পাহাড়, নেত্রকোণা
বিজয়পুরের সাদা মাটির পাহাড়Bijoypur white clay hills
- সময় লাগে
- এক ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- অক্টো–ফেব্রু
বিজয়পুরে সীমান্তের নিচু সাদা চীনামাটির পাহাড়, ১৯৫০-এর দশক থেকে দেশের সিরামিকের জন্য খোঁড়া; পুরোনো কাটা জায়গায় সাদা আর গোলাপি খাড়া পাড়ের নিচে নীলচে-সবুজ পানির জলা।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- সেরা সময়
- শীতের সকাল আর পড়ন্ত বিকেল; বৃষ্টি শেষের পর জলা সবচেয়ে ভরা আর নীল।
এক নজরে
- কী
- কেওলিন (চীনামাটি) পাহাড়, ১৯৫০-এর দশক থেকে খনন
- স্বীকৃতি
- বিজয়পুরের সাদা মাটির জিআই স্বীকৃতি, ২০২১
- বিরিশিরি থেকে
- সোমেশ্বরী পেরিয়ে কয়েক কিলোমিটার উত্তরে
সম্পর্কে
বিরিশিরি থেকে সীমান্ত ধরে কয়েক কিলোমিটার উত্তরে কুল্লাগড়া ইউনিয়নে মাটি সাদা হয়ে যায়। এখানকার টিলা কেওলিন, চীনামাটি, আর ১৯৫০-এর দশক থেকে বাংলাদেশের সিরামিক শিল্পের বেশিরভাগ কাঁচামাল এখান থেকেই তোলা; বিজয়পুরের সাদা মাটি ২০২১ সালে নিজের জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। দশকের পর দশক কাটায় ধাপ আর গর্ত হয়েছে, আর যেখানে গর্তে বৃষ্টির পানি জমেছে, সাদা আর মরচে-গোলাপি দেয়ালের পাশে সেই পানি হয়েছে গাঢ় নীলচে-সবুজ। সেই রঙের ছবি তুলতেই সবাই আসে।
স্থানীয়রা যাকে নীলাপানি বলে, সেটাই সবচেয়ে পরিচিত জলা; কিনার থেকে গর্তগুলো, মেঘালয়ের টিলা পর্যন্ত গড়িয়ে যাওয়া মাটির পাহাড় আর অল্প হাঁটা দূরে সীমান্ত পিলার দেখা যায়। খোলা আর ঝলমলে, ছায়া নেই, তাই সকালে বা বিকেলে যান। চারপাশে খনির কাজ চলে, ট্রাক আর শ্রমিকসহ, আর গর্ত যা দেখায় তার চেয়ে গভীর: কারও সাঁতার কাটা উচিত নয়।
এখান থেকে রাস্তা টিলার ওপরের রানীখং মিশনে গেছে, তাই দুটো একসঙ্গে ঘোরা হয়।
যাওয়ার পথ: বিরিশিরি বা দুর্গাপুর থেকে ভাড়ার মোটরসাইকেল বা অটোতে সোমেশ্বরী পেরিয়ে বিজয়পুর হয়ে উত্তরে, প্রায় ২০ মিনিট।
যা করতে পারেন
- নীলাপানির ওপরের কিনারে দাঁড়িয়ে সাদা পাড়ের পাশে নীল পানি দেখুন।
- সীমান্ত পিলারের দিকে মাটির ধাপে হাঁটুন।
জেনে রাখা ভালো
- সাঁতার নয়: গর্ত গভীর, পাড় ভাঙে, মানুষ ডুবেছে।
- পানি আর টুপি নিন; জলার কাছে ছায়া বা দোকান নেই।
- পিলারের এপারে থাকুন; বিজিবি সীমান্তে টহল দেয়।




