Azim Al Jabber · CC BY-SA 3.0৪টির ১

সমুদ্রসৈকত, চট্টগ্রাম

পারকি সমুদ্র সৈকতParki Beach

সময় লাগে
দুই ঘণ্টা।
সেরা মাস
নভে–মার্চ
খরচ
বিনা মূল্যে; গাড়িতে গেলে টানেলের টোল।

কর্ণফুলীর মোহনার আনোয়ারার দিকে ১৩ কিলোমিটার বালু আর ঝাউবন, পানির ওপারে পতেঙ্গার মুখোমুখি; শহরের সৈকতের চেয়ে নিরিবিলি, দিগন্তে বন্দরের জাহাজ, আর ২০২৩ থেকে পৌঁছানোর জন্য টানেল।

ভ্রমণের পরিকল্পনা

সেরা সময়
নভেম্বর থেকে মার্চ, পড়ন্ত বিকেল।

এক নজরে

দৈর্ঘ্য
প্রায় ১৩ কিলোমিটার
কোথায়
আনোয়ারা, কর্ণফুলীর মোহনার পূর্ব তীর, শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার

সম্পর্কে

পতেঙ্গা যা নয়, পারকি তা-ই: আসল বালু, বন বিভাগের লাগানো লম্বা ঝাউবন, আর জায়গা। এটা কর্ণফুলীর পূর্ব, আনোয়ারার তীরে, নদী যেখানে সাগরে খুলে গেছে; শহর থেকে সড়কে প্রায় ২০ কিলোমিটার, বা ২০২৩-এ বঙ্গবন্ধু টানেল খোলার পর নদীর নিচে কয়েক মিনিট। সৈকত দক্ষিণে বাঁশখালীর দিকে ১৩ কিলোমিটার, আর এখান থেকে পতেঙ্গার ভিড়ের মতোই একই জাহাজ আর একই সূর্যাস্ত, ওপার থেকে।

ঘূর্ণিঝড়ের পর বছরের পর বছর বালুতে আটকে থাকা ক্রিস্টাল গোল্ড নামের মালবাহী জাহাজ সৈকতের চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল। কয়েকটা দোকান, ঘোড়ায় চড়া আর দু-একটা রিসোর্ট; বেশিরভাগ দর্শনার্থী শহর থেকে সন্ধ্যার জন্য আসেন, অন্ধকারের পর ফেরেন।

যাওয়ার পথ: পতেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু টানেল দিয়ে গাড়ি বা সিএনজিতে প্রায় ১৫ মিনিট; অথবা বাসে আনোয়ারা, সেখান থেকে সিএনজিতে সৈকত।

যা করতে পারেন

  • দোকান ছাড়িয়ে ঝাউবন ধরে দক্ষিণে হাঁটুন।

জেনে রাখা ভালো

  • মোহনার স্রোত বিপজ্জনক; পা ভেজান, সাঁতার নয়। অন্ধকারের পর আলো কম।

কীভাবে যাবেন

চট্টগ্রাম গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

সমুদ্রসৈকতMoheen Reeyad · CC BY-SA 4.0

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

৫ কিমি, চট্টগ্রাম

শহরের সৈকত, ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে কর্ণফুলীর মোহনায়: বঙ্গোপসাগরমুখী লম্বা কংক্রিট আর পাথরের বাঁধ, দূরে অপেক্ষায় জাহাজ, মাছভাজার দোকান আর সূর্যাস্ত দেখতে বেরোনো গোটা চট্টগ্রাম।

জাদুঘরMoheen Reeyad · CC BY-SA 4.0

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর

১৫ কিমি, চট্টগ্রাম

আগ্রাবাদে দেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর: চাকমা, মারমা, গারো, সাঁওতাল, খাসিসহ নানা জনগোষ্ঠীর পোশাক, হাতিয়ার, ঘর আর হস্তশিল্পের গ্যালারি, ১৯৭৪ থেকে খোলা।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধAzim Al Jabber · CC BY 2.5

চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং

১৬ কিমি, চট্টগ্রাম

পুরোনো শহরের ওপরে পরীর পাহাড়ে ১৮৯৮ সালের লাল ইন্দো-সারাসেনিক আদালত ভবন: গম্বুজ, খিলানের সারি আর লম্বা সম্মুখভাগ, এখনো জেলা আদালত, নিচে ছড়ানো নদী আর বন্দর।

মসজিদ ও মাজারIqbal Hossain · CC BY-SA 4.0

আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ

১৭ কিমি, চট্টগ্রাম

ভেতরের দুর্গের টিলায় ১৬৬৭ সালের মুঘল মসজিদ, বাবা শায়েস্তা খান আরাকানিদের কাছ থেকে চট্টগ্রাম নেওয়ার পরের বছর বুজুর্গ উমেদ খানের গড়া; শহরের প্রধান মসজিদ, দরজার ওপর ফারসি শিলালিপি।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধAzim Al Jabber(azimiiuc@yahoo.com) · CC BY-SA 3.0

চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি

১৮ কিমি, চট্টগ্রাম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি, বাদশা মিয়া রোডে গাছের নিচে প্রায় সাতশ কবরের লন: বার্মা রণাঙ্গনে মারা যাওয়া ব্রিটেন, ভারত, আফ্রিকা, বার্মা, জাপান আর নেদারল্যান্ডসের সৈনিক ও বৈমানিক।

পার্ক ও পিকনিক স্পটMoheen Reeyad · CC BY-SA 4.0

ফয়’স লেক

১৯ কিমি, চট্টগ্রাম

১৯২৪ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের খুলশীর পাহাড়ের মাঝে বাঁধ দিয়ে তৈরি লেক, ইংরেজ প্রকৌশলীর নামে; এখন পানির চারপাশে বিনোদন পার্ক, নৌকা আর রিসোর্ট, শহরের পরিবার নিয়ে বেড়ানোর জায়গা।

অবস্থান

পারকি সমুদ্র সৈকত, চট্টগ্রাম

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।