প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, ফরিদপুর
মথুরাপুর দেউলMathurapur Deul
- সময় লাগে
- আধা ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
- খরচ
- বিনা মূল্যে।
মধুখালীর মথুরাপুরে পোড়ামাটির কাজে ঢাকা উঁচু বহুকোণ ইটের চূড়া, ষোড়শ বা সপ্তদশ শতকে নির্মিত; সংরক্ষিত পুরাকীর্তি।
এক নজরে
- উপজেলা
- মধুখালী
- নির্মাণ
- ষোড়শ–সপ্তদশ শতক
সম্পর্কে
জনশ্রুতি, এটি গড়েন সংগ্রাম সিংহ; ১৬৩৬ সালে ভূষণার জমিদার সত্রাজিতের মৃত্যুর পর তিনি এখানকার রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব পান এবং প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। কেউ কেউ একে আরও পুরোনো, ষোড়শ শতকের বলে মনে করেন।
চূড়াটি খাঁজকাটা তলে ওপরে উঠেছে, প্রতিটি প্যানেলে পোড়ামাটির মূর্তি আর নকশা। রাস্তার পাশেই, রাজবাড়ী বা মাগুরা যাওয়ার পথে সহজে দেখা যায়।
যাওয়ার পথ: ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বাসে মধুখালী, তারপর বালিয়াকান্দির পথে ইজিবাইকে প্রায় ২ কিমি।
যা করতে পারেন
- ধীরে চারপাশ ঘুরে পোড়ামাটির প্যানেল দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- সকাল বা বিকেলের আলোয় খোদাই সবচেয়ে ভালো দেখা যায়।



