Saptorsikundu18 · CC BY-SA 4.0৫টির ১

পাহাড়, চট্টগ্রাম

চন্দ্রনাথ পাহাড়Chandranath Hill

সময় লাগে
ওঠা-নামায় তিন থেকে চার ঘণ্টা।
সেরা মাস
নভে–মার্চ
খরচ
বিনা মূল্যে; মন্দিরে সামান্য দান।

সীতাকুণ্ডের ওপরে হাজার ফুটের পাহাড়, চূড়ায় চন্দ্রনাথ শিবমন্দির, এক শক্তিপীঠ আর জেলার বড় তীর্থ; খাড়া সিঁড়ি আর বনের পথে ওঠা, চূড়া থেকে সাগর আর পাহাড়, আর শিবচতুর্দশীতে লাখো তীর্থযাত্রী।

ভ্রমণের পরিকল্পনা

সেরা সময়
ওঠার জন্য শীতের ভোর; তীর্থের জন্য শিবচতুর্দশী (ফেব্রুয়ারি বা মার্চ)।

এক নজরে

উচ্চতা
প্রায় ১,০২০ ফুট (৩১০ মিটার)
পবিত্রতা
একটি শক্তিপীঠ; চূড়ায় চন্দ্রনাথ শিবমন্দির
মেলা
শিবচতুর্দশী, তিন দিন, ফেব্রুয়ারি বা মার্চ

সম্পর্কে

সীতাকুণ্ডের পাহাড় উপমহাদেশজুড়ে হিন্দুদের পবিত্র ভূমি: প্রচলিত মতে সতীর ডান হাত এখানে পড়েছিল, তাই এটা একটা শক্তিপীঠ, আর প্রায় ১,০২০ ফুট ওপরে চূড়ার চন্দ্রনাথ মন্দির শত শত বছরের তীর্থযাত্রার গন্তব্য। পথ শুরু শহরের কিনারে সীতাকুণ্ড মন্দির চত্বর থেকে, নিচের ঢালের শম্ভুনাথসহ অন্য মন্দির পেরিয়ে, তারপর লম্বা পাথরের সিঁড়ি আর অমসৃণ বনের পথে ওঠা, বেশিরভাগ মানুষের দেড় ঘণ্টা লাগে। চূড়া থেকে বঙ্গোপসাগর, মহাসড়ক, ধানখেত আর উত্তরে চলে যাওয়া সবুজ টিলা, সব এক নজরে।

শিবচতুর্দশীতে, ফেব্রুয়ারি বা মার্চে মহাশিবরাত্রির অমাবস্যায়, তিন দিনের মেলায় কয়েক লাখ তীর্থযাত্রী আসেন; সিঁড়ি হয়ে যায় মানুষের ধীর নদী, শহর হয়ে যায় বাজার। বছরের বাকিটা এটা মন্দিরওয়ালা এক পাহাড়ি হাঁটা, ভোরে চট্টগ্রামের হাঁটিয়েদের প্রিয়। সহস্রধারার উষ্ণ প্রস্রবণ আর ইকোপার্ক একই পাহাড়ের ঢালে।

যাওয়ার পথ: শহর থেকে ঢাকামুখী যেকোনো বাসে সীতাকুণ্ড বাজার, প্রায় এক ঘণ্টা, তারপর সিএনজি বা ২০ মিনিট হেঁটে মন্দিরের গেট, যেখান থেকে সিঁড়ি শুরু।

যা করতে পারেন

  • সূর্যোদয়ের আগে সিঁড়ি বেয়ে উঠুন, চূড়া থেকে সাগরে আলো পড়া দেখুন।
  • নামার পথে নিচের মন্দির আর সীতাকুণ্ড চত্বর দেখুন।

জেনে রাখা ভালো

  • পানি নিন, সকাল সকাল যান; সিঁড়ি খাড়া, ছায়া কম। বৃষ্টির পর বনের পথ পিচ্ছিল।
  • মন্দিরে জুতা খুলুন; মেলার সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন, দামি জিনিস সামলে রাখুন।

কীভাবে যাবেন

চট্টগ্রাম গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

পার্ক ও পিকনিক স্পটMd Raisul Islam2019 · CC BY-SA 4.0

সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক

৪ কিমি, চট্টগ্রাম

চন্দ্রনাথের নিচের বনে ঢাকা ঢালে উদ্ভিদ উদ্যান ও ইকোপার্ক, পথের শেষে সহস্রধারা আর সুপ্তধারা ঝরনা, একটা লেক আর উপকূলের দিকে ভিউপয়েন্ট।

সমুদ্রসৈকতSyed Sajidul Islam · CC BY-SA 4.0

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত

৭ কিমি, চট্টগ্রাম

দেশের আর কোনো সৈকতের মতো নয়, সীতাকুণ্ড উপকূলের মুরাদপুরে: সবুজ ঘাস আর কেওড়ার ম্যানগ্রোভ ঢেউ আর নালা হয়ে সোজা সাগরে নেমে গেছে, নৌকা, বক আর খোলা আকাশ। ২০১৪ পর্যন্ত অজানা, এখন সংরক্ষিত পর্যটন এলাকা।

ঝরনাOwais Al Qarni · CC BY-SA 4.0

খৈয়াছড়া ঝরনা

১৭ কিমি, চট্টগ্রাম

মীরসরাইয়ের ঝরনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়, বনে ঢাকা গিরিখাতে একটার ওপর একটা নয়টা মূল ধাপ, মহাসড়ক থেকে ছড়া ধরে ভেজা পাথুরে ট্রেকে যাওয়া; বর্ষা থেকে অক্টোবর সবচেয়ে ভালো।

নদী, হ্রদ ও হাওরHasib · CC BY-SA 4.0

মহামায়া লেক

২৩ কিমি, চট্টগ্রাম

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ, ২০১০-এ শেষ হওয়া সেচ বাঁধে মীরসরাইয়ের পাহাড়ের মাঝে আটকানো ১১ বর্গকিলোমিটার পানি: নৌকা, কায়াক, ওপারে ঝরনা আর চারদিকে সবুজ টিলা।

স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধRohan Uddin Fahad · CC BY-SA 3.0

বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার

৩০ কিমি, চট্টগ্রাম

নাসিরাবাদে টিলার ওপর পারস্যের সুফি বায়েজিদ বোস্তামীর নামে মাজার, মুঘল আমলের মসজিদ আর তীর্থযাত্রীদের খাওয়ানো বিরল বোস্তামী কাছিমে ভরা পুকুরসহ; প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভিড়।

পার্ক ও পিকনিক স্পটMoheen Reeyad · CC BY-SA 4.0

ফয়’স লেক

৩২ কিমি, চট্টগ্রাম

১৯২৪ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের খুলশীর পাহাড়ের মাঝে বাঁধ দিয়ে তৈরি লেক, ইংরেজ প্রকৌশলীর নামে; এখন পানির চারপাশে বিনোদন পার্ক, নৌকা আর রিসোর্ট, শহরের পরিবার নিয়ে বেড়ানোর জায়গা।

অবস্থান

চন্দ্রনাথ পাহাড়, চট্টগ্রাম

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।