স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, মাগুরা
মাঝাইলে ফররুখ আহমদের বাড়িFarrukh Ahmad's Home, Majhail
- সময় লাগে
- প্রায় আধা ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
'মুসলিম রেনেসাঁর কবি' ফররুখ আহমদের পৈতৃক বাড়ি ও পারিবারিক কবরস্থান, শ্রীপুরে তাঁর জন্মগ্রাম মাঝাইলে।
এক নজরে
- জন্ম
- ১০ জুন ১৯১৮
- পরিচিতি
- সাত সাগরের মাঝি; বাংলায় সর্বাধিক সনেট
- সম্মাননা
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার ১৯৬০, একুশে পদক ১৯৭৭
- বাড়ি (২০১৮)
- দুই কক্ষের টিনের ঘর, ভগ্নপ্রায়
সম্পর্কে
সৈয়দ ফররুখ আহমদের জন্ম এখানেই, মাঝাইলের সৈয়দ বংশে, ১৯১৮ সালের ১০ জুন; বাবা ছিলেন পুলিশ ইন্সপেক্টর। খুলনায় স্কুল, কলকাতায় কলেজ, বহু বছর ঢাকা বেতারে কাজ; ১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর ঢাকায় তাঁর মৃত্যু। তিনি স্মরণীয় 'মুসলিম রেনেসাঁর কবি' হিসেবে, বাংলায় সবচেয়ে বেশি সনেট তাঁরই লেখা; সবচেয়ে পরিচিত বই সাত সাগরের মাঝি।
সম্মাননার তালিকা ১৯৬০ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কার থেকে মরণোত্তর একুশে পদক (১৯৭৭) ও স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮০) পর্যন্ত। জেলা প্রশাসন মাঝাইলে তাঁর পৈতৃক বাড়ি ও পারিবারিক কবরস্থানকে সাহিত্যপ্রেমীদের আকর্ষণের স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে। ২০১৮ সালে দ্য ডেইলি স্টার দেখতে পায়, প্রায় ৬০ ফুট লম্বা ও ৩০ ফুট চওড়া দুই কক্ষের টিনের পৈতৃক বাড়িটি ভেঙে পড়ার উপক্রম; কবির ছোট ভাই তখনো গ্রামে থাকতেন, বাড়িটি সংস্কারের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন, আর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। গ্রামে কবির স্মরণে একটি স্মৃতিফলকও আছে। এটি জাদুঘর নয়, গ্রামের বাড়ি; তাই নিঃশব্দে আসুন, ভেতরে যাওয়ার আগে পরিবার বা প্রতিবেশীদের অনুমতি নিন।
যাওয়ার পথ: মাঝাইল মাগুরা শহরের উত্তরে শ্রীপুর উপজেলায়: বাসে শ্রীপুর, সেখান থেকে মাঝাইলের ভ্যান জিজ্ঞেস করে নিন।
যা করতে পারেন
- পৈতৃক বাড়ি, পারিবারিক কবরস্থান আর স্মৃতিফলক দেখুন।
- যেখানে তিনি বড় হয়েছেন, সেখানে বসে ‘সাত সাগরের মাঝি’র একটি কবিতা পড়ুন।
জেনে রাখা ভালো
- এটি পারিবারিক বাড়ি: ঢোকার আগে অনুমতি নিন, কবরস্থানে নিচু স্বরে কথা বলুন।



