পাহাড়, ময়মনসিংহ
গাবরাখালী গারো পাহাড় পর্যটন কেন্দ্রGabrakhali Garo Hills Tourist Centre
- সময় লাগে
- আধা দিন।
হালুয়াঘাটে ভারত সীমান্তে গারো পাহাড়ের ১৬৭টি সবুজ টিলা; চূড়া থেকে মেঘালয়ের পাহাড়, নিচে লেক আর গারো জাদুঘর।
এক নজরে
- যাত্রা
- ২০১৯-এ শুরু, ২০২০-এর মাঝামাঝি থেকে নির্মাণ
- আয়তন
- ১২৫ একর
- টিলা
- ১৬৭টি, প্রায় ৭০–২০০ ফুট উঁচু
সম্পর্কে
হালুয়াঘাটে ভারত সীমান্ত ঘেঁষে গারো পাহাড় নিচু সবুজ টিলার সারি হয়ে ময়মনসিংহে ঢুকেছে। ২০১৯ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমানের উদ্যোগে জেলা প্রশাসন গাবরাখালীর ১২৫ একর খাস জমিতে পর্যটন কেন্দ্র গড়ার কাজ শুরু করে; ২০২০ সালের মাঝামাঝি থেকে কাজ পুরোদমে চলে, আর মহাপরিকল্পনা ধরে এখনও এর বিস্তার চলছে। এখানে ছোট-বড় ১৬৭টি টিলা, উচ্চতা প্রায় ৭০ থেকে ২০০ ফুট; বড়গুলোতে ওঠার জন্য স্টিলের সিঁড়ি, আর চূড়াগুলোর নাম চিতাখলা, যশুর, মিতালী, বাতাসী।
চূড়া থেকে সীমান্তের ওপারে মেঘালয়ের পাহাড় দেখা যায়। নিচে প্যাডেল বোটসহ বিশাল লেক, প্রবেশপথের কাছে পাহাড় থেকে নেমে আসা পানি, গারো জাদুঘর, পিকনিক স্পট, শিশুপার্ক, কাঠের সেতু আর রেস্ট হাউস; উপজেলা কৃষি অফিস ঢালে লাগিয়েছে কাজুবাদাম, আগর, চা ও কফি। একসময় গাবরাখালীতে হাজং ও বানাই পরিবারের বাস ছিল, আর গারো পাহাড় পূর্বে ধোবাউড়া উপজেলা পর্যন্ত বিস্তৃত।
এখনো সবকিছু গুছিয়ে ওঠেনি: ভেতরে মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই, বিশুদ্ধ খাবার পানি নেই, ভালো খাবার কম, থাকার ভালো ব্যবস্থা নেই, আর যাওয়ার রাস্তাও খারাপ।
যাওয়ার পথ: ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ ব্রিজ থেকে বাসে হালুয়াঘাট, তারপর বাস বা সিএনজিতে গোবরাকুড়া হয়ে বর্ডার রোড; হালুয়াঘাট বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।
যা করতে পারেন
- চূড়ায় উঠে মেঘালয়ের দিকে তাকান।
- লেকে প্যাডেল বোটে ঘুরুন।
- গারো জাদুঘর দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- খাবার পানি ও খাবার সঙ্গে আনুন; ভেতরে দুটোই কম।
- কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই।





