সমুদ্রসৈকত, চট্টগ্রাম
গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতGuliakhali Beach
- সময় লাগে
- দুই ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- অক্টো–মার্চ
- খরচ
- বিনা মূল্যে; সীতাকুণ্ড বাজার থেকে সিএনজির আসা-যাওয়াই একমাত্র খরচ।
দেশের আর কোনো সৈকতের মতো নয়, সীতাকুণ্ড উপকূলের মুরাদপুরে: সবুজ ঘাস আর কেওড়ার ম্যানগ্রোভ ঢেউ আর নালা হয়ে সোজা সাগরে নেমে গেছে, নৌকা, বক আর খোলা আকাশ। ২০১৪ পর্যন্ত অজানা, এখন সংরক্ষিত পর্যটন এলাকা।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- সেরা সময়
- অক্টোবর থেকে মার্চ, ভাটায় পড়ন্ত বিকেল।
এক নজরে
- অন্য নাম
- মুরাদপুর সৈকত
- সংরক্ষিত
- প্রায় ২৫৯ একর সংরক্ষিত পর্যটন এলাকা ঘোষণা, ২০২০
- সীতাকুণ্ড বাজার থেকে
- প্রায় ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে
সম্পর্কে
গুলিয়াখালী সীতাকুণ্ড উপকূলের এমন এক অংশ যেখানে নদীর মোহনা বালুর বদলে সবুজ তীর গড়েছে: জোয়ারের নালায় কাটা গোল গোল ঢিবির ঘাসের গালিচা, পানিতে দাঁড়ানো ছড়ানো কেওড়া গাছ, আর ওপারে সাগর। জোয়ারে নালা ভরে ঢিবিগুলো ছোট দ্বীপ হয়ে যায়; ভাটায় ঘাস আর কাদার ওপর দিয়ে অনেক দূর হাঁটা যায়। তীরে মাছধরা নৌকা ওঠে, অগভীরে সাদা বক।
২০১৪ সালে চুয়েটের একদল ছাত্র ছবি পোস্ট করার আগে গ্রামের বাইরে প্রায় কেউ এটা চিনত না। কয়েক বছরেই এটা জেলার সবচেয়ে বেশি ছবি তোলা জায়গাগুলোর একটা হয়ে ওঠে, আর ২০২০ সালে সরকার এখানকার উপকূলীয় বনের প্রায় ২৫৯ একর সংরক্ষিত পর্যটন এলাকা ঘোষণা করে। এখনো কিছু বানানো হয়নি: হোটেল নেই, পথের শেষে কয়েকটা চায়ের দোকান, আর সাগর।
পড়ন্ত বিকেলে যান, যখন ঘাসের ওপর আলো সমান হয়ে পড়ে আর নৌকা ফেরে।
যাওয়ার পথ: বাসে সীতাকুণ্ড বাজার, তারপর সিএনজিতে মুরাদপুর হয়ে পশ্চিমে পথের শেষ পর্যন্ত, ২০–৩০ মিনিট।
যা করতে পারেন
- ভাটায় ঘাসের ঢিবির ওপর দিয়ে হাঁটুন, কেওড়া গাছের পাশে বসে সূর্যাস্ত দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- জোয়ারের সময় জেনে নিন: নালা দ্রুত ভরে, কাদা গভীর। সাঁতার নয়।
- আবর্জনা সঙ্গে ফেরত নিন; ঘাসটাই সবার আসার কারণ।






