প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, শরীয়তপুর
ফতেজঙ্গপুর দুর্গ ও কেদার রায়ের বেড়Fatehjangpur Fort and Kedar Rai's Moat
- সময় লাগে
- প্রায় দেড় ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
যেখানে মানসিংহের মুঘল বাহিনী কেদার রায়কে হারিয়ে শ্রীনগরের নাম রাখে ফতেজঙ্গপুর, আর কেদারপুরে কেদার রায়ের অসমাপ্ত নগরের পরিখা।
এক নজরে
- যুদ্ধ
- মানসিংহের মুঘল বাহিনী বনাম কেদার রায় (মৃত্যু ১৬০৩)
- আগের নাম
- শ্রীনগর
সম্পর্কে
কেদার রায় (১৫৬১–১৬০৩) ছিলেন বিক্রমপুরের রাজা, মুঘলদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো বারো ভূঁইয়ার একজন। মানসিংহ বিক্রমপুর আক্রমণ করলে তাঁর কিছু সহযোদ্ধা কেদার রায়ের কাছে পরাস্ত হয়ে এখানকার শ্রীনগরে আশ্রয় নেন, আর তাঁদের উদ্ধারে মানসিংহ বাহিনী পাঠান। প্রচণ্ড যুদ্ধে কেদার রায় আহত হন, পরে তাঁর মৃত্যু হয়। বিজয়ের চিহ্ন হিসেবে মানসিংহ এখানে দুর্গ গড়েন আর শ্রীনগরের নাম বদলে রাখেন ফতেজঙ্গপুর, অর্থাৎ যুদ্ধজয়ের নগর। এখানে আছে নাককাটা বাসুদেবের প্রস্তরমূর্তি।
কাছে কেদারপুরে কেদার রায় নতুন বাসস্থান আর নগর গড়া শুরু করেছিলেন, কিন্তু শেষ হওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। বাড়ির চারপাশে খুঁড়তে থাকা পরিখার ভগ্নাবশেষ আজও আছে, লোকে বলে কেদার রায়ের বাড়ির বেড়। দুটির কোনোটিরই বেশি কিছু টিকে নেই, তাই বারো ভূঁইয়ার শেষ লড়াইয়ের মাটিতে দাঁড়াতে চান যাঁরা, এ যাত্রা তাঁদের জন্য।
যাওয়ার পথ: শরীয়তপুর থেকে বাসে নড়িয়া, তারপর রিকশায় ফতেজঙ্গপুর; কেদারপুরও নড়িয়ায়।
যা করতে পারেন
- নাককাটা বাসুদেবের প্রস্তরমূর্তি দেখুন।
- কেদারপুরে কেদার রায়ের বেড়ের খোঁজ করুন।
জেনে রাখা ভালো
- পথনির্দেশ কম: স্থানীয়দের জিজ্ঞেস করুন, হাতে সময় নিয়ে যান।


