দুর্গ ও জমিদারবাড়ি, শরীয়তপুর

ছয়গাঁও জমিদার বাড়িChhaygaon Zamindar Bari

সময় লাগে
প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা।
সেরা মাস
নভে–ফেব্রু

ভেদরগঞ্জে দোতলা জমিদার বাড়ি, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের কয়েকজন নেতার বাসস্থান; ১৯৩০ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত এখানে ব্রিটিশ সেনাঘাঁটি ছিল।

এক নজরে

ব্রিটিশ সেনাঘাঁটি
১৯৩০–১৯৩৪
ভবন
দোতলা, বেশ ভালো অবস্থায়

সম্পর্কে

ছয়গাঁওয়ের জমিদার বংশ কবে, কার হাতে প্রতিষ্ঠিত, তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। যা মনে রাখা হয় তা হলো, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন আর ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের কয়েকজন প্রখ্যাত নেতা এই বাড়িরই সন্তান, আর তাঁদের কারণে ১৯৩০ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার এখানে সেনাঘাঁটি রেখেছিল।

বাড়িটি সুন্দর নকশার একটি দোতলা ভবন, আর অঞ্চলের অনেক জমিদার বাড়ির মতো ভেঙে না পড়ে এটি এখনো বেশ ভালো অবস্থায় টিকে আছে। জেলা প্রশাসন ছয়গাঁওয়ে বাহাদুর খলিলুর রহমান সিকদারের বাসস্থানকেও দর্শনীয় স্থানের তালিকায় রেখেছে। ভেদরগঞ্জের গ্রামের পথ সহজ থাকে, সেই শুকনো মাসে আসুন।

যাওয়ার পথ: শরীয়তপুর থেকে বাসে ভেদরগঞ্জ উপজেলা, তারপর রিকশা বা অটোতে ছয়গাঁও ইউনিয়ন।

যা করতে পারেন

  • উঠান থেকে দোতলা বাড়িটি দেখুন।

জেনে রাখা ভালো

  • ভেতরে যাওয়ার আগে অনুমতি নিন; সেখানে মানুষের বাস থাকতে পারে।

কীভাবে যাবেন

শরীয়তপুর গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

মসজিদ ও মাজার

বুড়িরহাট জামে মসজিদ

২ কিমি, শরীয়তপুর

১৯০৭ সালে ছন-গোলপাতায় শুরু, ১৯৩৫ সালে পাকা রূপ; টিপু সুলতান মসজিদের আদলে নকশা, ভেতরে রঙিন সিরামিকের লতাপাতা আর ৬০ ফুট উঁচু মিনার।

নদী, হ্রদ ও হাওর

মহিষার ও দিগম্বরীর দিঘি

৩ কিমি, শরীয়তপুর

চাঁদ রায় ও কেদার রায়ের নির্দেশে পানীয় জলের জন্য খোঁড়া দুটি বিশাল দিঘি, দিগম্বরীর মন্দির, কাছে ভাঙা "ভিয়া বাড়ি", আর পহেলা বৈশাখ থেকে সপ্তাহব্যাপী মেলা।

মন্দিরShuvajit BD · CC BY-SA 4.0

ধানুকার মনসা বাড়ি

৬ কিমি, শরীয়তপুর

ধানুকায় ময়ূর ভট্টের বাড়ি, প্রচলিত মতে প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো সংরক্ষিত মন্দিরগুচ্ছ, যেখানে আছে সর্পদেবী মনসার পিতলের প্রাচীন মূর্তি।

মন্দিরRadman Siddiki · CC BY 4.0

রুদ্রকর মঠ ও জমিদার বাড়ি

৬ কিমি, শরীয়তপুর

প্রায় ২০ মিটার উঁচু মন্দির, কোণে ছোট মন্দির, সামনে বিশাল পুকুর; পাশে চক্রবর্তী জমিদারদের "বাবুর বাড়ি"র ধ্বংসাবশেষ।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান

ফতেজঙ্গপুর দুর্গ ও কেদার রায়ের বেড়

৮ কিমি, শরীয়তপুর

যেখানে মানসিংহের মুঘল বাহিনী কেদার রায়কে হারিয়ে শ্রীনগরের নাম রাখে ফতেজঙ্গপুর, আর কেদারপুরে কেদার রায়ের অসমাপ্ত নগরের পরিখা।

মন্দির

ডিঙ্গামানিক: রামসাধুর আশ্রম ও রাম ঠাকুরের বাড়ি

১০ কিমি, শরীয়তপুর

নড়িয়ার ডিঙ্গামানিকে শত বছরের পুরোনো আশ্রম, শীতের শেষে তিন দিনের মেলা; এই গ্রামেই ১৮৬০ সালে সাধক শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের জন্ম।

অবস্থান

ছয়গাঁও জমিদার বাড়ি, শরীয়তপুর

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।