দুর্গ ও জমিদারবাড়ি, মাগুরা
ছান্দড়া জমিদার বাড়িChhandra Zamindar Bari
- সময় লাগে
- প্রায় এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
শালিখায় ছান্দড়া জমিদার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, যেখান থেকে এ এলাকার খাজনা আদায় আর শাসন চলত; সীমাখালী বাজার থেকে ভ্যানে যেতে হয়।
এক নজরে
- নির্মাণ
- মুঘল আমলের প্রথমার্ধ
- বর্তমান
- ধ্বংসাবশেষ, সংস্কারহীন
সম্পর্কে
জমিদারি আমলে শালিখার এ অংশের কর আর খাজনা আদায় হতো ছান্দড়া জমিদার বাড়ি থেকে, শাসনও চলত এখান থেকেই। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে বাড়িটি মুঘল আমলের প্রথমার্ধে নির্মিত। স্থানীয়দের কথায়, এ অঞ্চলে এর ধ্বংসাবশেষই এখনো টিকে আছে কালের সাক্ষী হয়ে।
পরিবারটির নাম বা সাল কোথাও লেখা নেই, কিছুই সংস্কার করা হয়নি; তাই যাঁরা কৃষিজমির মাঝে নিরিবিলি ধ্বংসাবশেষ পছন্দ করেন, এ যাত্রা তাঁদের জন্য। যাওয়াটাই ভ্রমণের অংশ: যশোর সড়কের সীমাখালী বাজারে বাস, তারপর মাঠের মাঝ দিয়ে ভ্যানে ছান্দড়া গ্রাম।
যাওয়ার পথ: শালিখার আড়পাড়া থেকে বাসে সীমাখালী বাজার, তারপর ভ্যানে ছান্দড়া।
যা করতে পারেন
- মাঠের মাঝ দিয়ে ভ্যানে ধ্বংসাবশেষে যান।
- জমিদারদের কথা গ্রামবাসী কী মনে রেখেছেন, জিজ্ঞেস করুন।
জেনে রাখা ভালো
- ভাঙা দেয়াল ধসে পড়তে পারে: ভঙ্গুর অংশ থেকে দূরে থাকুন।
- পানি সঙ্গে রাখুন; স্থানে তেমন কিছু পাওয়া যায় না।
