Md Abdul Wahab · CC BY-SA 4.0৬টির ১

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, ঝিনাইদহ

বারোবাজারের প্রাচীন মসজিদBarobazar mosque ruins

সময় লাগে
আধা দিন।
সেরা মাস
নভে–ফেব্রু
খরচ
বিনা মূল্যে; ঘোরার জন্য ভ্যান বা ইজিবাইক ভাড়া।

কালীগঞ্জের বারোবাজার ঘিরে খুঁড়ে বের করা ও সংস্কার করা সুলতানি আমলের একগুচ্ছ ইটের মসজিদ, তার মধ্যে জোড় বাংলা আর গোরার মসজিদ; ধারণা করা হয় এগুলো পুরোনো মোহাম্মদাবাদ নগরের চিহ্ন।

এক নজরে

আমল
বাংলার সুলতানি আমল
খনন
১৯৯২–৯৩ থেকে

সম্পর্কে

শতাব্দীর পর শতাব্দী এগুলো ছিল মাঠের মাঝে শুধু ঢিবি আর দিঘি। ১৯৯০-এর দশকের শুরু থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খননে একের পর এক মসজিদ বেরিয়ে আসে, কয়েকটিতে সূক্ষ্ম পোড়ামাটির কাজ, আর বেশিরভাগ পুরোনো দেয়ালের ওপর আবার গড়া হয়েছে। স্থানীয় জনশ্রুতি এলাকাটিকে খান জাহান আলীর সময় আর বারো আউলিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে; অনেকের মতে বারোবাজার নামও সেখান থেকে।

জোড় বাংলা এক গম্বুজের ছোট মসজিদ, পাশে কয়েকটি কবর, খুঁটি আর দেয়ালে সমৃদ্ধ পোড়ামাটির কাজ; গোরার মসজিদ কাছেই আরেকটি এক গম্বুজের ভবন। সবচেয়ে বড়টি, গলাকাটা, আলাদা পাতায় আছে। জায়গাগুলো কয়েক কিলোমিটার গ্রামের রাস্তায় ছড়ানো, তাই ভ্যান বা ইজিবাইকে ঘোরা সহজ।

যাওয়ার পথ: ঝিনাইদহ থেকে বাসে কালীগঞ্জ হয়ে বারোবাজার, প্রায় ৪৫ মিনিট; অথবা ট্রেনে বারোবাজার স্টেশন।

যা করতে পারেন

  • জোড় বাংলার খুঁটির পোড়ামাটির কাজ কাছ থেকে দেখুন।
  • একটা ভ্যান নিয়ে এক মসজিদ থেকে আরেকটিতে যান।

জেনে রাখা ভালো

  • এগুলো চালু মসজিদ; নামাজের মাঝের সময়ে যান, শালীন পোশাক পরুন।

কীভাবে যাবেন

ঝিনাইদহ গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

মসজিদ ও মাজারRanamd048 · CC BY-SA 4.0

গলাকাটা মসজিদ

০ কিমি, ঝিনাইদহ

বারোবাজারের মসজিদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়: গলাকাটা দিঘির পাশে ছয় গম্বুজের সুলতানি ভবন, ১৯৯২–৯৩ সালের খননের পর আবার গড়া।

পার্ক ও পিকনিক স্পট

মল্লিকপুরের বটগাছ

১০ কিমি, ঝিনাইদহ

কালীগঞ্জের কাছে একটি বটগাছ, যার ঝুরি নেমে নেমে কয়েক একর জুড়ে বন হয়ে গেছে; প্রায়ই এশিয়ার অন্যতম বড় বটগাছ বলা হয়।

মন্দিরSagor Bosu · CC BY-SA 4.0

নলডাঙ্গা রাজবাড়ির মন্দির

১৫ কিমি, ঝিনাইদহ

কালীগঞ্জের কাছে পুরোনো নলডাঙ্গা জমিদারদের মন্দির, উঁচু ইটের দেবালয়ের একটি গুচ্ছ, যেখানে এখনও ভক্ত আর দর্শনার্থী আসেন।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধTanvir Rahat · CC BY-SA 4.0

যশোর কালেক্টরেট ভবন

১৭ কিমি, যশোর

ভৈরবের তীরে দড়াটানায় সুদর্শন দোতলা কালেক্টরেট ভবন, ১৭৮৬ সালে জেলার প্রথম প্রশাসক টিলম্যান হেঙ্কেলের প্রস্তাবে নির্মিত, তখন থেকেই জেলা প্রশাসনের দপ্তর; নদীর ধারের প্রাঙ্গণ এখন সন্ধ্যার আড্ডার জায়গা।

দুর্গ ও জমিদারবাড়িMofrad Hossain Alindo · CC BY-SA 4.0

চাঁচড়া রাজবাড়ি

১৯ কিমি, যশোর

যশোর শহরের প্রান্তে চাঁচড়ার পুরোনো জমিদারবাড়ি, আঠারো বা উনিশ শতকের, পরিবারের গড়া মন্দিরসহ; এখন জীর্ণ দশা।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান

শতখালীর চণ্ডীদাস ও রজকিনীর ঘাট

২২ কিমি, মাগুরা

স্থানীয় ঐতিহ্যে কবি চণ্ডীদাস আর রজকিনীর বসতভিটা: যে দহে তিনি মাছ ধরতেন, আর তার ওপারে ধোপাখালী, যেখানে মেলে পুরোনো মৃৎপাত্রের টুকরো।

অবস্থান

বারোবাজারের প্রাচীন মসজিদ, ঝিনাইদহ

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।