মন্দির, রাজবাড়ী

নলিয়া জোড় বাংলা মন্দিরNalia Jor Bangla Temple

সময় লাগে
আধা ঘণ্টা।
সেরা মাস
নভে–ফেব্রু
খরচ
বিনা মূল্যে।

বালিয়াকান্দির নলিয়ায় পাশাপাশি দুটি মন্দির, ১৬৫৫ সালে রাজা সীতারাম রায় প্রতিষ্ঠা করেন; একটির চূড়া আছে, অন্যটির নেই।

এক নজরে

প্রতিষ্ঠা
১৬৫৫, রাজা সীতারাম রায়
উপজেলা
বালিয়াকান্দি

সম্পর্কে

রাজা সীতারাম রায় মন্দির আর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর অনুরোধে শ্রী কৃষ্ণ রাম চক্রবর্তী নলিয়ায় এসে মন্দির ও বিগ্রহ দেখাশোনার দায়িত্ব নেন।

জোড় বাংলা রীতিতে কুঁড়েঘরের মতো দুটি চালা ইটে জোড়া হয়, যা বাংলার নিজস্ব স্থাপত্য।

যাওয়ার পথ: রাজবাড়ী শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে বালিয়াকান্দি, তারপর ইজিবাইকে নলিয়া।

যা করতে পারেন

  • চূড়াসহ আর চূড়াহীন দুটি মন্দির মিলিয়ে দেখুন।

জেনে রাখা ভালো

  • শালীন পোশাক পরুন; এটি ধর্মীয় স্থান।

কীভাবে যাবেন

রাজবাড়ী গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানRakibul Islam Biswas · CC BY-SA 4.0

মথুরাপুর দেউল

৫ কিমি, ফরিদপুর

মধুখালীর মথুরাপুরে পোড়ামাটির কাজে ঢাকা উঁচু বহুকোণ ইটের চূড়া, ষোড়শ বা সপ্তদশ শতকে নির্মিত; সংরক্ষিত পুরাকীর্তি।

নদী, হ্রদ ও হাওর

কল্যাণ দিঘি

১৩ কিমি, রাজবাড়ী

রাজবাড়ীর পুরোনো বড় দিঘি, পাড় ধরে হাঁটার শান্ত জায়গা।

গ্রাম ও জনপদ

বাবুখালীর ঘোড়দৌড় ও মেলা

১৬ কিমি, মাগুরা

মহম্মদপুরের বাবুখালীতে আনুমানিক ১৮৯৮ সাল থেকে ১৬ মাঘ অনুষ্ঠিত ঘোড়দৌড়, ঘিরে তিন দিনের মেলা, জারি আর সারি গান।

জাদুঘরmyself · Public domain

পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের বাড়ি

২০ কিমি, ফরিদপুর

ফরিদপুর শহরের কাছে অম্বিকাপুরে পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের (১৯০৩–১৯৭৬) পৈতৃক বাড়ি; ছোট সংগ্রহশালা আর তাঁর কবর।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধBhoboghure · CC BY 4.0

মুজদিয়ায় কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি

২২ কিমি, মাগুরা

শ্রীপুরের মুজদিয়ায় কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি, যেখানে তিনি ১৯৫২ সালে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন, আর তাঁর নামের পাঠাগার।

দুর্গ ও জমিদারবাড়ি

শ্রীপুর জমিদার বাড়ি

২২ কিমি, মাগুরা

শ্রীপুরে পাল চৌধুরী জমিদারদের বাড়ি, রবীন্দ্রনাথের ‘বৌ-ঠাকুরানীর হাট’-এর কাহিনির সঙ্গে জড়িত; সিংহদরজা আর ভেতরবাড়ির কিছু ঘর এখনো দাঁড়িয়ে।

অবস্থান

নলিয়া জোড় বাংলা মন্দির, রাজবাড়ী

সূত্র 1

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।