জাদুঘর, চট্টগ্রাম
জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরEthnological Museum
- সময় লাগে
- এক ঘণ্টা।
- খরচ
- অল্প টাকার প্রবেশ টিকিট।
আগ্রাবাদে দেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর: চাকমা, মারমা, গারো, সাঁওতাল, খাসিসহ নানা জনগোষ্ঠীর পোশাক, হাতিয়ার, ঘর আর হস্তশিল্পের গ্যালারি, ১৯৭৪ থেকে খোলা।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- খোলা থাকে
- বৃহস্পতিবার আর সরকারি ছুটিতে বন্ধ; অন্য দিন সকাল থেকে বিকেল, শুক্রবারে নামাজের বিরতি।
এক নজরে
- খোলা
- ১৯৭৪ (প্রতিষ্ঠা ১৯৬৫)
- কোথায়
- আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম
সম্পর্কে
১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠা আর ১৯৭৪ সালে সবার জন্য খোলা আগ্রাবাদের এই জাদুঘর পাহাড় আর সমতলের জনগোষ্ঠীগুলোকে এক একটা ঘর দিয়েছে: পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, বম, খুমি, উত্তরের গারো আর হাজং, উত্তর-পশ্চিমের সাঁওতালসহ আরও অনেকে, তাঁদের পোশাক, গয়না, বাদ্যযন্ত্র, তাঁত, ঝুড়ি আর ঘরের মডেল নিয়ে। ১৯৮০ আর ৯০-এর দশকে দুটো ঘর যোগ হয়, আর ১৯৯৬ সালে বাঙালি লোকজীবনের গ্যালারি, তাই জাদুঘর এখন সারা দেশের জনগোষ্ঠী ধরে, সঙ্গে প্রতিবেশী দেশের মানুষের কয়েকটা কাচঘর।
ছোট, সেকেলে আর চুপচাপ চমৎকার; পাহাড়ে ওঠার আগে দক্ষিণ-পূর্বে কারা থাকেন তার এক ঘণ্টার সেরা পরিচয়। বাগানে কয়েকটা ভাস্কর্য আর পুরোনো গাছ।
যাওয়ার পথ: আগ্রাবাদে, স্টেশন বা জিইসি থেকে অল্প সিএনজি পথ।
যা করতে পারেন
- এক এক জনগোষ্ঠীর গ্যালারি ঘুরুন, শেষে বাঙালি লোকজীবনের গ্যালারি।
জেনে রাখা ভালো
- ভেতরে ছবি তুলতে কাউন্টারে অনুমতি নিন।






