পাহাড়, চট্টগ্রাম
চন্দ্রনাথ পাহাড়Chandranath Hill
- সময় লাগে
- ওঠা-নামায় তিন থেকে চার ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–মার্চ
- খরচ
- বিনা মূল্যে; মন্দিরে সামান্য দান।
সীতাকুণ্ডের ওপরে হাজার ফুটের পাহাড়, চূড়ায় চন্দ্রনাথ শিবমন্দির, এক শক্তিপীঠ আর জেলার বড় তীর্থ; খাড়া সিঁড়ি আর বনের পথে ওঠা, চূড়া থেকে সাগর আর পাহাড়, আর শিবচতুর্দশীতে লাখো তীর্থযাত্রী।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- সেরা সময়
- ওঠার জন্য শীতের ভোর; তীর্থের জন্য শিবচতুর্দশী (ফেব্রুয়ারি বা মার্চ)।
এক নজরে
- উচ্চতা
- প্রায় ১,০২০ ফুট (৩১০ মিটার)
- পবিত্রতা
- একটি শক্তিপীঠ; চূড়ায় চন্দ্রনাথ শিবমন্দির
- মেলা
- শিবচতুর্দশী, তিন দিন, ফেব্রুয়ারি বা মার্চ
সম্পর্কে
সীতাকুণ্ডের পাহাড় উপমহাদেশজুড়ে হিন্দুদের পবিত্র ভূমি: প্রচলিত মতে সতীর ডান হাত এখানে পড়েছিল, তাই এটা একটা শক্তিপীঠ, আর প্রায় ১,০২০ ফুট ওপরে চূড়ার চন্দ্রনাথ মন্দির শত শত বছরের তীর্থযাত্রার গন্তব্য। পথ শুরু শহরের কিনারে সীতাকুণ্ড মন্দির চত্বর থেকে, নিচের ঢালের শম্ভুনাথসহ অন্য মন্দির পেরিয়ে, তারপর লম্বা পাথরের সিঁড়ি আর অমসৃণ বনের পথে ওঠা, বেশিরভাগ মানুষের দেড় ঘণ্টা লাগে। চূড়া থেকে বঙ্গোপসাগর, মহাসড়ক, ধানখেত আর উত্তরে চলে যাওয়া সবুজ টিলা, সব এক নজরে।
শিবচতুর্দশীতে, ফেব্রুয়ারি বা মার্চে মহাশিবরাত্রির অমাবস্যায়, তিন দিনের মেলায় কয়েক লাখ তীর্থযাত্রী আসেন; সিঁড়ি হয়ে যায় মানুষের ধীর নদী, শহর হয়ে যায় বাজার। বছরের বাকিটা এটা মন্দিরওয়ালা এক পাহাড়ি হাঁটা, ভোরে চট্টগ্রামের হাঁটিয়েদের প্রিয়। সহস্রধারার উষ্ণ প্রস্রবণ আর ইকোপার্ক একই পাহাড়ের ঢালে।
যাওয়ার পথ: শহর থেকে ঢাকামুখী যেকোনো বাসে সীতাকুণ্ড বাজার, প্রায় এক ঘণ্টা, তারপর সিএনজি বা ২০ মিনিট হেঁটে মন্দিরের গেট, যেখান থেকে সিঁড়ি শুরু।
যা করতে পারেন
- সূর্যোদয়ের আগে সিঁড়ি বেয়ে উঠুন, চূড়া থেকে সাগরে আলো পড়া দেখুন।
- নামার পথে নিচের মন্দির আর সীতাকুণ্ড চত্বর দেখুন।
জেনে রাখা ভালো
- পানি নিন, সকাল সকাল যান; সিঁড়ি খাড়া, ছায়া কম। বৃষ্টির পর বনের পথ পিচ্ছিল।
- মন্দিরে জুতা খুলুন; মেলার সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন, দামি জিনিস সামলে রাখুন।






