Moheen Reeyad · CC BY-SA 4.0৪টির ১

পার্ক ও পিকনিক স্পট, চট্টগ্রাম

ফয়’স লেকFoy's Lake

সময় লাগে
আধা দিন।
খরচ
প্রবেশ টিকিট, রাইড, নৌকা আর ওয়াটার পার্কের টিকিট আলাদা।

১৯২৪ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের খুলশীর পাহাড়ের মাঝে বাঁধ দিয়ে তৈরি লেক, ইংরেজ প্রকৌশলীর নামে; এখন পানির চারপাশে বিনোদন পার্ক, নৌকা আর রিসোর্ট, শহরের পরিবার নিয়ে বেড়ানোর জায়গা।

ভ্রমণের পরিকল্পনা

খোলা থাকে
রোজ, মোটামুটি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা; মৌসুমে সময় বদলায়।

এক নজরে

তৈরি
১৯২৪, আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে
কোথায়
খুলশী, শহরের কেন্দ্রের উত্তরে, চিড়িয়াখানার কাছে

সম্পর্কে

পাহাড়তলীর ওয়ার্কশপের জন্য রেলওয়ের পানি দরকার ছিল, তাই ১৯২৪ সালে শহরের ওপরের পাহাড়ে এক উপত্যকায় বাঁধ দেওয়া হয়; দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী মিস্টার ফয়ের নামে লেকের নাম। দশকের পর দশক এটা ছিল তিন দিকে পাহাড় আর টিলা থেকে সাগর দেখা যাওয়া নিরিবিলি পিকনিকের জায়গা। ২০০০-এর দশক থেকে একটা বেসরকারি কোম্পানি একে বিনোদন পার্ক হিসেবে চালায়: রাইড, ওয়াটার পার্ক, ছোট চিড়িয়াখানা, কনসার্টের মাঠ আর রিসোর্ট; লেক নৌকায় পার হয়ে ওপারের পাড় আর পাহাড়ের হাঁটার পথ।

এটা শহুরে পার্ক, ভিড় আর নির্মাণে ভরা, বুনো জায়গা নয়; এর মূল্য চট্টগ্রামের মাঝখানে সবুজ পাহাড়ের মাঝের পানি, তার ওপর ধীর নৌকা আর টিলার মাথা থেকে দৃশ্য। ছুটিতে পরিবার আর স্কুলের দল ভরিয়ে রাখে।

যাওয়ার পথ: স্টেশন থেকে সিএনজি বা রাইড শেয়ারিংয়ে খুলশীর ফয়’স লেক গেট, ২০–৩০ মিনিট।

যা করতে পারেন

  • নৌকায় লেক পার হয়ে টিলার পথে হেঁটে দৃশ্য দেখুন।

জেনে রাখা ভালো

  • কাজের দিনে সকালে যান; সপ্তাহান্তে প্রতিটি রাইডে লাইন।

কীভাবে যাবেন

চট্টগ্রাম গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধRohan Uddin Fahad · CC BY-SA 3.0

বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার

৩ কিমি, চট্টগ্রাম

নাসিরাবাদে টিলার ওপর পারস্যের সুফি বায়েজিদ বোস্তামীর নামে মাজার, মুঘল আমলের মসজিদ আর তীর্থযাত্রীদের খাওয়ানো বিরল বোস্তামী কাছিমে ভরা পুকুরসহ; প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভিড়।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধAzim Al Jabber(azimiiuc@yahoo.com) · CC BY-SA 3.0

চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি

৩ কিমি, চট্টগ্রাম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি, বাদশা মিয়া রোডে গাছের নিচে প্রায় সাতশ কবরের লন: বার্মা রণাঙ্গনে মারা যাওয়া ব্রিটেন, ভারত, আফ্রিকা, বার্মা, জাপান আর নেদারল্যান্ডসের সৈনিক ও বৈমানিক।

জাদুঘরMoheen Reeyad · CC BY-SA 4.0

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর

৫ কিমি, চট্টগ্রাম

আগ্রাবাদে দেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর: চাকমা, মারমা, গারো, সাঁওতাল, খাসিসহ নানা জনগোষ্ঠীর পোশাক, হাতিয়ার, ঘর আর হস্তশিল্পের গ্যালারি, ১৯৭৪ থেকে খোলা।

মসজিদ ও মাজারIqbal Hossain · CC BY-SA 4.0

আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ

৫ কিমি, চট্টগ্রাম

ভেতরের দুর্গের টিলায় ১৬৬৭ সালের মুঘল মসজিদ, বাবা শায়েস্তা খান আরাকানিদের কাছ থেকে চট্টগ্রাম নেওয়ার পরের বছর বুজুর্গ উমেদ খানের গড়া; শহরের প্রধান মসজিদ, দরজার ওপর ফারসি শিলালিপি।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধAzim Al Jabber · CC BY 2.5

চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং

৫ কিমি, চট্টগ্রাম

পুরোনো শহরের ওপরে পরীর পাহাড়ে ১৮৯৮ সালের লাল ইন্দো-সারাসেনিক আদালত ভবন: গম্বুজ, খিলানের সারি আর লম্বা সম্মুখভাগ, এখনো জেলা আদালত, নিচে ছড়ানো নদী আর বন্দর।

সমুদ্রসৈকতMoheen Reeyad · CC BY-SA 4.0

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

১৫ কিমি, চট্টগ্রাম

শহরের সৈকত, ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে কর্ণফুলীর মোহনায়: বঙ্গোপসাগরমুখী লম্বা কংক্রিট আর পাথরের বাঁধ, দূরে অপেক্ষায় জাহাজ, মাছভাজার দোকান আর সূর্যাস্ত দেখতে বেরোনো গোটা চট্টগ্রাম।

অবস্থান

ফয়’স লেক, চট্টগ্রাম

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।