Tanvir Rahat · CC BY-SA 4.0৬টির ১

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, যশোর

যশোর কালেক্টরেট ভবনJashore Collectorate

সময় লাগে
আধা ঘণ্টা।
সেরা মাস
নভে–ফেব্রু
খরচ
বিনা মূল্যে।

ভৈরবের তীরে দড়াটানায় সুদর্শন দোতলা কালেক্টরেট ভবন, ১৭৮৬ সালে জেলার প্রথম প্রশাসক টিলম্যান হেঙ্কেলের প্রস্তাবে নির্মিত, তখন থেকেই জেলা প্রশাসনের দপ্তর; নদীর ধারের প্রাঙ্গণ এখন সন্ধ্যার আড্ডার জায়গা।

এক নজরে

প্রস্তাব
১৭৮৬
নদী
ভৈরব

সম্পর্কে

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম দিকের জেলাগুলোর একটি যশোর; রাজস্ব আদায়ের সুবিধায় প্রশাসক কলকাতার বদলে এখানেই দপ্তর চেয়েছিলেন। সেই ভবনে আজও জেলা প্রশাসন চলে।

ভৈরবের তীর থেকে বা রাতের আলোয় এটিই পুরোনো শহরের ছবি। ভেতরে সচল দপ্তর, তাই দর্শনার্থীরা প্রাঙ্গণ থেকেই দেখেন।

যাওয়ার পথ: শহরের কেন্দ্রে দড়াটানায়, অল্প রিকশাপথ।

যা করতে পারেন

  • সন্ধ্যায় আসুন, যখন ভবনে আলো জ্বলে।

জেনে রাখা ভালো

  • এটি সরকারি দপ্তর; ভেতরে ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন।

কীভাবে যাবেন

যশোর গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

দুর্গ ও জমিদারবাড়িMofrad Hossain Alindo · CC BY-SA 4.0

চাঁচড়া রাজবাড়ি

২ কিমি, যশোর

যশোর শহরের প্রান্তে চাঁচড়ার পুরোনো জমিদারবাড়ি, আঠারো বা উনিশ শতকের, পরিবারের গড়া মন্দিরসহ; এখন জীর্ণ দশা।

মসজিদ ও মাজারRanamd048 · CC BY-SA 4.0

গলাকাটা মসজিদ

১৭ কিমি, ঝিনাইদহ

বারোবাজারের মসজিদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়: গলাকাটা দিঘির পাশে ছয় গম্বুজের সুলতানি ভবন, ১৯৯২–৯৩ সালের খননের পর আবার গড়া।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানMd Abdul Wahab · CC BY-SA 4.0

বারোবাজারের প্রাচীন মসজিদ

১৭ কিমি, ঝিনাইদহ

কালীগঞ্জের বারোবাজার ঘিরে খুঁড়ে বের করা ও সংস্কার করা সুলতানি আমলের একগুচ্ছ ইটের মসজিদ, তার মধ্যে জোড় বাংলা আর গোরার মসজিদ; ধারণা করা হয় এগুলো পুরোনো মোহাম্মদাবাদ নগরের চিহ্ন।

নদী, হ্রদ ও হাওরKamal Dew Simoom · CC BY-SA 4.0

ঝাপা বাঁওড়

২১ কিমি, যশোর

মনিরামপুরের একটি বাঁওড়, যার ওপর গ্রামবাসী ড্রামে ভাসানো লম্বা সেতু বানিয়েছেন; মানুষ আসে সেতু, নৌকাভ্রমণ আর শান্ত বিকেলের জন্য।

পার্ক ও পিকনিক স্পট

মল্লিকপুরের বটগাছ

২৩ কিমি, ঝিনাইদহ

কালীগঞ্জের কাছে একটি বটগাছ, যার ঝুরি নেমে নেমে কয়েক একর জুড়ে বন হয়ে গেছে; প্রায়ই এশিয়ার অন্যতম বড় বটগাছ বলা হয়।

দুর্গ ও জমিদারবাড়িBhoboghure · CC BY 4.0

ছান্দড়া জমিদার বাড়ি

২৩ কিমি, মাগুরা

শালিখায় ছান্দড়া জমিদার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, যেখান থেকে এ এলাকার খাজনা আদায় আর শাসন চলত; সীমাখালী বাজার থেকে ভ্যানে যেতে হয়।

অবস্থান

যশোর কালেক্টরেট ভবন, যশোর

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।