স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, ঢাকা
কার্জন হলCurzon Hall
- সময় লাগে
- আধা ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
- খরচ
- চত্বর দেখা বিনামূল্যে।
১৯০৪ সালের লাল ইটের ভবন, ইউরোপীয় আর মোগল রীতির মিশেল, এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ আর শহরের প্রিয় স্থাপনাগুলোর একটি।
এক নজরে
- ভিত্তিপ্রস্তর
- ১৯০৪, লর্ড কার্জন
- বর্তমানে
- বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সম্পর্কে
১৯০৪ সালে ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, তখন ঢাকা নতুন পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হতে যাচ্ছিল। খিলানের জানালা, ঝরোখা বারান্দা আর কোণের গম্বুজওয়ালা মিনার এর চেহারা গড়েছে।
ভবনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে ব্যবহৃত, তবে সামনের চত্বর আর পুকুর খোলা, শিক্ষার্থীতে ভরা; ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলনেরও এটি ছিল একটি কেন্দ্র।
যাওয়ার পথ: মেট্রোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন, তারপর হেঁটে।
যা করতে পারেন
- কাছেই শহীদ মিনারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- শ্রেণিকক্ষে ঢুকবেন না; চত্বরই যথেষ্ট।






