স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রিChittagong War Cemetery

সময় লাগে
আধা থেকে এক ঘণ্টা।
খরচ
বিনা মূল্যে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি, বাদশা মিয়া রোডে গাছের নিচে প্রায় সাতশ কবরের লন: বার্মা রণাঙ্গনে মারা যাওয়া ব্রিটেন, ভারত, আফ্রিকা, বার্মা, জাপান আর নেদারল্যান্ডসের সৈনিক ও বৈমানিক।

ভ্রমণের পরিকল্পনা

খোলা থাকে
রোজ দিনের আলোয়; দুপুরে অল্প সময় বন্ধ।

এক নজরে

কবর
প্রায় ৭৩০, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
রক্ষণাবেক্ষণ
কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন
কোথায়
বাদশা মিয়া রোড, ফিনলে গেস্ট হাউসের কাছে

সম্পর্কে

চট্টগ্রাম ছিল বার্মা অভিযানের ঘাঁটি, আর যুদ্ধের সময় এখানকার হাসপাতাল ও বিমানঘাঁটিতে মারা যাওয়া প্রায় চারশ মানুষের জন্য ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এই সমাধিক্ষেত্র গড়ে। ১৯৪৫-এর পর লুসাই পাহাড়, কক্সবাজার, দোহাজারীসহ রণাঙ্গনের নানা জায়গা থেকে কবর আনা হয়, আর আজ কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন প্রায় ৭৩০টি কবর দেখাশোনা করে: ব্রিটিশ, ভারতীয়, পূর্ব ও পশ্চিম আফ্রিকান, বার্মিজ, ডাচ আর কানাডীয় সৈনিক, জাপানি যুদ্ধবন্দি, আর কয়েকজন বেসামরিক। যে মুসলিম সৈনিকদের কবর আলাদা করে চিহ্নিত করা যায়নি, একটা স্মৃতিফলকে তাঁদের নাম।

বাদশা মিয়া রোডের পাশে দুই টিলার মাঝের খাদে সমাধিক্ষেত্র: লম্বা সবুজ লন, সারি সারি স্মৃতিফলক, একটা ক্রুশ আর ফুলের গাছ; গেটে ঢুকলেই শহরের শব্দ থেমে যায়। গেটঘরে নামের খাতা রাখা, দর্শনার্থী নাম খুঁজে দেখতে পারেন। চট্টগ্রামের সবচেয়ে শান্ত জায়গাগুলোর একটা।

যাওয়ার পথ: জিইসি বা স্টেশন থেকে সিএনজিতে বাদশা মিয়া রোড, প্রায় ১৫ মিনিট।

যা করতে পারেন

  • সারি ধরে হেঁটে স্মৃতিফলক পড়ুন; খাতায় কোনো রেজিমেন্ট খুঁজে দেখুন।

জেনে রাখা ভালো

  • কবরের ওপর হাঁটবেন না, আস্তে কথা বলুন; পিকনিক নয়।

কীভাবে যাবেন

চট্টগ্রাম গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

মসজিদ ও মাজারIqbal Hossain · CC BY-SA 4.0

আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ

২ কিমি, চট্টগ্রাম

ভেতরের দুর্গের টিলায় ১৬৬৭ সালের মুঘল মসজিদ, বাবা শায়েস্তা খান আরাকানিদের কাছ থেকে চট্টগ্রাম নেওয়ার পরের বছর বুজুর্গ উমেদ খানের গড়া; শহরের প্রধান মসজিদ, দরজার ওপর ফারসি শিলালিপি।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধAzim Al Jabber · CC BY 2.5

চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং

৩ কিমি, চট্টগ্রাম

পুরোনো শহরের ওপরে পরীর পাহাড়ে ১৮৯৮ সালের লাল ইন্দো-সারাসেনিক আদালত ভবন: গম্বুজ, খিলানের সারি আর লম্বা সম্মুখভাগ, এখনো জেলা আদালত, নিচে ছড়ানো নদী আর বন্দর।

পার্ক ও পিকনিক স্পটMoheen Reeyad · CC BY-SA 4.0

ফয়’স লেক

৩ কিমি, চট্টগ্রাম

১৯২৪ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের খুলশীর পাহাড়ের মাঝে বাঁধ দিয়ে তৈরি লেক, ইংরেজ প্রকৌশলীর নামে; এখন পানির চারপাশে বিনোদন পার্ক, নৌকা আর রিসোর্ট, শহরের পরিবার নিয়ে বেড়ানোর জায়গা।

জাদুঘরMoheen Reeyad · CC BY-SA 4.0

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর

৪ কিমি, চট্টগ্রাম

আগ্রাবাদে দেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর: চাকমা, মারমা, গারো, সাঁওতাল, খাসিসহ নানা জনগোষ্ঠীর পোশাক, হাতিয়ার, ঘর আর হস্তশিল্পের গ্যালারি, ১৯৭৪ থেকে খোলা।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধRohan Uddin Fahad · CC BY-SA 3.0

বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার

৪ কিমি, চট্টগ্রাম

নাসিরাবাদে টিলার ওপর পারস্যের সুফি বায়েজিদ বোস্তামীর নামে মাজার, মুঘল আমলের মসজিদ আর তীর্থযাত্রীদের খাওয়ানো বিরল বোস্তামী কাছিমে ভরা পুকুরসহ; প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভিড়।

সমুদ্রসৈকতMoheen Reeyad · CC BY-SA 4.0

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

১৪ কিমি, চট্টগ্রাম

শহরের সৈকত, ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে কর্ণফুলীর মোহনায়: বঙ্গোপসাগরমুখী লম্বা কংক্রিট আর পাথরের বাঁধ, দূরে অপেক্ষায় জাহাজ, মাছভাজার দোকান আর সূর্যাস্ত দেখতে বেরোনো গোটা চট্টগ্রাম।

অবস্থান

চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি, চট্টগ্রাম

সূত্র 2

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।