু

শালিখায় ছান্দড়া জমিদার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, যেখান থেকে এ এলাকার খাজনা আদায় আর শাসন চলত; সীমাখালী বাজার থেকে ভ্যানে যেতে হয়।

এক নজরে

নির্মাণ
মুঘল আমলের প্রথমার্ধ
বর্তমান
ধ্বংসাবশেষ, সংস্কারহীন

সম্পর্কে

জমিদারি আমলে শালিখার এ অংশের কর আর খাজনা আদায় হতো ছান্দড়া জমিদার বাড়ি থেকে, শাসনও চলত এখান থেকেই। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে বাড়িটি মুঘল আমলের প্রথমার্ধে নির্মিত। স্থানীয়দের কথায়, এ অঞ্চলে এর ধ্বংসাবশেষই এখনো টিকে আছে কালের সাক্ষী হয়ে।

পরিবারটির নাম বা সাল কোথাও লেখা নেই, কিছুই সংস্কার করা হয়নি; তাই যাঁরা কৃষিজমির মাঝে নিরিবিলি ধ্বংসাবশেষ পছন্দ করেন, এ যাত্রা তাঁদের জন্য। যাওয়াটাই ভ্রমণের অংশ: যশোর সড়কের সীমাখালী বাজারে বাস, তারপর মাঠের মাঝ দিয়ে ভ্যানে ছান্দড়া গ্রাম।

যাওয়ার পথ: শালিখার আড়পাড়া থেকে বাসে সীমাখালী বাজার, তারপর ভ্যানে ছান্দড়া।

যা করতে পারেন

  • মাঠের মাঝ দিয়ে ভ্যানে ধ্বংসাবশেষে যান।
  • জমিদারদের কথা গ্রামবাসী কী মনে রেখেছেন, জিজ্ঞেস করুন।

জেনে রাখা ভালো

  • ভাঙা দেয়াল ধসে পড়তে পারে: ভঙ্গুর অংশ থেকে দূরে থাকুন।
  • পানি সঙ্গে রাখুন; স্থানে তেমন কিছু পাওয়া যায় না।

কীভাবে যাবেন

মাগুরা গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান

শতখালীর চণ্ডীদাস ও রজকিনীর ঘাট

৫ কিমি, মাগুরা

স্থানীয় ঐতিহ্যে কবি চণ্ডীদাস আর রজকিনীর বসতভিটা: যে দহে তিনি মাছ ধরতেন, আর তার ওপারে ধোপাখালী, যেখানে মেলে পুরোনো মৃৎপাত্রের টুকরো।

মসজিদ ও মাজার

গোপালগ্রাম শাহি মসজিদ

৬ কিমি, মাগুরা

শালিখার গোপালগ্রামে মুঘল রীতির মসজিদ, টালি ইট আর মাটি-সুরকিতে গড়া, গায়ে ফুলের নকশা; এখনকার নাম বাইতুন নূর জামে মসজিদ, আজও নিয়মিত নামাজ হয়।

বৌদ্ধ বিহার ও প্যাগোডা

ভাতের ভিটা বৌদ্ধবিহার

৯ কিমি, মাগুরা

ফটকী নদীর পাড়ে টিলা গ্রামের ঢিবি, কিংবদন্তিতে যার নাম ভাতের ভিটা; খননে বেরিয়েছে মৌর্য থেকে গুপ্ত যুগের মধ্যকার এক বৌদ্ধবিহার।

মন্দির

তালখড়ির গোপাল জিউ (রাধাকৃষ্ণ) মন্দির

১০ কিমি, মাগুরা

তালখড়ির সংরক্ষিত মন্দির, সাধক লোকনাথের জন্মস্থান হিসেবে স্মরণীয়; ১৯৭১-এ ক্ষতিগ্রস্ত, পরে সংস্কার করা, উৎসবে আজও পূজা হয়।

পার্ক ও পিকনিক স্পট

মল্লিকপুরের বটগাছ

২০ কিমি, ঝিনাইদহ

কালীগঞ্জের কাছে একটি বটগাছ, যার ঝুরি নেমে নেমে কয়েক একর জুড়ে বন হয়ে গেছে; প্রায়ই এশিয়ার অন্যতম বড় বটগাছ বলা হয়।

দুর্গ ও জমিদারবাড়ি

নড়াইল জমিদার বাড়ি

২০ কিমি, নড়াইল

নড়াইলের জমিদারদের বাড়ি; ১৭৯১ সালে রূপরাম রায়ের হাতে নাটোরের রানী ভবানীর অধীন তালুক হিসেবে শুরু, ছেলে কালী শঙ্কর রায়ের সময়ে স্বাধীন জমিদারি।

অবস্থান

ছান্দড়া জমিদার বাড়ি, মাগুরা

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।