মন্দির, শরীয়তপুর
ডিঙ্গামানিক: রামসাধুর আশ্রম ও রাম ঠাকুরের বাড়িDingamanik: Ram Sadhu's Ashram and Ram Thakur's Home
- সময় লাগে
- প্রায় এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
নড়িয়ার ডিঙ্গামানিকে শত বছরের পুরোনো আশ্রম, শীতের শেষে তিন দিনের মেলা; এই গ্রামেই ১৮৬০ সালে সাধক শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের জন্ম।
এক নজরে
- আশ্রম
- শত বছরের বেশি পুরোনো
- মেলা
- শীতের শেষে তিন দিন
- রাম ঠাকুর
- এখানে জন্ম ২ ফেব্রুয়ারি ১৮৬০; প্রয়াণ ১ মে ১৯৪৯
সম্পর্কে
নড়িয়ার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নে আছে রামসাধুর আশ্রম নামে শত বছরের পুরোনো একটি আশ্রম; প্রতি বছর শীতের শেষে একে ঘিরে বসে তিন দিনের মেলা। এ গ্রামেই বাস ছিল পণ্ডিত গোলকচন্দ্র সার্বভৌম আর কালীকিশোর স্মৃতিরত্নের।
ডিঙ্গামানিক শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের জন্মস্থান: ১৮৬০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রামচন্দ্র চক্রবর্তী নামে তাঁর জন্ম, পরে তিনি বাংলার অন্যতম প্রিয় সাধক হয়ে ওঠেন। ভক্তরা তাঁকে শ্রী কৈবল্যনাথ, শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ আর জাতি-ধর্মনির্বিশেষে সবার প্রতি দয়ার জন্য দয়াল ঠাকুর বলে ডাকেন। দুর্ভিক্ষ, দুই বিশ্বযুদ্ধ আর দেশভাগের দাঙ্গার সময় তিনি ঘুরে ঘুরে মানুষের পাশে ছিলেন; ১৯৪৯ সালের ১ মে নোয়াখালীতে তাঁর প্রয়াণ। গ্রামে আছে তাঁর বাড়ি আর শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণের সেবা মন্দির। একই ইউনিয়নের হোগলায় কার্তিকপুরের জমিদার বাড়িও বিখ্যাত।
যাওয়ার পথ: শরীয়তপুর শহর থেকে বাসে নড়িয়া, তারপর রিকশা বা অটোতে ডিঙ্গামানিক।
যা করতে পারেন
- আশ্রম, রাম ঠাকুরের বাড়ি আর সত্যনারায়ণের সেবা মন্দির দেখুন।
- শীতের শেষে তিন দিনের মেলায় আসুন।
জেনে রাখা ভালো
- মন্দিরে জুতা খুলুন, শালীন পোশাক পরুন।


