দ্বীপ, নোয়াখালী
নিঝুম দ্বীপNijhum Dwip
- সময় লাগে
- যাতায়াতসহ দুই রাত।
- সেরা মাস
- নভে–ফেব্রু
- খরচ
- চেয়ারম্যান ঘাট থেকে এক পথে নৌকা আর মোটরসাইকেল প্রায় ৳৫০০–১,০০০; ঘর ৳৮০০–৩,০০০।
হাতিয়ার দক্ষিণ মাথায় "নীরব দ্বীপ": ১৯৭০-এর দশকের চরে লাগানো ম্যানগ্রোভ বন, হাজার হাজার চিত্রা হরিণ, চওড়া সৈকত, শীতের পাখি আর খোলা সাগরে সূর্যাস্ত; ২০০১ থেকে জাতীয় উদ্যান।
ভ্রমণের পরিকল্পনা
- সেরা সময়
- ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি; হরিণের জন্য ভোর।
এক নজরে
- জাতীয় উদ্যান
- ২০০১
- হরিণ
- চিত্রা হরিণ, ১৯৭৮ থেকে ছাড়া
- বন লাগানো
- ১৯৭২ থেকে
সম্পর্কে
১৯৫০-এর দশকে মেঘনার মোহনায় একগুচ্ছ চর হয়ে দ্বীপটা জাগে। বন বিভাগ ১৯৭২ থেকে এর ওপর কেওড়া ম্যানগ্রোভ লাগায় আর কয়েক জোড়া চিত্রা হরিণ ছাড়ে, যা বেড়ে হাজারের পাল হয়েছে; নীরবতার জন্য এই নাম। এখন উত্তরে প্রায় ২০,০০০ মানুষ থাকেন, মাছ ধরেন আর চাষ করেন, আর দক্ষিণ বন, মাঠ আর বঙ্গোপসাগরমুখী লম্বা সৈকত।
বেড়ানো মানে হরিণ দেখতে ভোরে বনে হাঁটা (চৌধুরী খাল আর লাগানো বনের ব্লক), সৈকত আর সূর্যাস্ত পয়েন্ট, খাল ধরে নৌকা, আর শীতে কাদাচরের হাঁস আর সৈকতপাখি। নামার বাজারে কয়েকটা গেস্টহাউস আর বন বিভাগের রেস্টহাউস; বিদ্যুৎ সৌর, মাঝে মাঝে থাকে না। মাইজদী থেকে পৌঁছাতে প্রায় পুরো দিন, তাই দুই রাতের পরিকল্পনা করুন।
যাওয়ার পথ: মাইজদী → বাসে চেয়ারম্যান ঘাট (১.৫ ঘণ্টা) → সি-ট্রাক বা লঞ্চে হাতিয়ার নলচিরা (১–২ ঘণ্টা) → মোটরসাইকেল বা বাসে হাতিয়া পার হয়ে মোক্তারিয়া ঘাট (১.৫ ঘণ্টা) → নৌকায় নিঝুম দ্বীপ (৩০ মিনিট), তারপর মোটরসাইকেলে নামার বাজার।
যা করতে পারেন
- হরিণের জন্য স্থানীয় গাইড নিয়ে প্রথম আলোয় কেওড়া বনে ঢুকুন।
- চৌধুরী খাল ধরে নৌকায় সৈকতে গিয়ে সূর্যাস্ত।
জেনে রাখা ভালো
- নগদ টাকা, টর্চ আর দরকারি ওষুধ নিন; ব্যাংক নেই, ক্লিনিক সাধারণ।
- আগের দিন সি-ট্রাক আর নৌকার সময় দেখে নিন; বাতাসে বন্ধ থাকে।




