মসজিদ ও মাজার, চট্টগ্রাম
আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদAnderkilla Shahi Jame Mosque
- সময় লাগে
- আধা ঘণ্টা।
ভেতরের দুর্গের টিলায় ১৬৬৭ সালের মুঘল মসজিদ, বাবা শায়েস্তা খান আরাকানিদের কাছ থেকে চট্টগ্রাম নেওয়ার পরের বছর বুজুর্গ উমেদ খানের গড়া; শহরের প্রধান মসজিদ, দরজার ওপর ফারসি শিলালিপি।
এক নজরে
- নির্মাণ
- ১৬৬৭, বুজুর্গ উমেদ খান
- স্মারক
- ১৬৬৬ সালে মুঘলদের চট্টগ্রাম বিজয়
- নামাজে ফেরত
- ১৮৫৫, ব্রিটিশ গোলাবারুদের গুদাম থাকার পর
সম্পর্কে
আন্দরকিল্লা মানে ভেতরের দুর্গ: ১৬৬৬ পর্যন্ত চট্টগ্রাম দখলে রাখা আরাকানিদের দুর্গ ছিল এই টিলা, সে বছর শায়েস্তা খানের ছেলে বুজুর্গ উমেদ খানের বাহিনী তাদের তাড়ায়। মসজিদের ফারসি শিলালিপি বলে, জয় করা টিলায় ১৬৬৭ সালে এটি শুরু হয়, ইটে গড়া মুঘল বিজয়। চিরায়ত মুঘল নকশা, উঁচু মঞ্চে তিন গম্বুজ আর কোণের মিনার, আর এটা হয়ে ওঠে শহরের জামে মসজিদ, বড় জুমা আর ঈদের জামাতের জায়গা।
ব্রিটিশরা দশকের পর দশক একে গোলাবারুদের গুদাম করে রাখে, ১৮৫৫-তে আবার নামাজের জন্য ফেরত দেয়, তারপর বহুবার বাড়ানো হয়েছে; পুরোনো কাঠামো এখন নতুন নামাজঘর আর উঁচু মিনারে মোড়া। চারপাশের গলি, বইয়ের দোকান, বেকারি আর বেলা বিস্কুটের আন্দরকিল্লা বাজার, শহরের সবচেয়ে পুরোনো অংশ। নামাজের মাঝের সময়ে যান; অমুসলিম দর্শনার্থী উঠানে স্বাগত।
যাওয়ার পথ: স্টেশন থেকে সিএনজিতে আন্দরকিল্লা ১০ মিনিট; বাজারের ওপরের টিলায়, কোর্ট বিল্ডিংয়ের নিচে মসজিদ।
যা করতে পারেন
- পুরোনো দরজার ওপরের ফারসি শিলালিপি খুঁজুন, তারপর নিচের আন্দরকিল্লা বাজারে হাঁটুন।
জেনে রাখা ভালো
- হাত-পা ঢাকা পোশাক, জুতা খুলুন, নামাজে না এলে শুক্রবার দুপুর এড়িয়ে চলুন।






