দুর্গ ও জমিদারবাড়ি, মাগুরা
শ্রীপুর জমিদার বাড়িSreepur Zamindar Bari
- সময় লাগে
- প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
শ্রীপুরে পাল চৌধুরী জমিদারদের বাড়ি, রবীন্দ্রনাথের ‘বৌ-ঠাকুরানীর হাট’-এর কাহিনির সঙ্গে জড়িত; সিংহদরজা আর ভেতরবাড়ির কিছু ঘর এখনো দাঁড়িয়ে।
এক নজরে
- নির্মাতা
- জমিদার সারদারঞ্জন পাল চৌধুরী
- সাহিত্যে
- রবীন্দ্রনাথের ‘বৌ-ঠাকুরানীর হাট’
- বর্তমান
- সিংহদরজা ও ভেতরবাড়ির কিছু ঘর; অসংরক্ষিত
সম্পর্কে
জেলার তথ্যমতে, মুঘল আমলে রাজা সীতারাম রায় এখানে প্রথমে একটি কাচারি বাড়ি গড়েন; পরে প্রভাবশালী জমিদার সারদারঞ্জন পাল চৌধুরী প্রাসাদের মতো এক বাড়ি তোলেন। তাঁর মেয়ে বিভার বিয়ে হয় যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্যের ছেলে উদয়াদিত্যের সঙ্গে; গবেষকদের মতে, প্রতাপশালী রাজা আর উদারমনা জমিদারের দূরত্বের ভার পড়েছিল বিভার সংসারে। এই কাহিনি নিয়েই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লেখেন উপন্যাস বৌ-ঠাকুরানীর হাট।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বাড়িটি কখনো অধিগ্রহণ করেনি, কোনো সরকারি সংস্থাও এর রক্ষণাবেক্ষণ করে না। টিকে আছে সিংহদরজা আর ভেতরবাড়ির কয়েকটি ঘর। সংস্কার করা স্মৃতিসৌধ নয়, বরং যে কাহিনির ভেতরে দাঁড়ানো যায়, এভাবে দেখুন; উপন্যাসটি মনে রেখে আসুন।
যাওয়ার পথ: শ্রীপুর মাগুরা থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তরে। বাসে শ্রীপুর স্ট্যান্ডে নেমে শ্রীপুর–সাচিলাপুর রাস্তায় ১ কিলোমিটার গেলে বাঁ পাশে বাড়িটি।
যা করতে পারেন
- সিংহদরজা আর টিকে থাকা ভেতরবাড়ির ঘরগুলো দেখুন।
- একই উপজেলার ফররুখ আহমদের গ্রাম মাঝাইলও একসঙ্গে দেখে নিন।
জেনে রাখা ভালো
- বাড়িটি পুরোনো ও অসংরক্ষিত: ভঙ্গুর ঘরে ঢুকবেন না।
- আশপাশে মানুষের বাস থাকতে পারে; কারও ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন।



