যার জন্য পরিচিত
- ১
মধুসূদনের সাগরদাঁড়ি।
কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে কপোতাক্ষের তীরে এক জমিদার পরিবারে জন্মেছিলেন। বাড়ি, পুকুর আর যে নদীতীর নিয়ে তিনি লিখেছেন, সবই স্মৃতি হিসেবে রাখা আছে; প্রতি জানুয়ারিতে তাঁর নামে মেলায় গ্রাম ভরে ওঠে।
- ২
পুরোনো যশোর আর সীমান্ত।
শহরে ভৈরবের তীরে দোতলা কালেক্টরেট ভবন আজও জেলা প্রশাসনের দপ্তর; কপোতাক্ষের তীরে মির্জানগরে মুঘল ফৌজদারের হাম্মামখানা; আর ভারতের সঙ্গে দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত স্থলপথ বেনাপোলে প্রতি সন্ধ্যায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষীরা একসঙ্গে পতাকা নামান।
সেরা মৌসুম
ভালোমোটামুটিনভে–ফেব্রু
- মধুমেলা, সাগরদাঁড়ি জানুয়ারির শেষে, কবির জন্মদিন ঘিরে
নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি: শুকনো রাস্তা, আরামদায়ক দিন, খেজুরের রস আর গুড়ের মৌসুম, আর জানুয়ারির শেষে সাগরদাঁড়িতে মধুমেলা। গ্রীষ্মে খুব গরম; বর্ষায় বাঁওড় আর নদী ভরে ওঠে, তবে গ্রামের রাস্তা কাদা হয়।
কীভাবে যাবেন
বাস
ঢাকা
৪–৫ ঘণ্টা
পদ্মা সেতু হয়ে
ট্রেন
ঢাকা
যশোর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেন
আকাশপথ
ঢাকা
৪০ মিনিট
যশোর বিমানবন্দরে প্রতিদিন ফ্লাইট
ঘুরে বেড়ানো
যশোর শহর
কেশবপুর আর বেনাপোলে বাস ও সিএনজি
পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা–বেনাপোল সড়কে যশোর, বাসে প্রায় ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা। ঢাকা, খুলনা আর রাজশাহী থেকে ট্রেন চলে, আর ঢাকা থেকে যশোর বিমানবন্দরে প্রতিদিন ফ্লাইট আছে। জেলার ভেতরে কেশবপুর (সাগরদাঁড়ি আর মির্জানগরের জন্য) আর বেনাপোলে বাস ও সিএনজি যায়।
স্থানীয় খাবার
খেজুরের গুড়অবশ্যই চেখে দেখুন
শীতে টাটকা খেজুরের গুড়
জামতলার রসগোল্লা
শার্শার বিখ্যাত মিষ্টি
যশোরের খ্যাতি খেজুরের গুড় আর তা দিয়ে বানানো মিষ্টির জন্য, সঙ্গে শার্শার জামতলার রসগোল্লা, আর নদী ও বাঁওড়ের মাছ।
দেখার মতো জায়গা
বেনাপোল সীমান্ত
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর, পুরোনো যশোর রোডে ভারতের পেট্রাপোলের মুখোমুখি: কলকাতাগামী যাত্রীদের প্রধান পথ, আর প্রতি সন্ধ্যায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের পতাকা নামানোর অনুষ্ঠান।
দুর্গ ও জমিদারবাড়িMofrad Hossain Alindo · CC BY-SA 4.0চাঁচড়া রাজবাড়ি
যশোর শহরের প্রান্তে চাঁচড়ার পুরোনো জমিদারবাড়ি, আঠারো বা উনিশ শতকের, পরিবারের গড়া মন্দিরসহ; এখন জীর্ণ দশা।
স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধTanvir Rahat · CC BY-SA 4.0যশোর কালেক্টরেট ভবন
ভৈরবের তীরে দড়াটানায় সুদর্শন দোতলা কালেক্টরেট ভবন, ১৭৮৬ সালে জেলার প্রথম প্রশাসক টিলম্যান হেঙ্কেলের প্রস্তাবে নির্মিত, তখন থেকেই জেলা প্রশাসনের দপ্তর; নদীর ধারের প্রাঙ্গণ এখন সন্ধ্যার আড্ডার জায়গা।
নদী, হ্রদ ও হাওরKamal Dew Simoom · CC BY-SA 4.0ঝাপা বাঁওড়
মনিরামপুরের একটি বাঁওড়, যার ওপর গ্রামবাসী ড্রামে ভাসানো লম্বা সেতু বানিয়েছেন; মানুষ আসে সেতু, নৌকাভ্রমণ আর শান্ত বিকেলের জন্য।
প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানPrasun.kp · CC BY-SA 4.0মির্জানগর হাম্মামখানা
কেশবপুরের কাছে মির্জানগরে কপোতাক্ষের তীরে গম্বুজওয়ালা মুঘল হাম্মামখানা, সতেরো শতকে যশোরের ফৌজদারদের আবাসের একমাত্র টিকে থাকা অংশ।
জাদুঘরasik mahbub · CC BY-SA 4.0সাগরদাঁড়ি, মধুসূদন দত্তের বাড়ি
কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে কপোতাক্ষের তীরে কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভিটা: পারিবারিক বাড়ি, পুকুর আর আঙিনা, ছোট সংগ্রহসহ স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষিত।
সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।
এই গাইডটি অফলাইনে নিয়ে যান।
একই গাইড, প্রতিটি জায়গা আর ছবি, ইন্টারনেট ছাড়াই আপনার ফোনে। পৌঁছে জেলাটি চিহ্নিত করুন।
