Prasun.kp · CC BY-SA 4.0৬টির ১

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যশোর

মির্জানগর হাম্মামখানাMirzanagar Hammamkhana

সময় লাগে
এক ঘণ্টা।
সেরা মাস
নভে–ফেব্রু
খরচ
বিনা মূল্যে বা সামান্য প্রবেশমূল্য।

কেশবপুরের কাছে মির্জানগরে কপোতাক্ষের তীরে গম্বুজওয়ালা মুঘল হাম্মামখানা, সতেরো শতকে যশোরের ফৌজদারদের আবাসের একমাত্র টিকে থাকা অংশ।

এক নজরে

আমল
মুঘল, সতেরো শতক
উপজেলা
কেশবপুর

সম্পর্কে

১৬৪৯ সালে যশোরের ফৌজদার হন মির্জা সাফসি খান; তিনি থাকতেন কপোতাক্ষ আর বুড়িভদ্রার সঙ্গমে, আর তাঁর নামেই জায়গাটির নাম। পরে আওরঙ্গজেবের আমলে ফৌজদার নুরুল্লাহ খাঁ এখানে কিল্লাবাড়ি গড়েন; তার মধ্যে কেবল হাম্মামখানাটিই টিকে আছে।

ইটের ভবনে গম্বুজঢাকা কক্ষ, একটি কূপ আর গরম-ঠান্ডা পানি বয়ে নেওয়ার নালি। শান্ত গ্রামীণ পরিবেশে এটি একটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি।

যাওয়ার পথ: কেশবপুর থেকে পশ্চিমে প্রায় ৭ কিলোমিটার, সিএনজি বা ইজিবাইকে।

যা করতে পারেন

  • ভেতরের পানির নালি আর কূপটি দেখুন।

জেনে রাখা ভালো

  • সাগরদাঁড়ির দিনেই যান।

কীভাবে যাবেন

যশোর গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

জাদুঘরasik mahbub · CC BY-SA 4.0

সাগরদাঁড়ি, মধুসূদন দত্তের বাড়ি

৯ কিমি, যশোর

কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে কপোতাক্ষের তীরে কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভিটা: পারিবারিক বাড়ি, পুকুর আর আঙিনা, ছোট সংগ্রহসহ স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষিত।

নদী, হ্রদ ও হাওরKamal Dew Simoom · CC BY-SA 4.0

ঝাপা বাঁওড়

৯ কিমি, যশোর

মনিরামপুরের একটি বাঁওড়, যার ওপর গ্রামবাসী ড্রামে ভাসানো লম্বা সেতু বানিয়েছেন; মানুষ আসে সেতু, নৌকাভ্রমণ আর শান্ত বিকেলের জন্য।

মসজিদ ও মাজারMamun M Hossain · CC BY-SA 4.0

তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ

১৭ কিমি, সাতক্ষীরা

তালা উপজেলার তেঁতুলিয়ায় বহু গম্বুজের পুরোনো মসজিদ, জেলার সবচেয়ে পরিচিত ঐতিহাসিক ভবনগুলোর একটি।

দুর্গ ও জমিদারবাড়িMofrad Hossain Alindo · CC BY-SA 4.0

চাঁচড়া রাজবাড়ি

২৮ কিমি, যশোর

যশোর শহরের প্রান্তে চাঁচড়ার পুরোনো জমিদারবাড়ি, আঠারো বা উনিশ শতকের, পরিবারের গড়া মন্দিরসহ; এখন জীর্ণ দশা।

শহর ও ল্যান্ডমার্ক

বেনাপোল সীমান্ত

৩০ কিমি, যশোর

দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর, পুরোনো যশোর রোডে ভারতের পেট্রাপোলের মুখোমুখি: কলকাতাগামী যাত্রীদের প্রধান পথ, আর প্রতি সন্ধ্যায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের পতাকা নামানোর অনুষ্ঠান।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধTanvir Rahat · CC BY-SA 4.0

যশোর কালেক্টরেট ভবন

৩১ কিমি, যশোর

ভৈরবের তীরে দড়াটানায় সুদর্শন দোতলা কালেক্টরেট ভবন, ১৭৮৬ সালে জেলার প্রথম প্রশাসক টিলম্যান হেঙ্কেলের প্রস্তাবে নির্মিত, তখন থেকেই জেলা প্রশাসনের দপ্তর; নদীর ধারের প্রাঙ্গণ এখন সন্ধ্যার আড্ডার জায়গা।

অবস্থান

মির্জানগর হাম্মামখানা, যশোর

সূত্র 1

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।