স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধ, নেত্রকোণা
সাত শহীদের মাজার, লেঙ্গুরাSat Shahid Mazar, Lengura
- সময় লাগে
- আধা ঘণ্টা।
১৯৭১-এর ২৬ জুলাই নাজিরপুরে শহীদ সাত মুক্তিযোদ্ধার কবর, কলমাকান্দায় পাহাড়ের পাদদেশে লেঙ্গুরার ফুলবাড়িতে; সীমান্ত সড়কে স্মৃতিসৌধ।
এক নজরে
- তারিখ
- ২৬ জুলাই ১৯৭১, নাজিরপুরের যুদ্ধ
- কোথায়
- ফুলবাড়ি, লেঙ্গুরা ইউনিয়ন, কলমাকান্দা, গারো পাহাড়ের নিচে
সম্পর্কে
১৯৭১-এর ২৬ জুলাই কলমাকান্দার নাজিরপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পাশের তিন রাস্তার মোড়ে একদল মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে পাকিস্তানি বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ হয়, সাতজন শহীদ হন: ডা. আব্দুল আজিজ, ফজলুল হক, ইয়ার মাহমুদ, ভবতোষ চন্দ্র দাস, নূরুজ্জামান, দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাস ও জামাল উদ্দিন। সহযোদ্ধারা মরদেহ উত্তরে সীমান্তে গারো পাহাড়ের নিচে লেঙ্গুরা ইউনিয়নের ফুলবাড়িতে নিয়ে কবর দেন। জায়গাটা সাত শহীদের মাজার নামে পরিচিত, কখনো সপ্তশিখা।
কবরগুলোর ওপর এখন স্মৃতিসৌধ, আর প্রতি ২৬ জুলাই জেলা এখানে এসে শ্রদ্ধা জানায়। বছরের বাকিটা এটা সীমান্ত সড়কে নিরিবিলি এক জায়গা, মাথার ওপর কাছেই পাহাড়, কলমাকান্দা শহর থেকে যাওয়া যায়; চারপাশে লেঙ্গুরার গারো ও হাজং গ্রাম আর পাহাড়ি ছড়া।
যাওয়ার পথ: নেত্রকোণা শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে কলমাকান্দা, তারপর সিএনজি বা মোটরসাইকেলে উত্তরে লেঙ্গুরা, প্রায় ১২ কিলোমিটার।
যা করতে পারেন
- সাত কবরে শ্রদ্ধা জানান; ২৬ জুলাই স্মরণ অনুষ্ঠানে আসুন।
জেনে রাখা ভালো
- এটা সীমান্তে: পরিচয়পত্র রাখুন, পিলার থেকে দূরে থাকুন।





