প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যশোর
মির্জানগর হাম্মামখানাMirzanagar Hammamkhana
- সময় লাগে
- এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
- খরচ
- বিনা মূল্যে বা সামান্য প্রবেশমূল্য।
কেশবপুরের কাছে মির্জানগরে কপোতাক্ষের তীরে গম্বুজওয়ালা মুঘল হাম্মামখানা, সতেরো শতকে যশোরের ফৌজদারদের আবাসের একমাত্র টিকে থাকা অংশ।
এক নজরে
- আমল
- মুঘল, সতেরো শতক
- উপজেলা
- কেশবপুর
সম্পর্কে
১৬৪৯ সালে যশোরের ফৌজদার হন মির্জা সাফসি খান; তিনি থাকতেন কপোতাক্ষ আর বুড়িভদ্রার সঙ্গমে, আর তাঁর নামেই জায়গাটির নাম। পরে আওরঙ্গজেবের আমলে ফৌজদার নুরুল্লাহ খাঁ এখানে কিল্লাবাড়ি গড়েন; তার মধ্যে কেবল হাম্মামখানাটিই টিকে আছে।
ইটের ভবনে গম্বুজঢাকা কক্ষ, একটি কূপ আর গরম-ঠান্ডা পানি বয়ে নেওয়ার নালি। শান্ত গ্রামীণ পরিবেশে এটি একটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি।
যাওয়ার পথ: কেশবপুর থেকে পশ্চিমে প্রায় ৭ কিলোমিটার, সিএনজি বা ইজিবাইকে।
যা করতে পারেন
- ভেতরের পানির নালি আর কূপটি দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- সাগরদাঁড়ির দিনেই যান।





