গির্জা, নেত্রকোণা
রানীখং মিশনRanikhong mission
- সময় লাগে
- আধা থেকে এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
সোমেশ্বরী যেখানে বাংলাদেশে ঢুকেছে, তার ওপরের রানীখং টিলায় সাধু যোসেফের ক্যাথলিক ধর্মপল্লী: এ অঞ্চলের প্রথম গারো মিশন, ১৯১৫ থেকে এই টিলায়, গির্জার নিচে নদী আর পাহাড়।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- সেরা সময়
- দৃশ্যের জন্য শীতের সকাল; প্রার্থনার জন্য রবিবার।
এক নজরে
- মিশন শুরু
- ১৯১০–১১ তাউসালপাড়ায়; ১৯১৫ থেকে টিলায়
- ধর্মপল্লী
- সাধু যোসেফ, ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশ
- কোথায়
- বিজয়পুরের উত্তরে, সোমেশ্বরী যেখানে বাংলাদেশে ঢুকেছে সেই টিলায়
সম্পর্কে
১৯০৯ সালে পাঁচজন গারো নেতা হেঁটে ঢাকায় গিয়ে ক্যাথলিক বিশপের কাছে একজন পুরোহিত চান। ফাদার অ্যাডলফ ফ্রান্সিস ১৯১০-এর শেষে রানীখংয়ের কাছে তাউসালপাড়ায় কাজ শুরু করেন, ১৯১১-র মার্চে প্রথম একুশজনকে দীক্ষা দেন, ১৯১২-তে তাউসালপাড়ায় গারোদের প্রথম গির্জা গড়েন আর ১৯১৫-তে মিশন তুলে আনেন রানীখং টিলায়, যেখানে আজ সাধু যোসেফের ধর্মপল্লী। ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের বেশিরভাগ ক্যাথলিক গারো, আর তাঁদের গির্জার শুরু এই টিলায়।
ইতিহাসের মতো টিলাটাও আসার কারণ। সোমেশ্বরী যেখানে মেঘালয় ছেড়ে আসে, ঠিক সেখানে নদী থেকে সোজা উঠে গেছে এটা, আর স্কুল, কনভেন্ট আর গ্রোটোসহ গির্জার প্রাঙ্গণ থেকে নিচে পানি আর বালু, ওপারে গারো পাহাড় দেখা যায়। শীতের সকালে দুর্গাপুরের সেরা ভিউপয়েন্ট এটাই। প্রাঙ্গণটা চালু ধর্মপল্লী, সপ্তাহের দিনে নিরিবিলি, রবিবার সকালে ভরা।
যাওয়ার পথ: বিরিশিরি থেকে বিজয়পুর হয়ে ভাড়ার মোটরসাইকেল বা অটোতে প্রায় আধা ঘণ্টা; সীমান্তের আগে শেষ থামা এটাই।
যা করতে পারেন
- গির্জার প্রাঙ্গণে উঠে নদীর ওপারে গারো পাহাড় দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- স্কুল আর কনভেন্টের দিকে যাওয়ার আগে ধর্মপল্লীর অফিসে বলুন; শালীন পোশাক পরুন, গির্জার কাছে চুপ থাকুন।





