নদী, হ্রদ ও হাওর, শরীয়তপুর
মহিষার ও দিগম্বরীর দিঘিMahisar and the Digambari Tanks
- সময় লাগে
- প্রায় এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
চাঁদ রায় ও কেদার রায়ের নির্দেশে পানীয় জলের জন্য খোঁড়া দুটি বিশাল দিঘি, দিগম্বরীর মন্দির, কাছে ভাঙা "ভিয়া বাড়ি", আর পহেলা বৈশাখ থেকে সপ্তাহব্যাপী মেলা।
এক নজরে
- খনন
- পানীয় জল, চাঁদ রায় ও কেদার রায়ের নির্দেশে
- মেলা
- পহেলা বৈশাখ থেকে এক সপ্তাহ
সম্পর্কে
মহিষার একসময় দক্ষিণ বিক্রমপুরের এক প্রসিদ্ধ স্থান ছিল। বারো ভূঁইয়া চাঁদ রায় ও কেদার রায়ের জন্ম আড়া ফুলবাড়িয়ায়, যা আজ নদীতে বিলীন; তাঁদের নির্দেশে এখানে পানীয় জলের জন্য দিঘি খোঁড়া হয়। তাঁদের রায়পুর গ্রামও পদ্মায় হারিয়ে গেছে, তাই নদীর এপারে এই দুটি বিশাল দিঘিই প্রায় একমাত্র স্মৃতি। পাশে আজও দেবী দিগম্বরীর পূজা হয়, তাই এদের নাম দিগম্বরীর দিঘি।
কিছুটা দূরে পোড়া ইটের একটি পুরোনো বাড়ি, এখন অন্য লোকের বসতি; স্থানীয়রা একে বলেন 'ভিয়া বাড়ি', ধারণা করা হয় 'ভুঁইয়া বাড়ি' লোকমুখে বদলে এই নাম। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ থেকে মহিষারে বসে এক সপ্তাহের মেলা। সুপ্রসিদ্ধ নৈয়ায়িক গঙ্গাচরণ ন্যায়রত্নের বাস ছিল এখানে, আর স্বাধীনতা সংগ্রামের কয়েকজনের জন্মও এখানে।
যাওয়ার পথ: মহিষার শরীয়তপুর শহরের পূর্বে, ভেদরগঞ্জের দিকে; বাস বা সিএনজিতে গিয়ে দিগম্বরীর দিঘি জিজ্ঞেস করুন।
যা করতে পারেন
- দুই দিঘি ঘুরে দিগম্বরীর মন্দির দেখুন।
- পোড়া ইটের "ভিয়া বাড়ি" খুঁজে দেখুন।
- পহেলা বৈশাখের মেলায় আসুন।
জেনে রাখা ভালো
- ভিয়া বাড়িতে মানুষের বাস: বাইরে থেকে দেখুন।


