mohammad fahim · CC BY-SA 4.0৬টির ১

বন, বাগেরহাট

ঢাংমারিDhangmari

সময় লাগে
আধা দিন; পারলে ইকো-লজে এক রাত।
সেরা মাস
নভে–ফেব্রু
খরচ
কয়েক ঘণ্টার জন্য বইঠার নৌকা কয়েকশ টাকা; অভয়ারণ্যের ভেতরে বনের প্রবেশ ফি প্রযোজ্য।

মোংলার ঠিক নিচে বনের কিনারের গ্রাম ও অভয়ারণ্য, যেখানে কাঠের নৌকায় নিঃশব্দে ম্যানগ্রোভের সরু খালে বইঠা বাওয়া যায়।

ভ্রমণের পরিকল্পনা

সেরা সময়
শীতের সকালে জোয়ারের সময়, যখন খাল ভরা আর ডলফিন খাবার খোঁজে।

এক নজরে

অভয়ারণ্য
ঢাংমারি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ২০১২, নদীর ডলফিনের জন্য

সম্পর্কে

করমজল ও হাড়বাড়িয়ার ইঞ্জিন নৌকা মূল নদী ধরে যায়। ঢাংমারি বন দেখার অন্য পথ: ডিঙিতে, বইঠায়, খালে। গ্রামটি মোংলার উল্টো দিকে পশুরের পশ্চিম পাড়ে, একটি বন স্টেশনের পাশে, আর এর পেছনের খালগুলো ঢাংমারি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের অংশ, যা ২০১২ সালে ঘোষিত হয় মিঠা ও লোনা পানির মিলনস্থলে খাবার খোঁজা গাঙ্গেয় ও ইরাবতী ডলফিন রক্ষায়। স্থানীয় মাঝিরা জোয়ারে আপনাকে খাঁড়িতে নিয়ে যান: খাল সরু হতে হতে ওপরে ডালপালা মিলে যায়, শব্দ বলতে শুধু বইঠা আর পাখি, আর কাদার পাড়ে কাঁকড়া, গুইসাপ ও হরিণের পায়ের লেখা।

ডলফিনই অভয়ারণ্যের অস্তিত্বের কারণ, আর শান্ত সকালে নদীতে একটি পাখনা দেখার সম্ভাবনা ভালোই। পশ্চিম ঢাংমারির একটি কমিউনিটি ইকো-লজে গ্রামবাসীর মাঝে রাত কাটানো যায়, যা আধা দিনের বইঠা বাওয়াকে বনের নিজস্ব ছন্দের কাছাকাছি নিয়ে যায়। শীতই মৌসুম; বর্ষায় খাল উত্তাল, গ্রাম ভেজা।

যাওয়ার পথ: মোংলা ঘাট থেকে পশুরের পশ্চিম পাড়ে অল্প নৌকা পারাপার, অথবা বানীশান্তা হয়ে সড়ক ও ট্রলারে।

যা করতে পারেন

  • গ্রামের মাঝির সঙ্গে জোয়ারে খালে বইঠা বান।
  • ভোরে নদীর পাড় থেকে ডলফিন দেখার চেষ্টা করুন।
  • কমিউনিটি লজে এক রাত থাকুন, পরিবারের সঙ্গে খান।

জেনে রাখা ভালো

  • খালে ঢোকার আগে বন স্টেশনে জিজ্ঞেস করুন; গার্ড লাগতে পারে।
  • ডিঙিতে ছায়া নেই; সকালে যান, গা ঢেকে রাখুন।

কীভাবে যাবেন

বাগেরহাট গাইড পড়ুন

কাছাকাছি

বন্যপ্রাণী ও জাতীয় উদ্যানUmme Saimum · CC BY-SA 4.0

করমজল

১ কিমি, বাগেরহাট

মোংলা থেকে নৌকায় এক ঘণ্টায় সুন্দরবনে বন বিভাগের প্রবেশদ্বার: কুমির প্রজনন কেন্দ্র, হরিণ, বানর, ম্যানগ্রোভের ভেতর দিয়ে কাঠের পথ আর পর্যবেক্ষণ টাওয়ার।

শহর ও ল্যান্ডমার্কFrancis Voon · CC BY 2.0

মোংলা ও পশুর নদীর তীর

৬ কিমি, বাগেরহাট

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর, পশুর নদীর তীরে সীমান্ত-শহর, যেখানে পণ্যবাহী জাহাজ, মাছ ধরার নৌকা আর সুন্দরবনের লঞ্চ একই চওড়া বাদামি নদী ভাগ করে নেয়।

বনHiroki Ogawa · CC BY 3.0

হাড়বাড়িয়া

১৫ কিমি, বাগেরহাট

গভীর বনে দিনের ভ্রমণ: চাঁদপাই রেঞ্জে এক কিলোমিটার কাঠের পথের শেষে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, মোংলা থেকে পশুর ধরে দুই ঘণ্টা, অনুমতি ও সশস্ত্র গার্ডসহ।

দুর্গ ও জমিদারবাড়িBhoboghure · CC BY 4.0

মোড়েলগঞ্জ কুঠিবাড়ি

২৭ কিমি, বাগেরহাট

১৮৪৯ সালের নীলকুঠির ধ্বংসাবশেষ, যা থেকে মোড়েলগঞ্জের নাম, আর এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নিহত কৃষকনেতা রহিমুল্লাহর স্মৃতি।

পার্ক ও পিকনিক স্পটNayan Farmer · CC BY-SA 4.0

চন্দ্রমহল ইকো পার্ক

২৭ কিমি, বাগেরহাট

রণজিতপুরে ৩৫ একরের ব্যক্তিগত পার্ক: হ্রদের ওপরে তাজমহলের আদলে প্রাসাদ, কাচের সুড়ঙ্গ দিয়ে যেতে হয়, প্রাচীন জিনিসের ভাণ্ডার, বাগান, মিনি চিড়িয়াখানা আর পিকনিকের মাঠ।

মসজিদ ও মাজারFaisal Photography · CC BY 4.0

নয় গম্বুজ মসজিদ

৩০ কিমি, বাগেরহাট

ঠাকুর দিঘির পশ্চিম পাড়ে বর্গাকার মসজিদ, আটটি ছোট গম্বুজে ঘেরা একটি বড় গম্বুজ, ভেতরে পোড়ামাটির ফুলের নকশা।

অবস্থান

ঢাংমারি, বাগেরহাট

সংশোধন জানান

সময়, ভাড়া আর খোলার সময় বদলায়। যাওয়ার আগে একবার যাচাই করে নিন।

গিয়েছেন? অ্যাপে চিহ্নিত করুন।

আপনার ঘুরে আসা জায়গা আর জেলা মানচিত্রে ভরে ওঠে, ব্যাজ অর্জন হয়, আর অফলাইনেও আপনার সঙ্গে থাকে।