জেলা গাইড

ফরিদপুরFaridpur

ঢাকা বিভাগ

৪

জায়গা

নভে–ফেব্রু

সেরা মাস

২–৩ ঘণ্টা

ঢাকা থেকে

যার জন্য পরিচিত

  1. ১

    কবির গ্রাম।

    নকশী কাঁথার মাঠ লিখে গ্রামবাংলাকে কবিতায় তুলে আনা পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের বেড়ে ওঠা কুমার নদের ধারে অম্বিকাপুরে। তাঁর বাড়ি, ছোট সংগ্রহশালা আর কবর ফরিদপুর শহর থেকে অল্প দূরে।

  2. ২

    পুরোনো ইট।

    ভাঙ্গার কাছে বিশাল দিঘির পাশে সুলতানি আমলের পাতরাইল মসজিদ, মধুখালীতে পোড়ামাটির কাজে ভরা উঁচু মথুরাপুর দেউল, আর সদরপুরে বাইশরশির জমিদারবাড়ি: জেলার তিন কোণে তিনটি বেড়ানো।

সেরা মৌসুম

জানু
ফেব্রু
মার্চ
এপ্রি
মে
জুন
জুলা
আগ
সেপ্টে
অক্টো
নভে
ডিসে

ভালোমোটামুটিনভে–ফেব্রু

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি শুকনো ও ঠান্ডা, গ্রামের পথ আর পুরোনো স্থাপনা দেখার সবচেয়ে সহজ সময়। বর্ষার পরে সেপ্টেম্বর–অক্টোবরে নদী সবচেয়ে ভরা।

কীভাবে যাবেন

বাস

ঢাকা

২–৩ ঘণ্টা

পদ্মা সেতু হয়ে

ট্রেন

ঢাকা

পদ্মা সেতুর রেলপথে ভাঙ্গা

ঘুরে বেড়ানো

ফরিদপুর শহর

উপজেলায় বাস আর সিএনজি

পদ্মা সেতু হওয়ার পর ঢাকা থেকে বাসে ফরিদপুর প্রায় ২ থেকে ৩ ঘণ্টা; সেতুর রেলপথে ভাঙ্গা পর্যন্ত আর পুরোনো লাইনে ফরিদপুর পর্যন্ত ট্রেনও চলে। জেলার ভেতরে বাস আর সিএনজিতে ভাঙ্গা, মধুখালী ও সদরপুর যাওয়া যায়।

স্থানীয় খাবার

  • নদীর মাছঅবশ্যই চেখে দেখুন

    পদ্মা আর কুমার থেকে

পদ্মা আর কুমারের নদীর মাছ, আর গ্রামের শীতের খেজুরের গুড়।

দেখার মতো জায়গা

দুর্গ ও জমিদারবাড়িমোঃ সাকিবুল হাসান · CC BY-SA 4.0

বাইশরশি জমিদার বাড়ি

সদরপুরে বাইশরশি জমিদারদের বাড়ি; লবণ ব্যবসায়ী এক পরিবার, যাদের জমিদারি আনুমানিক ১৮০০ সাল থেকে বেড়ে বরিশাল পর্যন্ত ছড়ায়।

জাদুঘরmyself · Public domain

পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের বাড়ি

ফরিদপুর শহরের কাছে অম্বিকাপুরে পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের (১৯০৩–১৯৭৬) পৈতৃক বাড়ি; ছোট সংগ্রহশালা আর তাঁর কবর।

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানRakibul Islam Biswas · CC BY-SA 4.0

মথুরাপুর দেউল

মধুখালীর মথুরাপুরে পোড়ামাটির কাজে ঢাকা উঁচু বহুকোণ ইটের চূড়া, ষোড়শ বা সপ্তদশ শতকে নির্মিত; সংরক্ষিত পুরাকীর্তি।

মসজিদ ও মাজারঅরণ্য · CC BY-SA 3.0

পাতরাইল মসজিদ

ভাঙ্গার কাছে সুলতানি আমলের ইটের মসজিদ, মজলিশ আউলিয়া মসজিদ নামেও পরিচিত; পাশে বিশাল দিঘি আর আঙিনায় মাজার।

সূত্র 2

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

এই গাইডটি অফলাইনে নিয়ে যান।

একই গাইড, প্রতিটি জায়গা আর ছবি, ইন্টারনেট ছাড়াই আপনার ফোনে। পৌঁছে জেলাটি চিহ্নিত করুন।