Ferdous · CC BY-SA 4.0৫টির ১

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, কুমিল্লা

কুমিল্লা ওয়ার সিমেট্রিComilla War Cemetery

সময় লাগে
আধা ঘণ্টা।
সেরা মাস
অক্টো–মার্চ
খরচ
বিনা মূল্যে।

ক্যান্টনমেন্ট রোডে কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধিক্ষেত্র: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বার্মা ফ্রন্টের ৭৩৬ জন সৈনিক আর বৈমানিকের কবর, পুরোনো গাছের নিচে শান্ত সবুজ মাঠ।

ভ্রমণের পরিকল্পনা

খোলা থাকে
প্রতিদিন, দিনের আলোয়।

এক নজরে

কবর
৭৩৬
রক্ষণাবেক্ষণ
কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন

সম্পর্কে

চতুর্দশ বাহিনীর হাসপাতাল আর রসদের ঘাঁটি ছিল কুমিল্লা, এখানে যাঁরা মারা গেছেন তাঁদের এই মাঠে কবর, যা কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন এখনও দেখে রাখে। সবুজ মাঠে বাঁকা সারিতে ফলক: ব্রিটিশ, ভারতীয়, পূর্ব আর পশ্চিম আফ্রিকান, অস্ট্রেলীয়, কানাডীয় আর জাপানি মৃত, প্রত্যেকের নাম, রেজিমেন্ট আর প্রায়ই পরিবারের একটা লাইন। মুসলিম অংশ আলাদা।

চট্টগ্রামেরটা নিয়ে দেশে এমন সমাধিক্ষেত্র দুটি, প্রতিদিন খোলা।

যাওয়ার পথ: সেনানিবাসের কাছে কুমিল্লা–সিলেট রোডে, কান্দিরপাড় থেকে সিএনজিতে।

যা করতে পারেন

  • লিপিগুলো পড়ুন; গেটে নামের খাতা রাখা আছে।

জেনে রাখা ভালো

  • নীরব থাকুন; এটা সত্যিকারের সমাধিক্ষেত্র।

কীভাবে যাবেন

কুমিল্লা গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান

কোটিলা মুড়া

৩ কিমি, কুমিল্লা

শালবন থেকে ৫ কিলোমিটার উত্তরে ময়নামতি সেনানিবাসের ভেতরে এক সারিতে তিনটি স্তূপ, বুদ্ধ, ধর্ম আর সংঘের প্রতীক; টিলার সবচেয়ে ভালো রাখা স্তূপ, তবে সেনাবাহিনীর জমিতে।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানবিশ্বজিৎ দাস · CC BY-SA 4.0

ইটাখোলা মুড়া

৬ কিমি, কুমিল্লা

রূপবান মুড়ার রাস্তার ওপারে: পাহাড়ের গায়ে তিন ধাপে স্তূপ আর বিহার, একসময় এখান থেকে ইট পোড়ানো হতো বলে এই নাম, খননে পাওয়া সোনাভরা ধাতুগর্ভ।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানAfifa Afrin · CC BY-SA 4.0

রূপবান মুড়া

৬ কিমি, কুমিল্লা

ইটাখোলার উল্টো দিকে কোটবাড়ি রোডে বিহার আর মন্দিরের ঢিবি, ১৯৯০-এর দশকে খনন: বসা পাথরের বুদ্ধসহ অর্ধবৃত্তাকার মন্দির, টিলার সবচেয়ে পুরোনো আবিষ্কারের একটি (ষষ্ঠ–সপ্তম শতক)।

পার্ক ও পিকনিক স্পটBhfaisal427 · CC BY-SA 4.0

বার্ড ক্যাম্পাস, কোটবাড়ি

৬ কিমি, কুমিল্লা

১৯৫৯ সালে আখতার হামিদ খানের গড়া বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি: ধ্বংসাবশেষের পাশে লালমাইয়ের ঢালে সবুজ, পরিকল্পিত ক্যাম্পাস, যেখানে সমবায়ের কুমিল্লা মডেলের জন্ম, আর শহরের প্রিয় হাঁটার জায়গা।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানSakib Ahmed Nasim · CC BY-SA 3.0

শালবন বিহার

৭ কিমি, কুমিল্লা

ময়নামতির ধ্বংসাবশেষের মধ্যে সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে ভালো রাখা: মাঝের মন্দির ঘিরে ১১৫ কক্ষের চৌকো বৌদ্ধ বিহার, অষ্টম শতকের দিকে দেব রাজাদের গড়া, ১৯৫০-এর দশকে শালবন থেকে খুঁড়ে বের করা।

নদী, হ্রদ ও হাওরIbrahim Husain Meraj · CC BY-SA 3.0

ধর্মসাগর

৭ কিমি, কুমিল্লা

শহরের মাঝখানের বিশাল দিঘি, ১৪৫৮ সালে ত্রিপুরার রাজা ধর্মমাণিক্যের খোঁড়া: হাঁটার জন্য এক কিলোমিটার পাড়, পাড়ে নজরুল স্মৃতিকেন্দ্র আর শহরের সন্ধ্যার হাওয়া।

অবস্থান

কুমিল্লা ওয়ার সিমেট্রি, কুমিল্লা

সূত্র 1

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।