বন, বাগেরহাট
হাড়বাড়িয়াHarbaria
- সময় লাগে
- মোংলা থেকে পুরো একদিন, নৌকায় প্রতি দিকে প্রায় দুই ঘণ্টা।
- সেরা মাস
- নভে–মার্চ
- খরচ
- অভয়ারণ্যের বাইরে বনে প্রবেশ দিনে বাংলাদেশিদের ৳১৫০, বিদেশিদের ৳২,০০০, সঙ্গে নৌকা, গার্ড ও ক্যামেরার ফি; অনুমতির ব্যবস্থা ট্যুর অপারেটর বা মাঝি করেন।
গভীর বনে দিনের ভ্রমণ: চাঁদপাই রেঞ্জে এক কিলোমিটার কাঠের পথের শেষে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, মোংলা থেকে পশুর ধরে দুই ঘণ্টা, অনুমতি ও সশস্ত্র গার্ডসহ।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- খোলা থাকে
- দিনে দুটি টিকিটের স্লট, সকাল ৯টা–দুপুর ১টা ও দুপুর ১টা–বিকেল ৫টা; জুন থেকে আগস্ট বন্ধ।
- সেরা সময়
- নভেম্বর থেকে মার্চ, সকালের স্লট।
এক নজরে
- রেঞ্জ
- চাঁদপাই, সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ
- পথ
- টাওয়ার পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার কাঠের পথ
- অনুমতি
- বন বিভাগের অনুমতি ও সশস্ত্র গার্ড
সম্পর্কে
হাড়বাড়িয়ায় এসে সুন্দরবন আর পার্ক থাকে না। ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রটি পশুরের পূর্ব পাড়ে, মোংলা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার ভাটিতে, চাঁদপাই রেঞ্জের ভেতরে; আর শুধু নৌকার পথটাই, করমজল পেরিয়ে ক্রমে চওড়া হওয়া নদী ধরে, দুই পাশে বন ছাড়া কিছু নেই, অর্ধেক অভিজ্ঞতা। জেটি থেকে কাঠের পথ এক কিলোমিটার গাছের ভেতরে, একটি পুকুর পেরিয়ে, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার পর্যন্ত; চারপাশের মাটি কাঁকড়ার গর্তে ভরা, সুন্দরী গাছ কাদা ফুঁড়ে শ্বাসমূল তুলেছে কাঁটার মতো, আর মাঝে মাঝে পাড়ে পায়ের ছাপ। বাঘ এখানে আছে। দেখার সম্ভাবনা কম, আর রাইফেল হাতে একজন বনরক্ষী প্রতিটি দলের সঙ্গে হাঁটেন, যা একই সঙ্গে ভরসা আর সতর্কবার্তা।
করমজলের চেয়ে শান্ত আর অনেক বেশি বুনো, আর বন বিভাগ দিনে দুটি স্লটে টিকিট দিয়ে দর্শনার্থী সীমিত রাখে। বাস্তবে পাখিই পুরস্কার: কয়েক জাতের মাছরাঙা, বক, শঙ্খচিল, আর শীতে নদীতে পরিযায়ী পাখি। বেশিরভাগ মানুষ মোংলা বা খুলনা থেকে দিনের ভ্রমণে আসেন, ফেরার পথে প্রায়ই করমজলসহ।
যাওয়ার পথ: শুধু নৌকায়, মোংলা ঘাট থেকে পশুর ধরে প্রায় ২০ কিলোমিটার ভাটিতে; ইঞ্জিন নৌকায় প্রায় দুই ঘণ্টা, লঞ্চে কম।
যা করতে পারেন
- ধীরে হাঁটুন, ওপরে যতটা, নিচেও ততটা তাকান: কাঁকড়া, কাদাখোঁচা, পায়ের ছাপ।
- জোয়ার-ভাটার বদলের সময় টাওয়ার থেকে নদী দেখুন।
- আলো থাকলে ফেরার পথে করমজলে থামুন।
জেনে রাখা ভালো
- মোংলা বা খুলনার অপারেটরের মাধ্যমে বুক করুন; অনুমতি, গার্ড আর নদীতে চলার মতো নৌকা তাঁরাই সামলান।
- অনুজ্জ্বল রঙের পোশাক পরুন, পানি ও টুপি নিন; মোংলার পরে কেনার কিছু নেই।
- করমজলের পরে মোবাইল সিগন্যাল কমে যায়।





