দৃষ্টিনন্দন স্থান, শরীয়তপুর
পদ্মা সেতুPadma Bridge
- সময় লাগে
- পার হতে প্রায় ১৫ মিনিট।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
দেশের দীর্ঘতম সেতু, পদ্মার ওপর ৬.১৫ কিলোমিটার, ওপরে সড়ক নিচে রেল, নেমেছে জাজিরায়; চালু ২০২২ সালের ২৫ জুন।
এক নজরে
- দৈর্ঘ্য
- ৬.১৫ কিলোমিটার, ৪১টি স্প্যান
- চালু
- ২৫ জুন ২০২২
- স্তর
- ওপরে চার লেনের সড়ক, নিচে রেল
- পাইলের গভীরতা
- ১২৭ মিটার, বিশ্বে সর্বোচ্চ
সম্পর্কে
পদ্মা সেতু মুন্সীগঞ্জের লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরার সঙ্গে যুক্ত করেছে, সামান্য অংশ মাদারীপুরের শিবচরে। এটি দোতলা ইস্পাতের ট্রাস সেতু: ওপরে চার লেনের মহাসড়ক, নিচে একক রেললাইন; প্রায় ১৫০ মিটারের ৪১টি স্প্যান, মোট ৬.১৫ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু, আর এর পাইল নেমেছে ১২৭ মিটার গভীরে, পৃথিবীর যেকোনো সেতুর চেয়ে বেশি। এত চওড়া আর গভীর নদীর ওপর এটি গড়াকে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন নির্মাণকাজ ধরা হয়।
২০২২ সালের ২৫ জুন চালুর পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সড়কপথে সরাসরি ঢাকার সঙ্গে যুক্ত হয়; গড়ে প্রতিদিন ১৫ হাজারের বেশি যানবাহন পার হয়। শরীয়তপুরের কাছে এটিই জেলার সদর দরজা: ঢাকার বাস এটি পেরিয়ে জাজিরায় নামে, আর ঢাকা–যশোর রেলপথের ট্রেন থামে এর দক্ষিণ প্রান্তের পদ্মা স্টেশনে। সেতুটি দেখার সেরা উপায় দিনের আলোয় বাস বা ট্রেনে পার হওয়া।
যাওয়ার পথ: ঢাকা–শরীয়তপুরের প্রতিটি বাস এটি পার হয়; দক্ষিণ প্রান্তে শিবচরে পদ্মা স্টেশন।
যা করতে পারেন
- নদী দেখতে দিনের আলোয় বাসে পার হোন।
- নিচের রেলপথে ট্রেনে পদ্মা স্টেশন পর্যন্ত যান।
জেনে রাখা ভালো
- দিনের আলোয় পার হোন: রাতে নদীর প্রায় কিছুই দেখা যায় না।





