স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, শরীয়তপুর
সুরেশ্বর দরবার শরীফSureshwar Darbar Sharif
- সময় লাগে
- প্রায় এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
নড়িয়ায় পদ্মার পাড়ে সুফি দরবার, প্রতিষ্ঠাতা সাধক সাধনায় সুর ব্যবহার করতেন; তাঁর কণ্ঠের জন্যই গ্রামের নাম সুরেশ্বর।
এক নজরে
- প্রতিষ্ঠাতা
- শাহ সুফি আহমদ আলী (জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরী), মৃত্যু ১৯১৯
- প্রধান ওরস
- ২–৪ ফেব্রুয়ারি
- সুফি সম্মেলন
- ২৯ মে
সম্পর্কে
শাহ সুফি আহমদ আলী, যিনি জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরী নামে পরিচিত, গান আর গজল ভালোবাসতেন, তাঁর কণ্ঠ ছিল সুরেলা, আর সুরকেই তিনি আল্লাহর নৈকট্যের পথ করেছিলেন। ১৯০৭–১০ সালের জরিপে এক ইংরেজ কর্মকর্তা তাঁর গান শুনে গ্রামের নাম রাখেন সুরেশ্বর, সুর আর ঈশ্বর মিলিয়ে; মৌজাটি আজও সেই নামে নথিভুক্ত। ১৯১৯ সালে তাঁর ইন্তেকালের পর থেকে তাঁর পুত্র ও নাতিরা দরবার পরিচালনা করছেন।
দরবার এখন একেবারে পদ্মার পাড়ে, যদিও একসময় তীর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে ছিল; ১৮৬৯ সালে নদীর গতিপথ বদলানোর আগে এটি বিক্রমপুরের অংশ ছিল। প্রতি বছর ২–৪ ফেব্রুয়ারি প্রধান ওরস, ১৮ নভেম্বর প্রতিষ্ঠাতার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী, আর ২৯ মে দরবেশী সম্মেলন নামে সুফি সম্মেলন হয়। দরবারের অনুসারীরা চাঁদ দেখার উৎসবগুলো স্থানীয় নয়, বিশ্বে প্রথম চাঁদ দেখার হিসাবে পালন করেন।
যাওয়ার পথ: শরীয়তপুর থেকে বাস বা সিএনজিতে নড়িয়া, সেখান থেকে পদ্মার পাড়ে সুরেশ্বর।
যা করতে পারেন
- দরবারে যান, পদ্মার পাড়ে বসুন।
- সুর আর মানুষের ভিড় দেখতে ফেব্রুয়ারির শুরুর ওরসে আসুন।
জেনে রাখা ভালো
- শালীন পোশাক পরুন, দরবারের রীতি মেনে চলুন।
- নদীর পাড় ভাঙে: কিনারা থেকে দূরে থাকুন।

