স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিংChattogram Court Building
- সময় লাগে
- আধা ঘণ্টা।
পুরোনো শহরের ওপরে পরীর পাহাড়ে ১৮৯৮ সালের লাল ইন্দো-সারাসেনিক আদালত ভবন: গম্বুজ, খিলানের সারি আর লম্বা সম্মুখভাগ, এখনো জেলা আদালত, নিচে ছড়ানো নদী আর বন্দর।
এক নজরে
- নির্মাণ
- ১৮৯২–১৮৯৮
- ধাঁচ
- ইন্দো-সারাসেনিক
- এখন
- জেলা আদালত ও জেলা প্রশাসকের অফিস
সম্পর্কে
জেলা আদালতের জন্য ১৮৯২ থেকে ১৮৯৮-এ তৈরি এই ভবন পুরোনো শহরের মাঝে পরীর পাহাড়ের মাথায়, ব্রিটিশরা সরকারি ভবনে যে ইন্দো-সারাসেনিক ধাঁচ পছন্দ করত তাতে গড়া লম্বা লাল ব্লক: মুঘল গম্বুজ আর ছত্রী, খিলান, গভীর বারান্দা আর একটা ঘড়ি। এখনো চালু আদালত, পাশে জেলা প্রশাসকের অফিস, তাই কাজের দিনে টিলাটা আইনজীবী, কেরানি আর মামলার মানুষে ব্যস্ত।
দর্শনার্থী আসে সম্মুখভাগ আর টিলার জন্য। ছাদ আর টিলা ঘেরা রাস্তা থেকে নিচে আন্দরকিল্লা, কর্ণফুলী আর বন্দরের ক্রেন, শহরের সেরা বিনা পয়সার দৃশ্য। আন্দরকিল্লা মসজিদ ঢাল বেয়ে অল্প হাঁটা।
যাওয়ার পথ: সিএনজিতে আন্দরকিল্লা বা লালদিঘি, তারপর পরীর পাহাড়ে ওঠার রাস্তা; স্টেশন থেকে ১০ মিনিট।
যা করতে পারেন
- টিলা ঘুরে নদী আর বন্দরের দৃশ্য দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- এটা আদালত: ভেতরে ছবি নয়, বাইরেটা দেখতে শুক্রবার নিরিবিলি।






